স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
দাঁতের যত্নে কিছু কথা
http://health.amardesh.com/articles/2349/1/aaaaaa-aaaaa-aaaa-aaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 05/7/2010
 
দাঁত এবং মুখের যত্নের ব্যাপারে আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে। আমরা যারা জানি তারা অন্যকে জানাতে হবে আর শুধু জানালেই হবে না, তা মানতেও হেব। দাঁতের ও মুখের রোগ থেকে আমরা কম বেশী ভালো থাকতে হলে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী জরুরী, তা হলো দাঁতের ফাকে অথবা মুখের ভিতরে যাতে খাবার অনেকক্ষণ জমে না থাকে। জমে থাকা খাবারই পরবর্তীতে দাঁতের ও মুখের নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির কারণ।

দাঁতের যত্নে কিছু কথা

দাঁত এবং মুখের যত্নের ব্যাপারে আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে। আমরা যারা জানি তারা অন্যকে জানাতে হবে আর শুধু জানালেই হবে না, তা মানতেও হেব। দাঁতের ও মুখের রোগ থেকে আমরা কম বেশী ভালো থাকতে হলে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী জরুরী, তা হলো দাঁতের ফাকে অথবা মুখের ভিতরে যাতে খাবার অনেকক্ষণ জমে না থাকে। জমে থাকা খাবারই পরবর্তীতে দাঁতের ও মুখের নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির কারণ।

আমরা শরীর সুস্থ রাখার জন্য যেমন নানা ধরনের ব্যায়াম করে থাকি। তেমনি দাঁত ও মাড়ি সুস্থ রাখার ব্যাপারেও কতগুলো সাধারণ নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হবে। শরীর সুস্থ থাকার নামই স্বাস্থ্য আর এর জন্য আপনার দরকার খাবার গ্রহণ করা। যার জন্য আপনার দরকার সুস্থ দাঁত। এই দাঁত ও মাড়িকে সুস্থ রাখতে হলে কতগুলো সাধারণ নিয়ম-কানুন মেনে চললে, দাঁতের অনেক রোগের আশংকা থেকে একটু হলেও আপনার সুস্থ জীবনকে আরো সুন্দর ও প্রাণব‘ করবেঃ-

১. নিয়মিত, সময়মত এবং ভালো ব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করতে হবে, যেমন-প্রত্যেক দিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এবং সকালে নাস্তা খাওয়ার পরে।

২. খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করতে হবে, যেমন- (ক) আঠালো জাতীয় খাবার খাওয়ার পর, মুখ ভালো করে কুলি করতে হবে (খ) যাদের পান খাওয়ার অভ্যাস আছে, পান খাওয়ার পর ভালো করে কুলি করে ফেলতে হবে আর রাতে ঘুম থেকে ওঠে পান খাওয়া যাবে না বা ঘুমানোর সময় মুখে পান নিয়ে ঘুমানো যাবে না (গ) যাদের সাধারণত চা খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস, তারা অবশ্যই চা খাওয়ার পরে যখন দাঁতটা ঠান্ডা হয়ে যাবে, তখন এক গ্লাস পানি খেতে হবে। তাতে দাঁতের মাঝে জমে থাকা দুধ ও চিনি দূর হয়ে যাবে (ঘ) ধূমপান থেকে বিরত থাকতে হবে।

৩. দাঁতের ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে যেমনঃ- (ক) দাঁত দিয়ে সুতা বা তার জাতীয় কোন কিছু কাটা যাবে না (খ) পানীয়র বোতলের মুখ বা কর্ক দাঁত দিয়ে খোলার চেষ্টা করা যাবে না (গ) সিমের বিচি অথবা এরকম শক্ত জাতীয় খাবার ত্যাগ করতে হবে (ঘ) অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

৪. বৎসরে অন্ততঃ ১ বার যে কোন ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছ থেকে স্কেলিং করিয়ে নিতে হবে। হাতুরে ডাক্তার পরিহার করার মন-মানসিকতা সবাইকে গড়ে তুলতে হবে। কারণ যারা নিজেরাই জানে না, তারা অন্যের কোন উপকারে আসতে পারে না।

সর্বপোরি আমাদের নিজেদেরকে সচেতন হতে হবে, শুধু তাই নয়, অন্যকেও সচেতন করে তুলতে হবে। আমাদের যে কোন রোগই হউক না কেন আমরা ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর কাছে যাব এবং অন্যকেও যেতে উৎসাহী করব। কারণ আমাদের সুন্দর এই পৃথিবীতে কারও রোগ হলে সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে দরকার একজন ভালো বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। সুস্থ থাকার প্রত্যাশা নিয়েই আমরা বেঁচে থাকব ইনশাল্লাহ।

**************************
ডাঃ ফকির আল-মামুন
প্রভাষক, মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
আপডেট ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।
দৈনিক ইত্তেফাক,  ১০ এপ্রিল ২০১০।