ডেঙ্গু জ্বরের রোগীকে প্যারাসিটামল ছাড়া অ্যাসপিরিন অথবা অন্য কোনো জ্বরের বা ব্যথার ওষুধ দেওয়া যাবে না। কোনো অ্যান্টিবায়োটিকও নয়, কারণ এ সময় অ্যান্টিবায়োটিক কোনো সাহায্য করে না। রোগীকে প্রচুর তরল খাবার খাওয়াতে হবে। যেমনঃ পানি, খাওয়ার স্যালাইন (ওআরএস), সুপ, দুধ, তাজা ফলের রস ইত্যাদি। সঙ্গে সাধারণ খাবার। যেসব শিশু মায়ের দুধ পান করে তাদের মায়ের দুধ খাওয়ানো যাবে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে আপনার করণীয়
?[?]এডিস মশা দিনের বেলা কামড়ায়। তাই দিনে ঘুমালে মশারি ব্যবহার করুন।
?[?]বাচ্চাদের স্কুলের ড্রেসে ফুলহাতা শার্ট, ফুলপ্যান্ট ও মোজা পরাতে হবে।
?[?]ঘরের মধ্যে দিনের বেলায়ও মশার কয়েল, অ্যারোসল বা ম্যাট ব্যবহার করুন।
?[?]ঘরের দরজা, জানালা ও ভেন্টিলেটরে সম্ভব হলে মশানিরোধক জাল ব্যবহার করুন।
?[?]ঘর ও ঘরের চারপাশে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকা ক্যান, টিনের কৌটা, মাটির পাত্র, বোতল, নারকেলের মালা এবং এ-জাতীয় অন্যান্য পাত্র ধ্বংস করে ফেলতে হবে, যাতে পানি জমতে না পারে।
?[?]গোসলখানায় বালতি, ড্রাম, প্লাস্টিক ও সিমেন্টের ট্যাংক কিংবা মাটির গর্তে পাঁচদিনের বেশি কোনো অবস্থাতেই পানি জমিয়ে রাখা যাবে না।
?[?]অব্যবহূত গাড়ির টায়ারে যাতে পানি জমতে না পারে তার ব্যবস্থা করুন।
?[?]ফ্রিজের নিচে, এসির নিচে, ফুলের টবে ও মাটির পাত্রে সামান্য পানি জমে থাকলেও তা নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করুন। 

*************************************
লেখকঃ ইকবাল কবীর
জনস্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞ ও রোগতত্ত্ববিদ
উতসঃ দৈনিক প্রথম আলো, ০৩ অক্টোবর ২০০৭