স্বাস্থ্যকথা

অন্যান্য

(Page 3 of 5)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যে ওষুধের ক্রিয়া আছে তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও আছে-বিষয়টি নিয়ে আগে একবার আলোচনা করা হয়েছে। সম্প্রীতির (কাল্পনিক নাম) মা কয়েক মাস ধরে টিউবারকিউলোসিসের (যক্ষ্মা) ওষুধ খেয়েছিলেন। প্রথম দিকে তাঁর লালচে রঙের প্রস্রাব হতো ওষুধ খাওয়ার পর। ভীষণ ভয় পেয়েছিলেন তিনি। এই যে প্রস্রাবের রং লালচে হয়ে যাওয়া, এটাই এ-জাতীয় ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এ ছাড়া বমি বমি ভাব কিংবা ক্ষুধা না-লাগা এবং কারও কারও বদহজম হয়ে থাকে। ত্বকে চাকা চাকা দাগও দেখা দিতে পারে।
রোগিণীর নামটা ঊহ্যই থাক। বয়স ৩৯। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ান। তাঁর পরিবারে রয়েছে ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস। তাই নিজের শরীরের ওজন, স্বাস্থ্যের পরিণতি নিয়ে তিনি কিছুটা উদ্বিগ্ন। পাঁচ ফুট ছয় ইঞ্চি লম্বা শরীরের ওজন ১৭০ পাউন্ড। প্রমাণ-সংজ্ঞা অনুযায়ী তিনি ভারী ওজনের আওতায় পড়েন। খুব মেদস্থূল বলা না হলেও তিনি যে বেশ ভারী, তা তিনি বোঝেন।
বাংলায় আমরা যাকে ঘামাচি বলি তাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় Miliaria। এট একটি ধর্মগ্রন্থির রোগ। ধর্মগ্রন্থির নালী অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও গরমে বন্ধ হয়ে এ রোগের সৃষ্টি করে। এ রোগটি গ্রীষ্মকালে দেখা যায় এবং শীতকালে আপনা আপনিই ভালো হয়ে যায়। গ্রীষ্মকালে দেহ থেকে প্রচুর পরিমাণ ঘাম নিঃসরণ হতে থাকে ফলে তখন এত বেশি পরিমাণ নিঃসরণ কেবল ঘর্মগ্রন্থির ছিদ্রপথে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়। ফলে ওই নিঃসরণ ঘর্মগ্রন্থিকে ফুটো করে ত্বকের নিচে এসে জমা হতে থাকে এবং সে স্থান ফুলে ওঠে। সেই সাথে থাকে প্রচণ্ড চুলকানি ও সামান্য জ্বালাপোড়া ভাব ও খুব ছোট ছোট উদ্ভেদ এটাই মূলত ঘামাচি।
কোনো কোনো সার্জনের ভুল ধারণা রয়েছে যে, জটিল ফিস্টুলা অপারেশন করতে পেটে কৃত্রিম মলদ্বার (colostomy) করতে হবে। আমি মনে করি কোনো জটিল ফিস্টুলার অপারেশনে (colostomy) করার প্রয়োজন নেই। উল্লেখ্য, ইতোমধ্যে আমি কয়েকটি রোগীর অপারেশন করেছি যাদের ইতোমধ্যে ১ বা ৩ বার অপারেশন হয়েছিল এবং এর মধ্যে দু-একবার (colostomy) করেও অপারেশন করা হয়েছিল; কিন্তু অপারেশন ব্যর্থ হয়েছে। এদেরকে আমি (colostomy) না করেই অপারেশন করেছি এবং তারা ভালো হয়েছেন। তবে ব্যতিক্রমী কিছু ফিস্টুলা আছে যার জন্য কলোস্টমি করতে হয় যার সংখ্যা অত্যন্ত কম। গত নয় বছরে এরূপ কয়েকটি ফিস্টুলার জন্য আমি কলোস্টমি করেছি।
বদলাচ্ছে জলবায়ুঃ চাই স্বাস্থ্যের সুরক্ষা ৭ এপ্রিল পালিত হয় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জ্নদিন হিসেবে প্রতিবছর এই দিনে বিশ্ববাসীর প্রধান স্বাস্থ্য-সমস্যার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে সচেতন হতে আহ্বান জানানো হয়। জলবায়ুর পরিবর্তন বিশ্বের জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। তাই এবছর বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে-‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে স্বাস্থ্যের সুরক্ষা’।
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০ভাগ হেপাটাইটিস-বি এবং ৩ ভাগ হেপাটাইটিস-সি ভাইরাসে আক্রান্ত। গর্ভবতীদের শতকরা ৩.৫ ভাগ হেপাটাইটিস-বি ভাইরাসজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে অনাগত সন্তানসহ নিজেরাও পতিত হচ্ছেন মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে হেপাটাইটিস একটি দুরারোগ্য ব্যাধি, যার মধ্যে হেপাটাইটিস বি ও সি-এর ব্যাপকতা ভয়াবহ।
পায়ু পথের সঙ্গে চামড়ার অস্বাভাবিক সংযোগই হচ্ছে ফিষ্টুলা বা ভগন্দর। এই ফিষ্টুলা হওয়ার আগে রোগীর মলদ্বারের আশপাশে প্রথমে ফোঁড়া হয়। এই ফোঁড়া অযত্ম-অবহেলায় নিজে নিজেই ফেটে যেতে পারে কিংবা অধিকহারে পুঁজ বের হওয়ার দরুন ফোঁড়া বৃদ্ধি পেয়ে মলদ্বারের ভেতর ও বাইরের মধ্যে অস্বাভাবিক সংযোগ স্হাপন করে।
বিভিন্ন রোগে মৃত্যুর হারের তুলনায় সারা পৃথিবীতে সংক্রামক রোগে মৃত্যুর হার অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। এক ধরনের ক্ষুদ্র জীবাণুর দ্বারা এই ব্যাধি ছড়ায় এবং সেই সকল জীবাণু বিশ্বের সর্বত্র বিরাজমান রয়েছে। বাতাস, পানি এবং মাটিতে এই রোগ-জীবাণু অবস্থান করে। আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে খাবার, পানীয়, এমনকি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমেও এই রোগে মানুষ আক্রান্ত হয়ে থাকে।
বিষণ্নতা একপ্রকার মানসিক রোগ। এই মানসিক রোগে ব্যক্তি মানসিক কষ্টের পাশাপাশি বিভিন্ন শারীরিক কষ্টেরও সম্মুখীন হতে পারেন। বিষণ্ন এমন এক রোগ যা ব্যক্তিকে মারাত্মকভাবে আক্রমণ করে। ফলে ব্যক্তি ভেঙে পড়ে, অসুস্থ হয়ে যায়। বিষণ্নতা মানব দেহের সব অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
(Page 3 of 5)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »

Categories