স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
রাইনোস্পরিডিওসিসঃ নাকের ফাংগাল ইনফেকশন
http://health.amardesh.com/articles/12/1/aaaaaaaaaaaaaaaaaa--aaaaa-aaaaaa-aaaaaaa/Page1.html
Daily Naya Diganta

Articles published in The Daily Naya Diganta.

 
By Daily Naya Diganta
Published on 11/20/2007
 
(প্রফেসর ডা. এম আলমগীর চৌধুরী) নাকের ফাংগাল ইনফেকশনকে রাইনোস্পরিডিওসিস বলা হয়। এই ইনফেকশন নাক ছাড়াও দেহের অন্য অঙ্গেও হতে পারে।

রাইনোস্পরিডিওসিসঃ নাকের ফাংগাল ইনফ

নাকের ফাংগাল ইনফেকশনকে রাইনোস্পরিডিওসিস বলা হয়। এই ইনফেকশন নাক ছাড়াও দেহের অন্য অঙ্গেও হতে পারে।

কিভাবে ছড়ায়ঃ ফাংগাল স্পোর গরু-ছাগল, ঘোড়ার মলদ্বারা পুকুরের পানি ও বাতাসে ছড়ায়। এই স্পোর সংক্রমিত পানিতে গোসল করলে বা সংক্রমিত বাতাসে শ্বাস গ্রহণ করার মাধ্যমে তা মানুষের দেহে প্রবেশ করে। নাকে কোনো ক্ষত থাকলে সেই ক্ষত দিয়ে জীবাণু ছড়াতে থাকে। এই স্পোর নাকের সাব মিউকোসাতে বংশ বৃদ্ধি করে স্পোরানজিয়া গঠন করে। এই স্পোর জার্মিনাল পোর-এর মধ্য দিয়ে ভেঙে যায় এবং টিস্যুতে নিঃসরিত হয় এবং টিস্যুতে রিএকটিভ হাইপারপ্লাসিয়া হয় এবং পলিপের মতো বা টিউমারের মতো দেখতে অনেকটা স্ট্রবেরি ফলের মতো দেখায়।

কাদের এবং কোথায় বেশি হয়ঃ নাকের ছত্রাকজনিত রোগ পুরুষের বেশি হয়। সাধারণত ১১ থেকে ৪০ বছর বয়সে বেশি হয়। তবে যে কোনো বয়সে এবং মহিলারাও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এই রোগ ভারতীয় উপমহাদেশে যেমন বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বেশি হয়ে থাকে।

রোগের লক্ষণসমূহঃ নাক বন্ধ হওয়া, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, নাকে চুলকানি হওয়া, নাকে টিউমারের মতো বা পলিপের মতো কিছু (স্ট্রবেরি ফলের মতো) দেখা যেতে পারে।

রোগ নির্ণয়ের পদ্ধতিঃ বায়োপসি এবং হিস্টোপ্যাথলজি করে রোগ নিশ্চিত করা যায়।

চিকিৎসাঃ পলিপয়েড মাস এবং আশপাশের আক্রান্ত জায়গায় সম্পূর্ণ এবং বিস্তৃতভাবে অপারেশন করতে হবে। কেটে ফেলা স্থানটি কটারাইজেশন করতে হবে। এতে করে রক্তপাত কম হবে এবং আবার আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
 

লেখকঃ প্রফেসর ডা. এম আলমগীর চৌধুরী
বিভাগীয় প্রধান, নাক, কান ও গলা বিভাগ, মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন, উত্তরা, ঢাকা।
দৈনিক নয়াদিগন্ত, ১১ নভেম্বর ২০০৭ সংখ্যায় প্রকাশিত