স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
দাঁত ও মুখের সৌন্দর্যে অ্যাসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি
http://health.amardesh.com/articles/1970/1/aaaa-a-aaaaa-aaaaaaaaaa-aaaaaaaaaa-aaaaaaaaaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 11/30/2009
 
মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যপিপাসু। দাঁত ও মুখের সৌন্দর্য আমাদের জীবনযাত্রা এমনকি কাজের পারফরমেন্সেও পজিটিভ ভূমিকা রাখে। মুখাবয়ব এবং দাঁতের এই সৌন্দর্য বৃদ্ধি কসমেটিক বা অ্যাসথেটিক ডেন্টিস্ট্রির অন্তর্ভুক্ত। সুন্দর দাঁত বলতে প্রধানত বোঝাতো দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় না হওয়া, সাধারণ ভাষায় যাকে দাঁতে পোকা ধরা বলে, মাঢ়িতে প্রদাহ বা জিনজিভাইটিসের চিকিৎসাও এক্ষেত্রে সমানতালে চলছে। দাঁত স্কেলিং করিয়েও দাঁতের স্বাস্থ্য অটুট রাখার চেষ্টা চলছে। সময় এগোচ্ছে, মানুষের চাহিদারও ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। এখন মুখমণ্ডল, চুল, নখ ইত্যাদি পরিচর্যার জন্য মানুষ বিশেষ করে নারীরা বিউটিশিয়ান বা প্লাস্টিক সার্জনের পরামর্শ নিচ্ছেন। তেমনি বাচনভঙ্গি, শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে স্পিচ থেরাপিস্ট, বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট এবং বিভিন্ন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।

দাঁত ও মুখের সৌন্দর্যে অ্যাসথেটিক ডেন্টিস্ট্রি

মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যপিপাসু। দাঁত ও মুখের সৌন্দর্য আমাদের জীবনযাত্রা এমনকি কাজের পারফরমেন্সেও পজিটিভ ভূমিকা রাখে। মুখাবয়ব এবং দাঁতের এই সৌন্দর্য বৃদ্ধি কসমেটিক বা অ্যাসথেটিক ডেন্টিস্ট্রির অন্তর্ভুক্ত। সুন্দর দাঁত বলতে প্রধানত বোঝাতো দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় না হওয়া, সাধারণ ভাষায় যাকে দাঁতে পোকা ধরা বলে, মাঢ়িতে প্রদাহ বা জিনজিভাইটিসের চিকিৎসাও এক্ষেত্রে সমানতালে চলছে। দাঁত স্কেলিং করিয়েও দাঁতের স্বাস্থ্য অটুট রাখার চেষ্টা চলছে। সময় এগোচ্ছে, মানুষের চাহিদারও ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। এখন মুখমণ্ডল, চুল, নখ ইত্যাদি পরিচর্যার জন্য মানুষ বিশেষ করে নারীরা বিউটিশিয়ান বা প্লাস্টিক সার্জনের পরামর্শ নিচ্ছেন। তেমনি বাচনভঙ্গি, শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে স্পিচ থেরাপিস্ট, বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট এবং বিভিন্ন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে। পেশাগত পারদর্শিতার উৎকর্ষতার জন্য এবং অন্যের কাছে নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য এসব অ্যাসথেটিক বা সৌন্দর্য-ভাবনার পরিবর্তন হয়েছে। অনেক সময় দাঁত ও মুখাবয়বের নিচের সমস্যাগুলো মানুষের অ্যাসথেটিক ভ্যালু কমিয়ে দেয়। যেমন-
দাঁতের সেটিং অসামঞ্জস্য হলে যেমন দাঁত আঁকা-বাঁকা, ফাঁকা-ফাঁকা, উঁচু-নিচু থাকলে।
অস্বাভাবিক আকৃতির দাঁত।
কোনও কারণে দাঁত পড়ে গেলে বা ফেলে দিলে, সে জায়গা ফাঁক হয়ে যায়। এ জায়গায় কৃত্রিম বা আর্টিফিসিয়াল দাঁত প্রতিস্থাপন করা যায়।
দাঁতের কালার চেঞ্জ অর্থাৎ হলদেটে/বাদামি রঙের হলে।
দাঁতে গর্ত হলে বা কোনও অংশ ভেঙে গেলে। এক্ষেত্রে দাঁতের রঙ মিলিয়ে সিরামিক লাইট কিউর ফিলিং করা হয়।
দাঁত ও চোয়ালের উপযুক্ত সেটিং না থাকলে ঠোঁট ও তার আশপাশের মাংসপেশির বিভিন্ন ধরনের অস্বাভাবিক পরিবর্তন হয়ে যায়। এটি উচ্চারণে প্রতিবন্ধকতা এবং সৌন্দর্যে ব্যাঘাত ঘটায়। দাঁত ও চোয়ালের হাড়ের অসামঞ্জস্য থাকলে তার চিকিৎসা শিশুকাল থেকেই শুরু করতে হয়। তবে ১৪-৩০ বছরের মধ্যেও এর চিকিৎসা সম্ভব। বিবর্ণ দাঁতকে স্বাভাবিক সাদা ও উজ্জ্বল করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ পদ্ধতি হচ্ছে ইবুড়হফ ঞড়ড়ঃয যিরঃবহরহম অপপবষবৎধঃব ংুংঃবস-এর মাধ্যমে দাঁতের ভেতরের স্ট্রাকচার অর্থাৎ এনামেল, ডেন্টিন স্তর পর্যন্ত পৌঁছে বিবর্ণ দাঁত স্বাভাবিক সাদা এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে উজ্জ্বল করে। ফাঁকা-ফাঁকা দাঁত সিরামিক ক্রাউনের মাধ্যমে স্বাভাবিক করাও বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। বিদেশে গিয়ে এ চিকিৎসা করার সময় ফুরিয়ে এসেছে।


**************************
ডা· মোঃ রিয়াজুল আহসান
ডেন্টাল সার্জন, ইন্টিমেট ডেন্টাল কেয়ার, ধানমণ্ডি, ঢাকা
দৈনিক যুগান্তর, ২৪ অক্টোবর ২০০৯।