Recent Articles
মানব শরীরে ২০৬টি হাড় আছে। স্বাভাবিক গঠনে হাড়ে আমিষ, কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম থাকে বলে হাড় শক্তিশালী হয়। ৩০ বছর বয়সে হাড়ের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং হাড় মজবুত থাকে। একে হাড়ের পিক (চবধশ) পরিমাণ বলে। প্রাকৃতিক নিয়মে ৩০ বছরের পর থেকে মানব শরীরে হাড়ের ঘনত্ব ও পরিমাণ কমতে থাকে, হাড় দুর্বল এবং ভঙ্গুর হতে থাকে। ফলে হাড় অতি সহজেই ভেঙে যায়।
কুইক হেলথ টিপস : ব্লাডপ্রেসার কমান
- By Health Info
- হেলথ টিপস
- Unrated
ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এরজন্য যা করবেন-তা হলো— অল্প একটু লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান, এতে ব্লাডপ্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমে যাবে। **************************
দৈনিক আমার দেশ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০।
ডিম আমাদের একটি প্রিয় খাবার। সন্দেহাতীতভাবে ডিম একটি পুষ্টিকর খাবার। হঠাত্ অতিথি আপ্যায়নে আমাদের দেশে ডিমের কদর অনেক আগে থেকেই।
সাবলীল থাকুক হৃৎস্বাস্থ্য
- By Health Info
- হৃদরোগ
- Unrated
হূৎস্বাস্থ্য নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ব্যানার চার্চিল কমিউনিটি হাসপাতালের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান চিকিৎসক এরিক হার্জোগ। জানতে হবে হূৎস্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো এবং করতে হবে প্রতিরোধ।
কিডনি সমস্যা
চিকিৎসক ও নার্সের জীবনে একটি অভিজ্ঞতা হয়। তাঁদের সামনে অনেক সময় মানুষের মৃত্যু ঘটে যায়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ করুণ পরিণতি দেখতে হয়। অনিবার্য হলেও করুণ। এমন হয় যে মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চলে—আধুনিক চিকিৎসায় যা সম্ভব, করা হয়, তবু অনেকের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয় না।
মাছ খেলে ইসকেমিক হৃদরোগের সম্ভাবনা হ্রাস পায়
- By Health Info
- খাদ্য ও পুষ্টি
- Unrated
নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ খেলে তাতে ইসকেমিক স্ট্রোকের সম্্ভাবনা কমে যায়। বিশেষ করে মাসে অন্তত দু’বার সামুদ্রিক মাছ খেলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কয়েকজন প্রফেসর সম্প্রতি এক গবেষণায় এটি প্রমাণ করেছেন। ইসকেমিক স্ট্রোক মূলত মি-ষ্ড়্গে রক্ত প্রবাহের পথটি ব্লক করে দিয়ে রক্ত সঞ্চালণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্র- করে। সামুদ্রিক মাছে থাকা কিছু খণিজ উপাদান, যা এই ব্লক তৈরি হতে দেয় না। তবে অতিরিক্ত তৈলাক্ত মাছ খেলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে পাঙ্গাসের পেটি, ইলিশের পেটি এবং চিংড়ীর মগজ পরিহার করা ভালো। এছাড়া ফ্রাই করা মাছ বা মাছ ভাজা খেতে পছন্দ করেন অনেকে। ফ্রাই ফিস যথাসম্্ভব কম খাওয়া ভালো। কারণ তেলে ভাজার কারণে মাছে স্বাভাবিক চর্বির চেয়ে অনেক বেশী চর্বি পাওয়া যায় যা হৃদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। **************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ৬ মার্চ ২০১০।
