স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
কিডনি রোগ কি অপ্রতিরোধ্য?
http://health.amardesh.com/articles/2260/1/iaaaaa-aaa-aa-aaaaaaaaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 05/7/2010
 
চলতি বছরের বিশ্ব কিডনি দিবসের স্লোগান হলো—‘প্রটেক্ট ইউর কিডনিস, কন্ট্রোল ডায়াবেটিস’ অর্থাত্ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে রক্ষা করুন। মূলত ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ থেকে কিডনি বিকল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা এবার বেশ জোরেশোরেই বলা হচ্ছে। পৃথিবীতে কিডনি রোগ ব্যাপক বিস্তার লাভ করছে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এর বিস্তার আরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বে এর হার শতকরা ১১ ভাগ অর্থাত্ প্রতি ৯ জনের ১ জনই কিডনি রোগী। অস্ট্রেলিয়ায় এ হার শতকরা ১৫ ভাগ। উন্নয়নশীল বিশ্বে এ হার যে আরও বেশি হতে পারে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

কিডনি রোগ কি অপ্রতিরোধ্য?

চলতি বছরের বিশ্ব কিডনি দিবসের স্লোগান হলো—‘প্রটেক্ট ইউর কিডনিস, কন্ট্রোল ডায়াবেটিস’ অর্থাত্ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে রক্ষা করুন। মূলত ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ থেকে কিডনি বিকল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলেই ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখার কথা এবার বেশ জোরেশোরেই বলা হচ্ছে।
পৃথিবীতে কিডনি রোগ ব্যাপক বিস্তার লাভ করছে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এর বিস্তার আরও বেশি। যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত বিশ্বে এর হার শতকরা ১১ ভাগ অর্থাত্ প্রতি ৯ জনের ১ জনই কিডনি রোগী। অস্ট্রেলিয়ায় এ হার শতকরা ১৫ ভাগ। উন্নয়নশীল বিশ্বে এ হার যে আরও বেশি হতে পারে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

বাংলাদেশের অবস্থাও ভয়াবহ
বিগত ৫ বছর থেকে কিডনি ফাউন্ডেশন ও বিএসএমএমইউ’র তত্ত্বাবধানে মিরপুরের বস্তিবাসীসহ ঢাকা শহরের কিছু এলাকা, সাভারের প্রত্যন্ত গ্রাম ও পাবনার বনগ্রামে কিডনি রোগ শনাক্তকরণের কাজ চলছে। মিরপুরের বস্তিবাসীদের মধ্য থেকে ১ হাজার পুরুষ ও মহিলার ওপর সমীক্ষা হয় ২০০৫ সালে। এতে দেখা যায়, শতকরা ১৬ ভাগ রোগী কিডনি রোগে ভুগছে। বিএসএমএমইউ’র চিকিত্সক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরদের মধ্যে সমীক্ষা করে পাওয়া গেছে শতকরা ১২ ভাগ কিডনি রোগী। আর সাভারের গ্রামাঞ্চলে পাওয়া যায় শতকরা ১৭ ভাগ। এসব সমীক্ষা থেকে প্রতীয়মান হয়, কিডনি রোগে বাংলাদেশে অবস্থান ভয়াবহ এবং এটা প্রতিরোধ করা জরুরি।

প্রধান প্রধান কিডনি রোগ
প্রায় ১ হাজার কিডনি অকেজো রোগীর ওপর সমীক্ষা করে দেখা গেছে, তাদের ৪৬ ভাগ নেফ্রাইটিস, ৩৮ ভাগ ডায়াবেটিস ও ১১ ভাগ উচ্চ রক্তচাপের কারণে কিডনি বিকল হয়েছে। সুতরাং আমাদের উপরোক্ত তিনটি কারণ শনাক্ত করে সঠিক সময় সঠিকভাবে চিকিত্সা দেয়া জরুরি।

নেফ্রাইটিস বা প্রস্রাবের প্রদাহ
নেফ্রাইটিস কিডনির একটি প্রধান রোগ। যে কোনো বয়সে এ রোগ হতে পারে। শিশুদের ক্ষেত্রে ৯০ ভাগ নিরাময় যোগ্য, জটিলতা বাধে বড়দের ক্ষেত্রে। সাধারণত দু’ধরনের নেফ্রাইটিস হতে পারে। সংক্রামক এবং অসংক্রামক। শতকরা ২০ ভাগ সংক্রামক কারণে এবং ৮০ ভাগই অসংক্রামক কারণে, যার কারণ এখনও সম্পূর্ণ অজানা। সংক্রামক কারণগুলো প্রতিরোধ বা প্রতিকার করা যায়। কিন্তু অসংক্রামক রোগের চিকিত্সা বেশ জটিল।

কিডনি রোগের উপসর্গগুলো
সাধারণত এ রোগে শরীর ফুলে যায়, রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং প্রস্রাবে আমিষ নির্গত হয়। এমনকি প্রস্রাবে লোহিত কণিকা, কাষ্ট বা শ্বেত কণিকায় যেতে পারে। রক্তে ক্রিয়েটিনিন নামক যৌগিক পদার্থ বেড়ে যাতে পারে। রক্তে চর্বির পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। শুধু কিডনি বায়োপসির মাধ্যমে এ ধরনের রোগকে শনাক্ত করা যায়। কিডনি বায়োপসি হচ্ছে, কিডনি থেকে টিসু সুচের মাধ্যমে বের করে তা অনুবিক্ষণ যন্ত্রে পরীক্ষা করা। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিত্সার মাধ্যমে শতকরা ৩০ ভাগ ক্ষেত্রে রোগ নিরাময় করা যায়। শতকরা ৬০ ভাগ রোগী চিকিত্সা সত্ত্বেও ১০ থেকে ১৫ বছরের ভেতর কিডনির কার্যকারিতা লোপ পায় এবং কিডনি সম্পূর্ণ অকেজো হয়।

ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস তেমন কোনো মারাত্মক ব্যাধি নয়। কেবল সঠিক চিকিত্সার অভাবেই এটা মারাত্মক হয়। দু’ধরনের ডায়াবেটিস রয়েছে। টাইপ-১ অর্থাত্ কম বয়সের ডায়াবেটিস যা ইনসুলিন ইনজেকশনের মাধ্যমে চিকিত্সা করা যায়। আর একটি হচ্ছে টাইপ-২ অর্থাত্ বেশি বয়সে হয়, যা খাবার নিয়ন্ত্রণ, ট্যাবলেট বা ইনসুলিন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। শতকরা ৯৮ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী হচ্ছে টাইপ- ২।

ডায়াবেটিস রোগী কি বাড়ছে?
হ্যাঁ, ডায়াবেটিস সারা পৃথিবীতে বেড়েই চলছে। উন্নয়নশীল বিশ্বে এর হার উন্নত বিশ্বের চেয়ে বেশি। বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ২০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিস রোগে ভুগছে এবং ২০২৫ সালে ৩০ কোটি মানুষ ডায়াবেটিস রোগে ভুগবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যার ৬০ ভাগই হবে উন্নয়নশীল বিশ্বে। বাংলাদেশে গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন সমীক্ষা থেকে দেখা গেছে, বর্তমানে ৬০ লাখ লোক ডায়াবেটিস রোগে ভুগছে।

ডায়াবেটিস কি নিয়ন্ত্রণ করা যায়?
ডায়াবেটিস প্রতিকার এমনকি প্রতিরোধ করাও সম্ভব। আর এর জন্য রোগীকে হতে হবে সচেতন। খাদ্যাভাস পরিবর্তন, ওষুধের নিয়মতান্ত্রিক ব্যবহার এবং সুন্দর জীবনযাপনের অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগীকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে।

ডায়াবেটিস থেকে কিডনি রোগ
শতকরা ৩০ ভাগ ডায়াবেটিস রোগী কিডনি আক্রান্ত হয়। এটা ডায়াবেটিস রোগ শনাক্ত করার পর থেকে যে কোনো সময় হতে পারে। আর সে জন্যই প্রতিটি ডায়াবেটিস রোগীকে কিডনি রোগ আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা জেনে নেয়া প্রয়োজন। শুধু প্রস্রাব পরীক্ষা করে এবং রক্তের ক্রিয়েটিনিন দেখে বলে দেয়া যায়, ডায়াবেটিস রোগী কিডনি রোগে আক্রান্ত কি-না।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করার উপায়
—ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমত শরীরকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে হবে।
—শিশুকাল থেকে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করতে হবে, মুটিয়ে যাওয়া চলবে না, নির্দিষ্ট সময় খেলাধুলা, ফাস্টফুড বর্জন এবং সঠিক সময় ঘুমানো উচিত।
—যাদের বয়স ৪০-এর অধিক এবং বংশে ডায়াবেটিস রয়েছে তাকে এসব বিষয়ে আরও সতর্ক হতে হবে এবং রক্ত পরীক্ষা করে জানতে হবে তাদের ডায়াবেটিস হয়েছে কি-না।
—ডায়াবেটিস ধরা পরার পর পর যদি সঠিকভাবে চিকিত্সা করা হয় তবে কিডনি রোগসহ অন্যান্য রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়।

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাডপ্রেসার
উচ্চ রক্তচাপ কিডনি রোগের ৩য় প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত। উন্নত বিশ্বে শতকরা ২০-২৫ ভাগ উচ্চ রক্তচাপ রোগের কারণে কিডনি নষ্ট হয়। এছাড়া উচ্চ রক্তচাপের কারণে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক তো আছেই। সুতরাং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে না থাকলে তা মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। সারা বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটি লোক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশে প্রায় ১ কোটি লোক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে।

উচ্চ রক্তচাপ থেকে কিডনি রোগ
বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের ধারণা, উচ্চ রক্তচাপে উপসর্গ না হওয়া পর্যন্ত চিকিত্সার দরকার নেই। অনেকের ধারণা, সামান্য উচ্চ রক্তচাপে ওষুধ না খাওয়াই ভালো। আবার কারও কারও ধারণা, ওষুধ সেবন করে যখন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের ভেতর যাবে তখন ওষুধ না খেলেই ভালো। আবার অনেকে মনে করে সারা জীবন একই ওষুধ খেলে শরীরে অনেক ক্ষতি হতে পারে। আসলে এ সবই ভুল চিন্তা, যা থেকেই রক্তচাপ সুপ্ত অবস্থায় থেকে যায়। এর ফলাফল হিসেবে পরবর্তীকালে কিডনি অকেজো হতে সাহায্য করে। আর এভাবেই কিডনি যখন অকেজো হয়ে যায় তখন রোগী বুঝতে পারে তার কিডনির কার্যকারিতা আর নেই। তখন চিকিত্সকের করার কিছুই থাকে না। আসলে রক্তচাপ এমন একটি রোগ, যার শতকরা ৮০ ভাগের কোনো উপসর্গই হয় না। শুধু রুটিন রক্তচাপ পরীক্ষা করেই তা বোঝা যায়। সুতরাং যার বয়স ৩০-এর ঊর্ধ্বে বংশে উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে বা কিডনি রোগ রয়েছে তাকে অবশ্যই অবশ্যই বছরে ১-২ বার রক্তচাপ পরীক্ষা
করাতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপের চিকিত্সা
উচ্চ রক্তচাপকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
৮০
স্বাভাবিক ঃ এর নিচে
১২০


১২০ - ১৩৯
উচ্চ রক্তচাপের পূর্বাভাস উচ্চ রক্তচাপ
৮০-৮৯

১৪০ - ১৪৯
স্টেস - ১ =
৯০ - ৯৯

১৬০
স্টেজ - ২ = এর উপরে
১০০

ওপরের রক্তচাপকে বলে সিস্টোলিক এবং নিচের রক্তচাপকে বলে ডায়াস্টোলিক। যখন রক্তচাপের পূর্বাভাস লক্ষ্য করা যায়, তখন থেকে চিকিত্সা শুরু করা প্রয়োজন এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন করে, লবণ পরিহার করে, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হেঁটে বা ব্যায়াম করলে, ওজন বেশি থাকলে তা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। কিন্তু স্টেজ-১ হলে তা ওষুধের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করতে হয়।

কিডনি রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে মারাত্মক নয়। শুরুতে শনাক্ত করা গেলে বেশিরভাগ রোগীকেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য কারও কিডনি রোগ হোক বা না হোক, তার প্রস্রাব ও রক্তের কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে জানা সম্ভব কিডনি রোগ হয়েছে কিনা। তবে কিডনি রোগ হওয়ার আগে সচেতন হওয়া প্রতিটি মানুষের জন্যই জরুরি।

প্রতিরোধে কিছু পরামর্শ
—কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও প্রত্যেকের উচিত প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস করা। অতিরিক্ত লবণ পরিহার করা এবং ওজন বেশি থাকলে তা স্বাভাবিক পর্যায়ে নিয়ে আসা। এছাড়াও রক্তে চর্বি বেশি থাকলে প্রয়োজনে ওষুধ দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধূমপান পুরোপুরি বর্জন করা।

—যাদের নেফ্রোটিক সিনড্রোম বা প্রস্রাবের প্রদাহ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে যথানিয়মে ওষুধ সেবন করা এবং নেফ্রোটক্সিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং ব্যথানাশক বা এনাল জেসিক ওষুধ পরিহার করা উচিত।

—প্রস্রাব প্রদাহ কিডনির একটি সাধারণ রোগ হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।

—ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখুন এবং কিডনি রোগ থেকে বাঁচুন।

—শিশুদের টনসিলাইটিস, প্রস্রাবে প্রদাহ ও চর্মরোগের তাত্ক্ষণিক চিকিত্সা করুন।

—এন্টিবায়েটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ ব্যবহার শতকরা ১৫-২০ ভাগ কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।

—অতিরিক্ত ডায়ারিয়া, বমন ও রক্তক্ষরণে আকস্মিক কিডনি বিকল হওয়ার প্রধান কারণ।

—মেয়েদের গর্ভকালীন উচ্চ রক্তচাপ পরবর্তী পর্যায়ে কিডনি রোগের কারণ হতে পারে।

—নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি বিকলের কারণ।

—যাদের বয়স ৪০ বছরের ওপর তাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রস্রাবে এলবুমিন নির্গত হচ্ছে কিনা তা বছরে ১ বার পরীক্ষা করে দেখে নেয়া উচিত। আবার যাদের বংশে কিডনি রোগ আছে তাদের পরিবারের সবার প্রস্রাব ও রক্তের ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করানো উচিত।

—যাদের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি, যাদের বাল্যকালে প্রস্রাবে ইনফেকশন ছিল কিংবা যারা বারবার টনসিলে ভোগেন তাদেরও এসব পরীক্ষা করিয়ে নেয়া দরকার।

—প্রতিটি ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের বছরে অন্তত ১ বার প্রস্রাবে এলবুমিন অথবা মাইক্রোএলবুমিন এবং সিরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করানো উচিত।

—পর্যাপ্ত পানি পান করা দরকার।
 
—ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত

—ডায়াবেটিক আক্রান্তরা নিয়মিত শর্করা ও রক্তের অ্যালবুমিন পরীক্ষা করুন।

—মাঝে মাঝে কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করুন

**************************
দৈনিক আমার দেশ, ০৯ র্মাচ ২০১০।