স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
আরো যা জানা দরকার: কিডনি রোগ
http://health.amardesh.com/articles/2263/1/aaa-aa-aaaa-aaaaa-aaaaa-aaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 05/7/2010
 
সাধারণত কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কয়েকটি কারণ বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে। নেফ্রোটিক সিন্ড্রম এ রোগ প্রসারের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন বা এলবুমিন বেরিয়ে যায়, তখন শরীরে পানি জমে। প্রচলিত চিকিত্সার পাশাপাশি এ রোগের রোগীদের খাবারে পানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হয়। কাজেই রোগীর কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রতি সপ্তাহে শরীরের ওজন ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

আরো যা জানা দরকার: কিডনি রোগ
সাধারণত কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত কয়েকটি কারণ বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিতে পারে।

নেফ্রোটিক সিন্ড্রম
এ রোগ প্রসারের সঙ্গে অতিরিক্ত প্রোটিন বা এলবুমিন বেরিয়ে যায়, তখন শরীরে পানি জমে। প্রচলিত চিকিত্সার পাশাপাশি এ রোগের রোগীদের খাবারে পানির পরিমাণ কমিয়ে দেয়া হয়। কাজেই রোগীর কিডনির কার্যকারিতা ভালো রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে এবং প্রতি সপ্তাহে শরীরের ওজন ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।

তাত্ক্ষণিক কিডনি অকেজো
কিডনি রোগের মধ্যে এটা একটি মেডিকেল ইমার্জেসি রোগ। এ রোগে হঠাত্ করেই কিডনির কার্যকারিতা বন্ধ হয়ে যায়, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায় এবং রক্তে ক্রিয়েটিনিন, পটাশিয়াম ও এসিডের পরিমাণ বাড়তে থাকে এবং রোগীর শরীরে পানি জমা শুরু হয়। সেই সঙ্গে শ্বাসকষ্টও হতে থাকে। এ অবস্থা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের শরণাপন্ন হতে হবে। রোগীর দ্রুত চিকিত্সা ব্যবস্থা নিতে হবে এবং প্রয়োজনে ডায়ালাইসিসও লাগতে পারে।

ধীরগতিতে কিডনি অকেজো
এসব রোগী ধীরগতিতে বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকে এবং এ রোগের প্রাথমিক স্তরে বা ঈকউ ঝঃধমব ১-৩ পর্যন্ত রোগীর কোনো উপসর্গ থাকে না। তারপরও প্রতি সপ্তাহে ১ বার করে কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা ভালো। এ রোগের কারণ যাই হোক না কেন (নেফ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনিতে বাসা বাধাজনিত রোগ) কিডনির কার্যকারিতা যখন শেষ পর্যায়ে প্যেঁছে অর্থাত্ ঈকউ ঝঃধমব ৪ -৫ তখন ডায়ালাইসিসের জন্য প্রস্তুতি নিতে হয়।

কিডনি সংযোজন বা কিডনি ট্রান্সপ্লানটেশন
কিডনি সংযোজন করার পর কিডনির কার্যকারিতা ভালো থাকা এবং ব্লাড প্রেশার ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখার ব্যাপারে রোগীকে যত্মশীল থাকতে হবে।

পাথরজনিত কিডনি রোগ
উপসর্গবিহীন কিডনিতে পাথর হতে পারে। কিন্তু কিডনিতে পাথর নিয়ে রোগীর যদি উপসর্গ থাকে তাহলে তীব্র ব্যথা, প্রস্রাবে ইনফেকশন, কিডনির কার্যকারিতা কমে যায়।

কোনো কোনো কিডনি রোগী বারবার লবণজাতীয় পদার্থের তারতম্য নিয়ে চিকিত্সকের কাছে আসেন।

সর্বশেষে এটুকু বলা যায়, যে কোনো কারণেই হোক না কেন কিডনির কার্যকারিতা ৭৫-৮০ ভাগ খারাপ হলে রোগীকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে এবং বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে।


**************************
ডাঃ মোঃ শহীদুল ইসলাম (সেলিম)
লেখক : অধ্যাপক, নেফ্রোলজি বিভাগ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
দৈনিক আমার দেশ, ০৯ র্মাচ ২০১০।