স্বাস্থ্যকথা - http://health.amardesh.com
এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার
http://health.amardesh.com/articles/433/1/aaaaaaaaaaaaaaa-aaaaaaaaa/Page1.html
Health Info
 
By Health Info
Published on 04/26/2008
 
এন্টিবায়েটিকের অযৌক্তিক ও যথেচ্ছ ব্যবহার এমাম্বয়ে বেড়ে চলেছে আমাদের দেশে-ফলশ্রুতিতে বেড়ে চলেছে রেজিষ্ট্যান্ট জীবাণুর সংখ্যা। এন্টিবায়োটিক জীবন রক্ষাকারী অতীব প্রয়োজনীয় ঔষধ, এর ব্যবহার হওয়া উচিত পরিমিত, সীমিত ও প্রয়োজনে। কিন্তু বাংলাদেশে এখন তা হচ্ছে না।

এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার

এন্টিবায়েটিকের অযৌক্তিক ও যথেচ্ছ ব্যবহার এমাম্বয়ে বেড়ে চলেছে আমাদের দেশে-ফলশ্রুতিতে বেড়ে চলেছে রেজিষ্ট্যান্ট জীবাণুর সংখ্যা। এন্টিবায়োটিক জীবন রক্ষাকারী অতীব প্রয়োজনীয় ঔষধ, এর ব্যবহার হওয়া উচিত পরিমিত, সীমিত ও প্রয়োজনে। কিন্তু বাংলাদেশে এখন তা হচ্ছে না। সাধারণ সর্দি জ্বর, ভাইরাসজনিত পাতলা পায়খানা এগুলোতে এন্টিবায়োটিকের কোন প্রয়োজন নেই কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, এমন একটা ব্যবস্থাপত্র পাওয়া যাবে না যেখানে এন্টিবায়োটিক লিখা হয়নি। আইনে আছে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক দেয়া যাবে না- কিন্তু আমাদের দেশে তা মানা হয় না।

বলতে গেলে প্রতিটি ওষুধ দোকানাদার ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই সারাদিন যে কোন ধরনের এন্টিবায়োটিক ক্রেতাকে সরবারাহ করে যান। ভবিষ্যতে এর পরিনতি হবে ভয়াবহ। এরই মধ্যে গড়ে উঠেছে অজস্র রেজিষ্ট্যান্ট জীবাণু। সাধারণ ওষুধে এখন আর রক্ত আমাশয়, কলেরা, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া ভালো হয় না। এন্টিবয়োটিক রেজিষ্ট্যান্ট যক্ষ্মা এখন প্রায়ই পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে কো-ট্রাইমোক্সাজল, এমপিসিলিন, এমক্সিসিলিন বা প্রথম জেনারেশন সেফালোসারিনই যথেষ্ট সেখানে দ্বিতীয় বা তৃতীয় জেনারেশন সেফালোসারিন লেখা হচ্ছে হর হামেশাই। এতে ওষুধের অপচয়ের পাশাপাশি হচ্ছে অর্থের অপচয়। দামী এন্টিবয়োটিক লিখা এখন খানিকটা ফ্যাশনে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের এ ব্যাপারে এখনই সচেতন হতে হবে। তা না হলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাবে আমাদের প্রত্যেকের জীবন-কারণ পর কিছুদিন কোন এন্টিবায়োটিকই কোন জীবাণুর বিরুদ্ধে আর তেমন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।

**************************
ডাঃ এম, করিম খান
সহযোগী অধ্যাপক, শিশু বিভাগ
কমিউনিটি বেজ্‌ড মেডিক্যাল কলেজ, ময়মনসিংহ।
দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ এপ্রিল ২০০৮