স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
রজঃনিবৃত্তিতে হোমিওপ্যাথি
http://health.amardesh.com/articles/1579/1/aaaaaaaaaaaaa-aaaaaaaaaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 05/8/2009
 
মেয়েদের রজঃনিবৃত্তি জীবনচক্রের একটি অপরিহার্য অবস্থা। মেয়েদের ওভারি পরিপূর্ণভাবে কাজ করে মোটামুটি ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সসীমার মধ্যেই। তখন মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র শুরু হয়। এ সময় মেয়েদের ওভারির মধ্যে ছোট ছোট ফলিকল থাকে। এদের মাঝে থাকে ওভাম। আর ডিম্বাণু ক্রমেই বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে ফেটে গিয়ে অভিউলেশন ঘটে। প্রতিমাসে এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। যাকে আমরা বলি ঋতুচক্র। এ চক্র ১২-১৫ বছরের মধ্যে শুরু হয়ে ৪৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত চলে। তারপর বন্ধ হয়ে যায়। ওভারির এ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ফলে মাসিক বা ঋতুচক্র বন্ধ হওয়ার নাম রজঃনিবৃত্তি। এ সময় মায়েদের বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।

রজঃনিবৃত্তিতে হোমিওপ্যাথি

মেয়েদের রজঃনিবৃত্তি জীবনচক্রের একটি অপরিহার্য অবস্থা। মেয়েদের ওভারি পরিপূর্ণভাবে কাজ করে মোটামুটি ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সসীমার মধ্যেই। তখন মেয়েদের মাসিক ঋতুচক্র শুরু হয়। এ সময় মেয়েদের ওভারির মধ্যে ছোট ছোট ফলিকল থাকে। এদের মাঝে থাকে ওভাম। আর ডিম্বাণু ক্রমেই বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে ফেটে গিয়ে অভিউলেশন ঘটে। প্রতিমাসে এ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। যাকে আমরা বলি ঋতুচক্র। এ চক্র ১২-১৫ বছরের মধ্যে শুরু হয়ে ৪৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত চলে। তারপর বন্ধ হয়ে যায়। ওভারির এ কার্যক্ষমতা হারিয়ে ফেলার ফলে মাসিক বা ঋতুচক্র বন্ধ হওয়ার নাম রজঃনিবৃত্তি। এ সময় মায়েদের বেশ কিছু শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়।

পরিবর্তনঃ মেনোপজের আগে মাসিক ঋতুস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, স্থায়িত্বকাল কমে যায়। মাথার চুল পড়ে, মাথায়-হাতে-পায়ের তলায় তথা সমস্ত শরীরে জ্বালা হতে পারে। বদহজম, উদরাময়, পেট ফাঁপা, বমিভাব দেখা যায়। এ ছাড়া রক্তকাশি, রক্তস্রাব, অর্শ, নাসিকাসহ অন্যান্য স্থান থেকে রক্তস্রাব হয়ে থাকে, সার্ডিক্স ও ইউটেরাসে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে যা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে চিকিৎসা দরকার।

মানসিক পরিবর্তনঃ অনেকেই তা মন থেকে মেনে নিতে পারে না, মানসিক অস্থিরতা, ঘুমের ব্যাঘাত, খাদ্যে অনীহা।

চিকিৎসাঃ প্রথমেই রোগিনীকে ভালোভাবে বোঝাতে হবে যে এটা স্বাভাবিক একটা প্রাকৃতিক পরিবর্তন, মানসিকভাবে এ ব্যাপারটা মেনে নিতে পারলেই বহু অংশে ভালো থাকে। বাকি সামান্য সমস্যার জন্য কিছু ওষুধ প্রয়োগের দরকার হয়ে থাকে। লক্ষণভিত্তিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ যেমন- চায়না, ককুলাস ইন্ডিকা, সালফার, সিপিয়া, বেলেডোনা, এমিল নাইট, লেকেসিস ইত্যাদি। জেনে রাখা ভালো যে একজন ভালো চিকিৎসকই ভালো পরামর্শ ও একটি সঠিক মেডিসিন নির্বাচন করতে পারেন।


************************
ডাঃ হাসিনা বেগম
লেখকঃ প্রভাষক, ময়মনসিংহ হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রি কলেজ ও হাসপাতাল, ময়মনসিংহ।
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৬ এপ্রিল ২০০৯।