স্বাস্থ্যকথা

আধুনিক চিকিৎসা

(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »
চিকিৎসা বিজ্ঞানী অ্যান্ডোস্কোপি সার্জারি বা মিনিম্যাল এক্সেস সার্জারি (এমএএস) যাকে ল্যাপারোস্কপি বলা হয়­ নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করেছে। জার্মানির শ্যাম ও লিন্ডারম্যান, ফ্রান্সের ব্রুহাটও হ্যাময়, ইংল্যান্ডের স্যাটন এবং যুক্তরাষ্ট্রের রিচও গোল্ডরথে ১৯৭০ থেকে ১৯৮০ সালে অ্যান্ডোস্কোপি সার্জারিতে এক বৈপ্নবিক পরিবর্তন আনেন। শল্য চিকিৎসায় প্রথম পিত্ত থলি অপারেশন (ল্যাপকলি) হয় ১৯৮৫ সালে। ১৯৮৭ সাল থেকে এটি জনপ্রিয় হতে শুরু করে। আর বর্তমান সময়ে ল্যাপারোস্কপি শল্য চিকিৎসার এমন এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়েছে যে এটিকে চিকিৎসকের স্টেথোস্কোপ বা গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বলা হয়ে থাকে।
ইনজেকশনের মাধ্যমে যে ওষুধ শরীরের মাংসপেশির মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয় তা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে রক্তনালির কৌষিকার মাধ্যমে শোষিত হয়ে যায়। আবার যে ওষুধ সরাসরি শিরার মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয় তা সরাসরি রক্তে মিশে যায়, যে কারণে এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শোষণের প্রয়োজন হয় না। সব সময় মনে রাখা দরকার, ওষুধের গুণাগুণের ওপর নির্ভর করে ওষুধ কতখানি বা কত সময়ে শরীরের বিভিন্ন অংশে অবস্থান করবে।
১৯৮৭ সালে একজন ফরাসি সার্জন পেট না কেটে ল্যাপারোস্কপিক মেশিনের সাহায্যে পিত্তথলির অপারেশন শুরু করেন। অনেক চিকিৎসকের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকলেও বর্তমানে পিত্তথলির অপারেশনে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি এটাই।
দীর্ঘজীবী হওয়ার সাধ সবার মধ্যে থাকে। কে না চায় বার্ধক্য বিলম্বিত করতে, কে না চায় হৃদরোগ মুক্ত থাকতে অথবা অন্যান্য রোগ থেকে দুরে থাকতে। কিন্তু প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বার্ধক্য আসে, হয় নানা রোগব্যাধি। এসব রোগব্যাধির সঙ্গে যুদ্ধ করতে সামনের সারিতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই জানা দরকার ফ্রি-র‌্যাডিক্যালস কী এবং কীভাবে উৎপন্ন হয়।
মাছ থেকে আমরা বহুবিধ উপকারি খাদ্য উপাদান ও ওষুধ পেয়ে আসছি। ভিটামিন ‘এ’ ও ‘ডি’র অভাব দুর করার জন্য কর্ড মাছের তেল ও হ্যালিব্যাট মাছের তেল বহুল ব্যবহৃত। তাছাড়া ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের নিরাপদ উৎসও মাছ। পশুর আমিষ ও চর্বির তুলনায় মাছের আমিষ ও চর্বি প্রায় সবার জন্যই ভালো। এ ধারাবাহিকতায় আমরা মাছ থেকে আরো কিছু নতুন উপাদান পেতে যাচ্ছি শিগগিরই।
লেসার হলো আলোর উচ্চ ঘনীভুত এবং তীব্র তপ্তরশ্মি, যা একটি বড় কলমাকৃতি নমনীয় ডিভাইসের মধ্য দিয়ে নিক্ষেপ করা হয়। এই রশ্মি শরীরের অগম্য অংশগুলো ভেদ করে যেতে পারে। ফলে রক্তবাহী নালীকে অক্ষত রেখে সম্পুর্ণ নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুকে আঘাত করা সম্ভব। স্ত্রীরোগের সমস্যায় লেসার ব্যবহারকারী আমেরিকার প্রথম সার্জন ডা. জোসেফ এইচ বেলিয়া লেসার সার্জারি সম্পর্কে বলেন, ‘এর সুবিধা বহু। আক্রান্ত অঙ্গগুলো ফেলে না দিয়েই মেরামত করা যেতে পারে। রশ্মির প্রভাবে সংযুক্ত ক্ষুদ্র টিস্যু ধ্বংস হয় বটে কিন্তু বড় ধরনের কাটাছেঁড়া ছাড়াই সম্পুর্ণ স্বাভাবিকভাবে এই পদ্ধতি প্রয়োগ করা যায়।’ লেসার সার্জারিতে শরীরে রক্তক্ষয়ের পরিমাণ সামান্যই।
হার্টের অপারেশন! সে তো বাঁচা-মরার অপারেশন; নাম শুনলেই চোখের সামনে একটা ভয়ঙ্কর ছবি ভেসে ওঠে। যেখানে রোগী ভালো হওয়াটাই আসল কথা সেখানে সৌন্দর্য বা কস্‌মেটিক বিষয়টি ভাববার সুযোগ কোথায়?
(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »

Categories