স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
সিফিলিসের উপসর্গ ও পরীক্ষা
http://health.amardesh.com/articles/1514/1/aaaaaaaaa-aaaaaa-a-aaaaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 05/15/2009
 
সিফিলিসের প্রাথমিক স্তর শরীরে জীবাণু প্রবেশের সাধারণত ১০ থেকে ৪০ দিন পর সরাসরি সংক্রমিত স্থানে ব্যথাহীন গোটা ওঠে। যৌনাঙ্গ ছাড়া এ গোটা মলদ্বার, ঠোঁট কিংবা স্তনের বোঁটায় হতে পারে। কাছাকাছি গ্রন্থিগুলো ফুলে উঠতে পারে। ৪-১০ সপ্তাহের মধ্যে গোটা চলে যায়। প্রথম স্তরে রোগ সারানো সহজ হয়।

সিফিলিসের উপসর্গ ও পরীক্ষা: পুরুষের স্বাস্থ্য সমস্যা-৬৯

সিফিলিসের প্রাথমিক স্তর
শরীরে জীবাণু প্রবেশের সাধারণত ১০ থেকে ৪০ দিন পর সরাসরি সংক্রমিত স্থানে ব্যথাহীন গোটা ওঠে। যৌনাঙ্গ ছাড়া এ গোটা মলদ্বার, ঠোঁট কিংবা স্তনের বোঁটায় হতে পারে। কাছাকাছি গ্রন্থিগুলো ফুলে উঠতে পারে। ৪-১০ সপ্তাহের মধ্যে গোটা চলে যায়। প্রথম স্তরে রোগ সারানো সহজ হয়।

সিফিলিসের দ্বিতীয় স্তর
সংক্রমণের ছয় সপ্তাহ থেকে তিন মাস পর সব শরীরে ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়। মাথার চুল পড়ে। মাথাব্যথা, সামান্য জ্বর ও গ্রন্থিগুলো ফোলা হতে পারে। আক্রান্ত ব্যক্তি তীব্রভাবে সংক্রমিত হয় তার মুখের ত্বক যদি ছিঁড়ে যায়। তাহলে চুমুর মাধ্যমে রোগ ছড়াতে পারে। প্রায় এক বছরের মধ্যে রোগের চিহ্নগুলো মিলিয়ে যায়।

সিফিলিসের শেষ স্তর
স্থিরতার কাল থেকে ৩০ বছর পর (সুপ্ত স্তর) রোগটি শরীরের যেকোনো অংশকে আক্রমণ করতে পারে। সাধারণত হৃৎপিণ্ড, রক্তনালী, মস্তিষ্ক ও স্নায়ু রুজ্জু আক্রান্ত হয়। অন্যান্য প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মুখে ঘা, ত্বক, হাড় ও লিগামেন্টের ক্ষয়। বড় ধরনের প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে অন্ধ হয়ে যাওয়া, অঙ্গ অসার, উন্মাদনা ও মৃত্যু। শারীরিক ক্ষতি পূরণ করা যায় না।

জন্মগত সিফিলিস
গর্ভাবস্থায় আক্রান্ত মায়ের কাছ থেকে গর্ভফুলের মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশু সিফিলিসে আক্রান্ত হতে পারে। এ ধরনের এক-তৃতীয়াংশেরই গর্ভপাত হয় কিংবা মৃত সন্তান প্রসব ঘটে। প্রাথমিক গর্ভাবস্থায় মায়ের চিকিৎসা করলে শিশু রক্ষা পায়।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা
সেরোলজিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে সিফিলিসের জীবাণু ধরা পড়ে। সিফিলিসে আক্রান্ত হওয়ার চার সপ্তাহ থেকে সেরোলজিক্যাল পরীক্ষাগুলো পজিটিভ হয়। মাঝে মধ্যে ভ্রান্তিমূলক পজিটিভ হতে পারে। ভিডিআরএল এবং আরপিআর পরীক্ষা অন্য সংক্রমণ কানেকটিভ ইস্যুর অসুখে পজিটিভ হয়। ফলাফল বিশেষ পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা যায়। যদি সিফিলিস সন্দেহ করা হয় তাহলে লাইপয়ডাল এন্টিজেন এবং বিশেষ পরীক্ষাগুলো একত্রে করা হয়।

সুপ্ত স্তরে স্নায়ুজনিত অসুস্থতা পৃথক কিংবা নিশ্চিত করার জন্য সিএসএফ পরীক্ষা করা হয়।

সিফিলিসের সেরোলজিক্যাল পরীক্ষা
­ ভিডিআরএল (ভেনেরাল ডিজিজ রিসার্স ল্যাবরেটরি) পরীক্ষা
­ আরপিআর (র‌্যাপিড প্লাজমা রিয়াজিন)
­ টিপিএইচএ (ট্রেপোনেমা প্যালিডাম হেমাগ্লুটিনেশন আসেই)।
­ এফটিএ-এবিএস (ফ্লুরোসেন্ট ট্রেপোনেমাল এন্টিবডি এবসর্বড)
­ট্রেপোনেমাল এনজাইম-লিংকড-ইম্যুনোসরবেন্ট (ঊখওঝঅ)।

চিকিৎসা
অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা করাতে হবে, নইলে পরে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।

*************************
ডাঃ মিজানুর রহমান কল্লোল
লেখকঃ জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন। চেম্বারঃ কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড (বাটা সিগনাল ও হাতিরপুল বাজারের সংযোগ সড়কের মাঝামাঝি), ঢাকা।
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৯ মার্চ ২০০৯।