১. স্যঁতস্যঁতে পরিবেশঃ যাদের কানের মধ্যে ময়লা জাতীয় পদার্থ কিংবা খৈল বেশি জন্মে এবং এসব পদার্থ শরীরের ঘাম বা পানির সঙ্গে মিশ্রিত হয়, তখন সহজেই ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে।

২. দীর্ঘমেয়াদি কানপাকা রোগঃ দীর্ঘমেয়াদি কানপাকা রোগের মধ্যে যাদের কানের পর্দায় ছিদ্র রয়েছে, তাদের কানের মধ্য থেকে পুঁজ বা পানি কানের ক্যানালে আটকে গিয়ে পরবর্তীকালে ফাঙ্গাস রোগের উৎপত্তি করে।

৩. ওষুধের ব্যবহারঃ অনেকেই একটু আধটু কান ব্যথা কিংবা কান চুলকালে কানের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের ড্রপ ব্যবহার করেন। এসব ব্যবহারকারীরা সহসাই এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।

৪. এন্টিবায়োটিকের ব্যবহারঃ বেশি মাত্রায় এন্টিবায়োটিক ওষুধ ব্যবহার করলে।

৫. ডায়াবেটিস বা বহুমুত্রঃ ডায়াবেটিস বা বহুমুত্র রোগীর যে কোনো ধরনের প্রদাহের কারণে।

৬. রোগীর প্রতিরোধ ক্ষমতাঃ ক্যাসার রোগীদের চিকিৎসায় তাদের শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে।

৭. কানের এক ধরনের অপারেশন, যাকে রেডিক্যাল মাষ্টোয়েটেকটমি বলে।

*****************************
লেখকঃ  ডা. মোহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম
বিভাগীয় প্রধান নাক, কান, গলা বিভাগ, বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ।
দৈনিক আমারদেশ পত্রিকায় ১৭ নভেম্বর ২০০৭ এ প্রকাশিত