স্বাস্থ্যকথা

অন্যান্য

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
চিকিৎসক ও নার্সের জীবনে একটি অভিজ্ঞতা হয়। তাঁদের সামনে অনেক সময় মানুষের মৃত্যু ঘটে যায়। অনিচ্ছা সত্ত্বেও এ করুণ পরিণতি দেখতে হয়। অনিবার্য হলেও করুণ। এমন হয় যে মৃত্যুর সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই চলে—আধুনিক চিকিৎসায় যা সম্ভব, করা হয়, তবু অনেকের জীবন বাঁচানো সম্ভব হয় না।

ক্লান্তি দূর করতে উষ্ণ পানিতে গোসল

পানি নামক প্রকৃতির এ অমূল্য উপাদানটির আরেক নাম জীবন। পানি না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণী জগতের কোনো অস্তিত্বই থাকত না। পানির অভাবে সারা জগতে হাহাকার পড়ে যায়। জীবকুলের জীবনদায়ী ওষুধ হলো পানি। পানি শুধু আমাদের তৃষ্ণাই মেটায় না, তার সঙ্গে শারীরিক ক্লান্তিও দূর করে। আয়ুর্বেদে পানির নানা গুণের বিবরণ রয়েছে। পেটের যন্ত্রণা থেকে শুরু করে মাথা যন্ত্রণা সবই ওষুধের কাজ করে পানি। শীতল পানি যেমন তীব্র গরমে আমাদের পিপাসার্থ হৃদয়কে পরিতৃপ্তি দেয়। সেরকম উষ্ণ পানিরও চরম শক্তি রয়েছে। উষ্ণ পানিতে যদি গোসল করা যায় তাহলে শরীরের সব ক্লান্তিই নিঃশেষ হয়ে যাবে। শরীর ও মন স্বতঃস্ফূর্ত হবে। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ তো উষ্ণ পানিতেই গোসল করেন। তাছাড়া বিশ্বের সব দেশেই গরম পানির গোসলের প্রচলন রয়েছে। তাই তো আধুনিক চিন্তাধারায় নির্মিত হয়েছে হট টব বাথ। তবে বাথ টব কোনো নতুন ধারণা নয়। ইতিহাসের পাতা উল্টালে বাথ টব অর্থাত্ বাংলায় যাকে বলে স্নানাগার তার অনেক নমুনাই পাওয়া যাবে।

**************************
গ্রন্থনা : আমার স্ব্বাস্থ্য ডেস্ক
দৈনিক আমার দেশ, ৫ ডিসেম্বর ২০১০।
ওষুধ যে কোন উপায়ে শরীরে প্রবেশ করানো হোক না কেন তা রক্তে গিয়ে পৌঁছায়। তারপর রক্তের মাধ্যমে আক্রান্ত স্থানে যায়। আমাদের লক্ষ্য হল যত দ্রুত সম্ভব আক্রান্ত স্থানে ওষুধকে পৌঁছে দেওয়া এবং সেজন্যই রোগীর অবস্থা বিবেচনা করে সঠিক উপায় চিহ্নিত করা হয়। অ্যাজমার রোগীর রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়, যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
প্রতিবছর ৭ এপ্রিল পালিত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। দিনটি হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠা দিবস। প্রতিবছর সংস্থাটি এমন একটি স্বাস্থ্য ইস্যু বেছে নেয়, যা বিশেষ করে সারা পৃথিবীর জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয় এ দিবসটি। এ বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হলোঃ ‘জীবন বাঁচান। জরুরি অবস্থায় হাসপাতাল যেন থাকে নিরাপদ।’
এটি মাঢ়ির খুব পরিচিত একটি রোগ। মোটামুটিভাবে ছোট-বড় সবাই মুখে মুখে এই রোগটির সাথে পরিচিত। শরীরে দীর্ঘদিন ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবে এই রোগ হয়।
খেয়ে যত মানুষ মরে, না খেয়ে তত মরে বলে মনে হয় না। বরং পুষ্টিমানে ভালো এমন খাবার পরিমিত পরিমাণে খেলে মানুষের শরীর ও মন বেশি টেকসই থাকে। অনেক গবেষণা থেকে দেখা গেছে, দৈনিক ক্যালরি সীমিত করলে আয়ু বাড়ে। ‘উনা ভাতে দুনা বল’ এমন একটা কথাও প্রচলিত। খাদ্যসংকট বলতে ‘খাদ্যের অভাব’ এমন একটি সমস্যা চোখের সামনে ভাসে আমাদের। তবে ভেজাল ও দূষিত খাদ্য যে আরও বড় সমস্যা, তা যেন আমরা বুঝতে চাই না।
পিত্তথলি বা গলব্লাডার লিভারের সাথে সংশ্লিষ্ট পিত্তরস সম্পর্কিত তন্ত্রের একটি অঙ্গ। দেখতে একটি ছোট্ট থলির মতো। লিভারের ডান দিকের অংশের ঠিক নিচে এর অবস্থান। গলব্লাডার তার নিজস্ব নালী বা সিস্টিকডারেক্টর মাধ্যমে মূল পিত্তনালী বা বাইলডাক্টের সাথে সংযুক্ত।
প্রতিটি ওষুধই বাজারজাত করার আগে একটি নাম নির্ধারণ করা হয়ে থাকে, যাকে বলে সেই ওষুধের ব্র্যান্ড বা ট্রেড-নাম। একই ধরনের ওষুধের বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন ব্র্যান্ড-নাম দিয়ে থাকে। আমাদের দেশের চিকিৎসকেরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ব্র্যান্ড নামে ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। ওষুধের নামকরণ আসলে এমন হতে হবে, যেন তা চিকিৎসক, কেমিস্ট বা ফার্মাসিস্ট, ওষুধ ব্যবসায় সম্পৃক্ত ব্যক্তি, রোগী-সবার কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়। নামটা ছোট হলে ভালো। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলো নামকরণের ক্ষেত্রে রাসায়নিক উপাদানের নামকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। অর্থাৎ রাসায়নিক নামের কিছু অংশ নিয়ে ব্র্যান্ড-নাম করে থাকে। যেমন-সিপ্রোসিন ও সিপ্রো; এ দুটো হচ্ছে সিপ্রোফ্লক্সাসিন-এর ব্র্যান্ড-নাম। আবার অনেকে কোম্পানি নামের সঙ্গে মিল রেখে কোম্পানির নামের আগের বা পরের অংশ যোগ করে। যেমন-এসকে-সেফ, অপসোভিট, এসকোসন ইত্যাদি।
অ্যানেসথেসিয়া বা অবেদন-প্রক্রিয়া এমন একটি পদ্ধতি, যা অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহার করা হয়। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, সারা বিশ্বে দাঁত তোলা থেকে শুরু করে হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের মতো ছোট-বড় কয়েক লাখ অস্ত্রোপচার হয়। মানুষের ভয়ভীতি অজানা জিনিসের প্রতি থাকেই। আপনার অস্ত্রোপচার বা অপারেশন হবে। এ জন্য আপনাকে অ্যানেসথেসিয়া বা অবেদনিক ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে অজ্ঞান করা হবে-এটা শুনে অনেকেই ভীত হয়ে পড়েন। বর্তমানে আরও নিরাপদ অবেদনিক ওষুধ আবিষ্কারের ফলে এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক অস্ত্রোপচারের অগ্রগতি হওয়ায় অস্ত্রোপচারের জন্য অ্যানেসথেসিয়ার ব্যবহার আগের তুলনায় অনেক অনেক নিরাপদ হয়েছে।
শব্দদূষণ স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আপনি জানেন কি, তিন বছর বয়সের নিচে কোনো শিশুর কানে যদি খুব কাছ থেকে ১০০ ডেসিবেল শব্দ আসে, তাহলে তার শ্রবণক্ষমতা নষ্ট হয়ে যেতে পারে? শব্দদূষণের কারণে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধড়ফড়, খিটখিটে মেজাজ, মাথাব্যথা, পেপটিক আলসার, অস্থিরতা, অমনোযোগী ভাব, ঘুমে ব্যাঘাত, শ্রবণশক্তি ও স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে। অপরদিকে ঢাকা মহানগরসহ দেশের বড় বড় শহরে পরিবেশদূষণের অন্যতম কারণ হচ্ছে শব্দদূষণ। উচ্চ শব্দদূষণের কারণে প্রাণিকুল আজ বিলুপ্তির পথে, শহর আজ পাখিশূন্য। ঢাকায় সৃষ্ট শব্দদূষণে প্রতিদিন প্রতিমুহূর্তে হাজার হাজার শিশুর শ্রবণক্ষমতা ধ্বংস হচ্ছে বা কমছে।
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories