স্বাস্থ্যকথা

Daily Prothom Alo

(Page 5 of 7)   « Prev  3  4  
5
  6  7  Next »

 Articles by this Author

(ডা· সুলতানা গুলনাহার) মাঢ়ি দিয়ে রক্ত পড়ার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে প্রধান হলো মাঢ়িতে প্রদাহ হওয়া। প্রদাহের কারণে রক্তক্ষরণ হলে ডেন্টাল সার্জনকে দেখিয়ে স্কেলিং করিয়ে নিন। প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক সেবনও করতে হতে পারে।
(ডা· আবুল হাসনাত জোয়ারদার ) আমাদের দুই নাসারন্ধ্র দিয়ে বাতাস চলাচল সাধারণত অসম। বেশির ভাগ সুস্থ মানুষের নাকের বাতাস চলাচল নিয়মিত চক্রাকারে চলে। সময়ের ব্যবধানে একবার নাকের একটি ছিদ্র দিয়ে, পরে অন্যটি দিয়ে বাতাস চলাচল করে।
(ডা· মো· আলী হোসেন) আপনি সম্ভবত অ্যালার্জিজনিত রোগে ভুগছেন। এ ধরনের কফ সাদা ও আঠালো পদার্থ ক্রনিক ফ্যারিংজাইটিস রোগের জন্য হয়ে থাকে। এ জন্য আপনি প্রতিদিন রাতে একটি করে ট্যাবলেট লরাটিডিনজাতীয় ওষুধ সেবন করতে পারেন। যেকোনো ঝাঁঝালো গন্ধ এড়িয়ে চলবেন।
(ইকবাল কবীর) ডেঙ্গু জ্বরের রোগীকে প্যারাসিটামল ছাড়া অ্যাসপিরিন অথবা অন্য কোনো জ্বরের বা ব্যথার ওষুধ দেওয়া যাবে না। কোনো অ্যান্টিবায়োটিকও নয়, কারণ এ সময় অ্যান্টিবায়োটিক কোনো সাহায্য করে না।
(ডা· রওশন আরা খানম) এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সারা বিশ্বে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অর্থাৎ ২০০ কোটি মানুষ যক্ষ্মায় আক্রান্ত। প্রতিবছর ২০ লাখ মানুষ যক্ষ্মার কারণে মারা যায় এবং আট মিলিয়নেরও বেশি প্রতিবছর নতুন করে আক্রান্ত হচ্ছে।
(অধ্যাপক ডা· আভা হোসেন) চোখ যদি জ্নগতভাবে ট্যারা থাকে তবে এর চিকিৎসা খুব তাড়াতাড়ি শুরু করা উচিত এবং এতে ফলও খুব ভালো হয়| অবশ্য চিকিৎসা মানেই অপারেশন নয়| পাওয়ারজনিত কারণে যদি ট্যারা হয় তবে চশমা নিয়মিত পরলে চোখ ভালো হয়ে যায়| আবার অনেক ক্ষেত্রে অপারেশন দরকার হয়|
(ডা· সুলতানা গুলনাহার) উঁচু-নিচু বা আঁকাবাঁকা দাঁত ও মাঢ়ির চিকিৎসা আছে| একটি হচ্ছে, দাঁতের অর্থোডোন্টিক চিকিৎসা, আরেকটি হলো দাঁতে ক্যাপ বা সিরামিকের মুকুট পরানো| অর্থোডোন্টিক চিকিৎসা কিছুটা ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ| আপনার ক্ষেত্রে কোন চিকিৎসাটি বেশি প্রযোজ্য তা না দেখে বলা সম্ভব হচ্ছে না|
(ডা· আভা হোসেন) আপনি চক্ষু চিকিৎসকের পরামর্শমতো চশমা ব্যবহার না করলে চোখে তো অবশ্যই কম দেখবেন। আপনার চোখে যে পাওয়ারের সমস্যা আছে তা চশমার মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে। আপনাকে বুঝতে হবে-এ চিকিৎসাটি সাময়িক নয়।
(ডা· নিজাম উদ্দিন আহমেদ) অনূর্ধ্ব ৪০ বছর বয়সের ছোটখাটো শীর্ণকায়া সখিনা বেগমের বাঁ স্তনের চাকাটা যখন ছয় মাস পর দগদগে ঘায়ে পরিণত হলো, তখন বস্তিবাসীর পরামর্শে সরকারি ক্যান্সার হাসপাতালে নিয়ে গেলেন সবজি বিক্রেতা হাঁপানি রোগে আক্রান্ত স্বামী আনসার আলী। ক্যান্সারবিশেষজ্ঞ যত্ন নিয়েই দেখলেন। তবে ব্যাখ্যা করে তেমন কিছু বললেন না। সবচেয়ে কম খরচ হয় এমন তিনটি ইনজেকশন বিশেষ পদ্ধতিতে সারা দিন ধরে শিরায় দেওয়ার পরামর্শ লিখে দিলেন। ছয়বার দিতে হবে, তিন সপ্তাহ পর পর।
(ডা· মাসুদা বেগম) আপনার হেপাটাইটিস বি পজেটিভ ২০০৭ সালথেকে। অর্থাৎ ২০০৭ সালের নয় মাস পার হয়ে গেল। আসলে আপনার এইচবিএসএজি পজিটিভ হয়েছে খুব বেশি দিন হয়নি। রোগটির তিনটি পর্যায় আছে।

Categories