হাড়ের সুরক্ষায় চা
গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব মহিলা দিনে এক কাপ বা তার বেশি কাপ পরিমাণ চা পান করেন তাদের হাড়, যেসব মহিলা আদৌ চা পান করেন না তাদের চেয়ে মজবুত। কিছু মহিলা দিনে এক কাপ চা পান করেন, আবার কিছু মহিলা দিনে ছয় কাপেরও বেশি চা পান করেন। কিন্তু এক কাপের বেশি চা অতিরিক্ত কোনো সুরক্ষা দেয় না। হাড়ের সুরক্ষার জন্য দৈনিক এক কাপ চা গ্রহণই যথেষ্ট।
গবেষকদের মতে, চায়ে রয়েছে ফ্লাভোনয়েড নামক উপাদান। এই ফ্লাভোনয়েডই হাড়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ঘটায় এবং হাড়ের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেয় যার ফলে হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধ হয়। মহিলাদের মধ্যে হাড়ের ভঙ্গুরতা বা অসটিওপরোসিস সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হয়। একটা নির্দিষ্ট বয়সের পরে এবং অন্যান্য কিছু কারণে মহিলারা হাড়ের ভঙ্গুরতা রোগে ভুগে থাকেন। দৈনিক পরিমিত পরিমাণ চা গ্রহণ করলে মহিলারা হাড়ের ভঙ্গুরতা প্রতিহত করতে পারেন।

নবজাতক শিশুর চোখ ওঠা
অধিকাংশ শিশুর জন্মের দু-তিন দিন পরে চোখ উঠতে পারে। পরিষ্কার কটন বাড নরমাল স্যালাইন (খাওয়ার স্যালাইন নয়) বাজারে নরসোল নামে পাওয়া যায়-সেটায় ভিজিয়ে দিনে কয়েকবার পরিষ্কার করলেই হয়। এই সমস্যা সাধারণত দুই চোখে হয়। কিন্তু এক চোখে অনুরূপ সমস্যা আছে, অন্য চোখে সমস্যা নেই তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।

অনেক শিশু ঘুমানোর পরে যখন জাগে দুই চোখ শক্ত হয়ে বন্ধ হয়ে থাকে, চিৎকার করে কান্না করতে থাকে। বিশেষ করে সমস্যাটা প্রকট হয় সকালে। এই সমস্যা ব্যাকটেরিয়াজণিত কারণে হয়। বাজারে বহু নামে ক্লোরাম ফেনিকেল চোখের ড্রপ পাওয়া যায় চার-ছয় ঘণ্টা অন্তর দুই চোখে এক ফোঁটা করে পাঁচ-সাত দিন দিলেই ভালো হয়ে যাবে। বিপত্তি হচ্ছে মায়ের যদি গনরিয়া থাকে এবং সে কারণে শিশুর চোখ ওঠে তবে শিশুর দুই চোখ দিয়ে প্রচুর ক্যাতর ঝরতে থাকে। স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। তখন ওপরের কোনো চিকিৎসাই বাড়িতে না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
 
**************************
ডাঃ ওয়ানাইজা
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২৫ অক্টোবর ২০০৯।