১. শিশুর খাওয়া : ৬ মাস বয়স পর্যন্ত শুধু মায়ের দুধই যথেষ্ট। এরপর ধীরে ধীরে একটি একটি করে তাকে সাধারণ খাবারে অভ্যস্ত করে তুলতে হবে।

২. মশারি ব্যবহার করুন : আমাদের দেশে মশাবাহিত রোগগুলো খুবই বেশি হয়ে থাকে। তাই অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন রাতের বেলা এবং প্রয়োজনে দিনের বেলায়ও। এতে শুধু মশা নয়, অন্যান্য পোকামাকড় থেকেও সে রক্ষা পাবে।

৩. শিশুর পোশাক : শিশুকে সবসময় আরামদায়ক পোশাক পরান। আমাদের দেশের আবহাওয়ায় সুতির পোশাকই সবচেয়ে ভালো। শখ করে শিশুকে গয়না না পরানোই ভালো। এতে তার র‌্যাশ হতে পারে।

৪. শিশু খেলনা : শিশুকে তার বয়স উপযোগী খেলনা দেবেন। যেমন চার-পাঁচ মাসের শিশুকে প্লাস্টিকের রঙিন খেলনা দিতে পারেন। আরো বড় শিশুকে গাড়ি, পিস্তল, পুতুল শুধু এসব না দিয়ে রঙিন ছবির বই, রঙিন পেনসিল ও কাগজ দিন।

৫. শিশুর মাথা কামানো : অনেকেই শিশুর জন্মের পরপর মাথার চুল ফেলে দেন, এটা উচিত নয়। কারণ প্রথমত, শিশুর মাথার চামড়া খুব নরম থাকে এবং শিশু কান্নাকাটি করে বলে চামড়া কেটে যেতে পারে। দ্বিতীয়ত, চুল না থাকলে মাথার ত্বকে সরাসরি ব্যথা পাওয়ার প্রবণতাও বেড়ে যায়।

৬. তেল মাখা : শিশুর শরীরে তেল মাখার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের দেশে গরমে শিশুর শরীরে তেল মাখা হলে ঘাম বেরুতে পারে না। অনেকের ধারণা, তেল মাখলে শিশুর হাত পা শক্ত হয়। এটাও ভুল ধারণা।

৭. চোখে কাজল দেয়া : অনেকের ধারণা চোখে কাজল দিলে শিশুর চোখ সুন্দর হবে, এটা ঠিক নয়। বরং কাজলের প্রভাবে ইনফেকশন হয়ে যেতে পারে।

*************************
লেখকঃ  ডা: নাদিয়া আফরীন
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

উৎসঃ  দৈনিক নয়াদিগন্ত, ২৫শে নভেম্বর ২০০৭