নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট পরিমাণে মাছ খেলে তাতে ইসকেমিক স্ট্রোকের সম্্‌ভাবনা কমে যায়। বিশেষ করে মাসে অন্তত দু’বার সামুদ্রিক মাছ খেলেই এই ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। শিকাগোর নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির কয়েকজন প্রফেসর সম্প্রতি এক গবেষণায় এটি প্রমাণ করেছেন। ইসকেমিক স্ট্রোক মূলত মি-ষ্ড়্গে রক্ত প্রবাহের পথটি ব্লক করে দিয়ে রক্ত সঞ্চালণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্র- করে। সামুদ্রিক মাছে থাকা কিছু খণিজ উপাদান, যা এই ব্লক তৈরি হতে দেয় না। তবে অতিরিক্ত তৈলাক্ত মাছ খেলে আবার হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই তৈলাক্ত মাছ বিশেষ করে পাঙ্গাসের পেটি, ইলিশের পেটি এবং চিংড়ীর মগজ পরিহার করা ভালো। এছাড়া ফ্রাই করা মাছ বা মাছ ভাজা খেতে পছন্দ করেন অনেকে। ফ্রাই ফিস যথাসম্্‌ভব কম খাওয়া ভালো। কারণ তেলে ভাজার কারণে মাছে স্বাভাবিক চর্বির চেয়ে অনেক বেশী চর্বি পাওয়া যায় যা হৃদরোগের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

**************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ৬ মার্চ ২০১০।