স্বাস্থ্যকথা

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
লিভার কী: লিভার মানব দেহের অতি গরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। বাংলায় যাকে আমরা কলিজা বলি। লিভারের অবস্থান হচ্ছে পেটের উপর ভাগের ডানদিকে। এর ওজন প্রায় দেড় কেজির মত। লিভার দেহের সব প্রকার খাদ্যে মেটাবিলিজম-এ সাহায্য করে। আমরা প্রতিদিন যে খাদ্য গ্রহণ করি তা লিভারের মাধ্যমে শরীরের অন্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গে সরবরাহ হয়।
শৈশবে ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুর নিয়মিত চিকিৎসা ও পরিচর্যা জরুরি গোটা বিশ্বে ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিক ক্যানসার প্রতিরোধ ইউনিয়ন ২০০৪ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি শিশু- ক্যানসার সচেতনতা দিবস পালিত হয় প্রতিবছর।
ফেব্রয়ারী মাসের চার তারিখ পালিত হয় বিশ্ব ক্যান্সার দিবস। বিশ্ব জুড়ে মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে ক্যান্সারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমান অনুযায়ী প্রতিরোধ না করলে ২০০৫-২০১৫ সালের মধ্যে সারা বিশ্বে ক্যান্সারে ৮ কোটি ৪০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হবার সম্্‌ভাবনা। ২০১০ সালে ৪ ফেব্রুয়ারী তারিখে পালিত বিশ্ব ক্যান্সার দিবসের থিম হলোঃ ‘ক্যান্সার প্রতিরোধও করা যায়’। এই প্রতিরোধের উপায় হিসেবে সহজ কিছু বিষয়ের দিকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ক্যান্সারের ঝুঁকি সমূহ

০ ধূমপান ও তামাক ব্যবহার
০ মদ্যপান ক্স কম পরিমান শাক-সবজি ও ফল আহার করা
০ শরীর চর্চা না করা
০ বেশি ওজন ও স্থূলতা।
০ ভৌত কার্সনোজেন যেমন অতি বেগুনী ও আয়োনিত বিকিরণের মুখমুখি হওয়া
০ রাসায়নিক কার্সনোজের যেমন বেনজোপাইরিন, ফর্মালডিহাইড, আলফাটক্সিন (খাদ্যজনিত) এসবেসটস্‌
০ জৈব কার্সিনোজেন যেমন ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবী সংক্রমন।

এসব ঝুঁকি হ্রাসের পদক্ষেপ নিলে কেবল ক্যান্সারই হ্রাস পাবেনা অন্যান্য ক্রনিক রোগও কমবে।

*************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ২০ ফেবুয়ারি ২০১০।
প্রতিটি মানুষের শরীরেই ক্যানসার-কোষ থাকে। সাধারণ পরীক্ষায় এসব কোষ তত দিন পর্যন্ত দেখা যায় না, যত দিন পর্যন্ত এগুলো বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়ে নিযুত কোটি সংখ্যায় দাঁড়ায়। চিকিত্সকেরা যখন ক্যানসার চিকিত্সা শেষে রোগীকে বলেন, তার শরীরে আর কোনো ক্যানসার-কোষ নেই, তার অর্থ এই যে শনাক্ত করার মতো যথেষ্ট পরিমাণ ক্যানসার-কোষ তার শরীরে নেই।
পায়ুপথে বিভিন্ন রোগের মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক রোগ হচ্ছে ক্যান্সার। এখানে ক্যান্সার হলে বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয় যেমন­ মল ত্যাগের অভ্যাসে পরিবর্তন, খুব সকালে পায়খানার বেগ হওয়া, মল ত্যাগের পর আরো মল রয়ে গেছে এরূপ অনুভূতি হওয়া, পায়খানার সাথে রক্ত ও মিউকাস বা আম যাওয়া, কিছুদিন পাতলা পায়খানা এবং এরপর কিছুদিন কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়া, মলদ্বারে বিভিন্ন রোগ হলেও এর অল্পবিস্তর পার্থক্যসহ উপসর্গগুলো প্রায় একরকম। শারীরিক পরীক্ষা না করে শুধু রোগীর কথা শুনে সিদ্ধান্ত নিলে রোগ নির্ণয়ে ভুল হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা। তাই যন্ত্র দিয়ে মলদ্বারের ভেতর পর্যবেক্ষণ করা যেমন, প্রকটস্কপি, সিগময়ডস্কপি, কোলনস্কপি, বেরিয়াম এনেমা পরীক্ষা ইত্যাদি অত্যন্ত জরুরি। পরীক্ষার মাধ্যমে এসব রোগ আগেভাগে ধরতে পারলে চিকিৎসা সহজ ও কার্যকর হয়।
ক্যান্সার সম্পর্কে একটা কথা প্রচলিত আছে অর্থাৎ 'Cancer has no Answer' বাংলায় এভাবেও বলা যায় যে, ‘যার হয় ক্যান্সার তার নাই Answer আমাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ক্যান্সার হয় সেটা আমরা বেশ ভাল করেই জানি কারণ প্রতিনিয়তই আমাদের অনেকেরই আত্মীয়-স্বজন এই ক্যান্সারের কারণেই মারা যাচ্ছেন। কিন্তু ত্বকেরও যে ক্যান্সার হয় সেটা কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না। তাই ত্বকের দুটো গুরুত্বপূর্ণ ক্যান্সার নিয়ে আজ এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করব।
ক্যান্সার প্রতিরোধে এবং প্রতিকারকল্পে বিশ্বেও উন্নত দেশগুলোতে অবিরাম গবেষণা চলছে। উদ্ভাবিত হয়েছে বেশ কিছু কার্যকরী ওষুধ ও পদ্ধতি, যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রমাণিত। শিশুর মৃত্যুহার, অসচেতনতা, পরিবেশ দূষণ, সময়পোযোগী চিকিৎসায় অবহেলা নানাবিধ কারণে অধিক জনসংখ্যার এই বাংলাদেশে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা নিতান্ত কম নয়। বাংলাদেশে ক্যান্সার আক্রান্তদের মধ্যে ২২% ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্ত, যা কিনা এককভাবে সর্বোচ্চ। শুধু বাংলাদেশে নয় বিশ্বে ফুসফুস ক্যান্সারে আক্রান্তদের মৃত্যুহার অনেক বেশি। একটা সময় ছিল যখন ফুসফুসে ক্যান্সার মানেই ছিল অবধারিত মৃত্যু। যাদের সামর্থ্য হত তারা চেষ্টা করতেন বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণের। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বেও স্বাভাবিক প্রবণতা অনুসরণ করে বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসার ক্ষেত্রে গত এক দশকে এগিয়েছে অনেক দূর। যে ব্যয়বহুল চিকিৎসা বিদেশে করতে হতো বা এখনো করা হয় তার অনেক কিছুই এখন দেশেই সম্ভব। যেখানে ব্যবহ্নত হচ্ছে সেই একই ওষুধ এবং পদ্ধতি, যা অনুসরণ করা হয় উন্নত বিশ্বে।
ক্যান্সারের কোনো উত্তর জানা নেই, সেটা সবাই জানেন। কিন্তু ফুসফুসের ক্যান্সার প্রতিরোধযোগ্য এটা বলার উদ্দেশ্য হলো-এই রোগের কারণ জানা গেছে। সেটা হলো ধুমপান। ধুমপান পরিহার করলে ফুসফুসে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। ফুসফুসের ক্যান্সার সত্যিই একটি বিপর্যকর এবং ঘাতক বক্ষব্যাধি। উন্নত দেশগুলোতে ক্যাসারজনিত কারণে মৃত্যুর মাঝে ফুসফুসের ক্যান্সার উল্লেখযোগ্য স্হান দখল করে আছে। প্রতি বছরই এর সংখ্যা বাড়ছে। এই রোগ চল্লিশ বছরের নিচে সাধারণত হয় না। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে সত্তর ঊর্ধ্ব বয়সীদের বেশি হতে দেখা যায়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, আজকাল মহিলাদের মাঝে এই রোগ বেশ দেখা যায়।
রসুনের মধ্যস্থিত কেমিক্যাল ব্যবহার করে এবং দুই পর্যায়ের ডেলিভারি পদ্ধতি প্রয়োগের মাধ্যমে ইঁদুরের ক্যান্সার ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ সংক্রান্ত গবেষণালব্ধ তথ্য ডিসেম্বর ২০০৩ সংখ্যা ‘মলিকিউলার ক্যান্সার থেরাপিউটিকস’-এ প্রকাশিত হয়েছে।
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories