স্বাস্থ্যকথা

কিডনী ও মূত্রসংবহনতন্ত্র

(Page 3 of 6)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »
যদি আপনি ৫০ বছরের কম বয়সী পুরুষ হন তাহলে আপনার প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম। এ ক্ষেত্রে সাধারণত এক কোর্স অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসা করা হয়। কখনও কখনও মূত্রথালি, প্রোস্টেট কিংবা কিডনি দেখার জন্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়, বিশেষ করে তিন মাসের মধ্যে যদি দু’বার বা তার বেশি বার ইনফেকশন হয়, অথবা যদি কিডনি সংক্রমিক হয়। এই লেখাটিতে আমি শুধু পুরুষদের প্রস্রাবে ইনফেকশনের কথা উল্লেখ করছি। যেসব যৌনবাহিত রোগে যেমন ক্লামাইডিয়ার কারণে মূত্রনালী সংক্রামিত হয় এবং যার কারণে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়- সেসব এখানে আমি উল্লেখ করছি।
ব্যাকটেরিয়াবিরোধী ওষুধ দ্বারা ইউটিআই বা মূত্রপথের সংক্রমণের চিকিৎসা করা হয়। ওষুধ নির্বাচন এবং চিকিৎসার মেয়াদ নির্ভর করে রোগীর ইতিহাস ও প্রস্রাব পরীক্ষার ওপর। প্রস্রাব পরীক্ষায় কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া ধরা পড়লে তার চিকিৎসা করা হয়। সবচেয়ে কার্যকর ওষুধটি নির্বাচন করার জন্য সেনসিটিভিটি পরীক্ষা বিশেষ সহায়ক। জটিলতাহীন ইউটিআই’র চিকিৎসায় সচরাচর যে ওষুধগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলো হচ্ছে­ ট্রাইমেথোপ্রিম, ট্রাইমেথোপ্রিম/ সালফামেথোক্সাজল, এমোক্সিসিলিন, নাইট্রোফুরানটয়েন এবং এমপিসিলিন।
প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধির ফলে প্রস্রাব করতে কষ্ট হয়। একে বরে প্রোস্টাটিজম। আর এ ধরনের প্রোস্টেট গ্রন্থির বৃদ্ধিকে বলে বিনাইন প্রোস্টেটিক হাইপার প্লাসিয়া বা বিপিএইচ বিপিএইচ হচ্ছে পুরুষদের সবচেয়ে সাধারণ বিনাইন (বিপজ্জনক নয় এমন) টিউমার। এটি পঞ্চাশ বছরের বেশি বয়সী অধিকাংশ পুরুষদের প্রস্রাব সংক্রান্ত কিছু উপসর্গের জন্য দায়ী। ধারণা করা হয় যে ৮০ বছর বয়সে পৌঁছনের আগে ২০-৩০ শতাংশ পুরুষের বিপিএইচ-এর জন্য মেডিকেল অথবা সার্জিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।
মূত্রথলির প্রদাহকে চিকিৎসা পরিভাষায় সিস্টাইটিস বলে। যদিও মহিলাদের এই রোগ সচরাচর বেশি হয়, তবে পুরুষরাও এতে আক্রান্ত হন এবং সববয়সী পুরুষরাই আক্রান্ত হন।
রক্ত ধমনী বা রক্তনালীতে প্রবাহকালে রক্তনালীর গায়ে চাপ প্রয়োগ করে, এটাই রক্তচাপ। রক্তচাপ মাপার মেশিন দিয়ে এটা পরিমাপ করা হয়। হৃৎপিন্ড সঙ্কোচনের সময় সর্বোচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় সিসটোলিক ব্লাড প্রেসার এবং হৃৎপিন্ডের সম্প্রসারণের সময় সর্বনিম্ন রক্তচাপকে বলা হয় ডায়াসটোলিক ব্লাড প্রেসার। একজন সুস্হ মানুষের রক্তচাপ ১২০/৮০ এর কাছাকাছি থাকে। সিসটোলিক প্রেসার ১২১ থেকে ১৩৯ পর্যন্ত এবং ডায়াসটোলি ৮১ থেকে ৮৯ পর্যন্ত প্রি হাইপারটেনশন আসন্ন উচ্চ রক্তচাপ
ক্যালরিঃ ৩৫ থেকে ৫০ ক্যালরি প্রতি কেজি বডি ওজন হিসেবে কার্বোহাইড্রেট এবং ফ্যাট থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
কিডনি সমস্যা নারীস্বাস্থ্য সমস্যা
কিডনি দেখতে সিমের বিচির মত, যা দৈর্ঘ্যে মুষ্টিবদ্ধ হাতের সমান। এর অবস্থান মেরুদন্ডের দুই পাশে কোমরের পেছনে। স্বভাবতই সংখ্যায় এক জোড়া। আমাদের দেহকে সুস্থ রাখতে এর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এরা ছাকুনির মতো আমাদের রক্তকে পরিশোধন করে। অন্য কথায় সব আবর্জনাকে দেহ থেকে বের করে দেয়। শুধু কি তাই? দেহের বাড়তি পানি, লবণ ও খনিজ পদার্থ প্রয়োজন মতো সংরক্ষণ ও নিষ্কাশনের কাজ তারই। দেহের রক্তচাপ সে-ই নিয়ন্ত্রণ করে। এমনকি রক্ত তৈরিতে এর ভূমিকা অপরিসীম। হাড়কে সবল রাখতে যে ভিটামিন ডি’র প্রয়োজন কিডনি তাও করে।
বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি অন্যতম রোগ এবং এর কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে নানা রকম জটিলতা সৃষ্টি হয়। ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগ এর মধ্যে অন্যতম। ডায়াবেটিসের প্রভাবে শারীরিক যে কোনো অঙ্গ বা সিস্টেম আক্রান্ত হতে পারে। কিডনি রোগের উপর প্রধানত ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি এবং কিডনি বা প্রসাব নালীতে সংক্রমণ (টঞও) অন্যতম।
হাইপোসপেডিয়াস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে মূত্রনালির মুখ বা ছিদ্র লিঙ্গের পরিবর্তে লিঙ্গের নিচের দিকে অবস্থান করে। উল্লেখ্য যে, মূত্রনালি বা ইউরেথ্রা হলো একটি নল যার মধ্য দিয়ে প্রস্রাব মূত্রথলি থেকে প্রবাহিত হয়ে শরীরের বাইরে বেরিয়ে যায়।
(Page 3 of 6)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »

Categories