আজকাল ভিটামিন খাওয়া ফ্যাশনেবল ডায়েট তালিকার উপকরণ হয়ে পড়েছে। ক্যাপসুলবন্দি ভিটামিন অনেকে খাচ্ছেন নিয়মিতভাবে। তবে অনেকে জানেনও না কত সহজে, কম খরচে সাধারণ খাদ্যের মধ্য থেকে বেছে নেয়া যায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেল। শাকসবজি, ফলমূল অল্পবিস্তর খাওয়া হয় সবারই। তবে জেনেশুনে পরিমাণ এবং নিয়মমতো এগুলো খেতে পারলে অনেক রোগ প্রতিরোধ করা যায়। সুস্থতা অনেক বড় সম্পদ। অসুখ দূর করতে বা অসুস্থতা ঠেকাতে পয়সা খরচ না করে দেখে নিন নিচের তালিকা। জেনে নিন কোন খাবরে কী আছে। খাবারের সমৃদ্ধ তালিকা আপনার মাল্টিভিটামিনের পয়সা বাঁচাবে।

ভিটামিন এঃ খেতে পারেন কাঁচা অথবা পাকা, রান্না অথবা তাজা পেঁপে, গাজর।

ভিটামিন ইঃ সহজ উপায় বাদাম। যেকোনো বাদাম।

ফলিক অ্যাসিডঃ ঢেঁড়স ভালো লাগে না? চেষ্টা করুন খেতে, সেই সাথে পালংশাকও।

নিয়াসিন (বি)৩: নামটা অচেনা, কিন্তু শরীরে প্রয়োজন। উৎস চিনাবাদাম, হাড্ডিছাড়া, চামড়া ছড়ানো মুরগির বুক।

ভিটামিন সিঃ এ তো ছোটরাও জানে। বলুন তো কী? মস্ত বড় কমলা, আমলকী, পেয়ারা।

সেলেনিয়ামঃ টুনা ফিশের সাথে নিশ্চয়ই পরিচয় ঘটে গেছে। সব সুপারস্টোরেই পাবেন। সাথে খাবেন ডাল, শিম, মটরশুঁটি­ যোগাবে প্রয়োনীয় সেলেনিয়াম।

ভিটামিন বি ৬: রুটি, সম্ভব হলে লাল আটার। কলিজাও লাল উৎস।

ম্যাগনেসিয়ামঃ ঢেঁকিছাঁটা লাল চাল। খুঁজলে কিন্তু এ শহরেও পাবেন।

**************************
ডা. সুমাইয়া নাসরিন
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ১৬ নভেম্বর ২০০৮।