সম্প্রতি হেপাটোলজি সোসাইটি, ঢাকা, বাংলাদেশ এর নির্বাহী কমিটির এক সভা সোসাইটির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মবিন খান। উক্ত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সোসাইটির জেনারেল সেক্রেটারী ডাঃ মোতাহার হোসেন ও দেশের শীর্ষ স্থানীয় লিভার বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ কে এম খোরশেদ আলম, অধ্যাপক নরুদ্দীন আহমদ, ডাঃ মোঃ শাহিনুল আলম ও ডাঃ গোলাম মোস্তফা প্রমূখ। সভায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশে প্রায় শতকরা ৭ ভাগ মানুষ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশের লিভার বিশেষজ্ঞদের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে এদের অধিকাংশই তরুণ বয়সের। সে হিসাবে অর্ধকোটিরও বেশী তরুণ হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত কিন্তু এদের অধিকাংশের শরীর সুস্থ এবং লিভার ক্ষতিগ্রস্থ হয় নাই এবং এরা সাধারণ মানুষের মতই কর্মক্ষম। এদের কাজকর্মের মাধ্যমে অফিস আদালতে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ছড়ায় না। এ ভাইরাস যৌন কর্ম, রক্তের মাধ্যমে, একই রেজার ও টুথব্রাশ ব্যবহারের মাধ্যমে ছড়ায়। সাম্প্রতিক সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন বেসরকারী ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস পজিটিভ হলেই চাকুরীর অযোগ্য ঘোষণা করা হয়। হেপাটোলজি সোসাইটি মনে করে এটি অবৈজ্ঞানিক ও অমানবিক। কারণ আমেরিকান ও ইউরোপিয়ান লিভার এসোসিয়েশনের গাইড লাইনেও এদেরকে স্বাভাবিক কাজ কর্মের যোগ্য মনে করে। ************************** অধ্যাপক মবিন খানের অভিমত দৈনিক ইত্তেফাক, ১০ এপ্রিল ২০১০।