স্বাস্থ্যকথা

দাঁত ও মাড়ি

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
সাধারণত: আমরা ক্ষিধে পেলে খাই। কিন্তু শুধু পেট ভরলেই পুষ্টি হয় না। তাই যদি হতো তবে প্রতিদিন শুধু এক বাটি মিষ্টি বা এক গামলা ভাত খেলেই স্বাস্থ্যবান থাকা যেতো। মোটকথা খাদ্য এমন হওয়া চাই যাতে দেহের বৃদ্ধি, গঠন, ক্ষয়পূরণ এবং কর্ম ও মননশক্তির বিকাশ হতে পারে। আমরা সাধারণত: পাঁচ ধরনের পুষ্টি উপাদান খাই, যেমন-
ডায়াবেটিস রোগের জন্য দাঁতের মাড়ি এবং হাড়ে (যা দাঁতকে যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে) ইনফেকশন হতে পারে। অন্যান্য ইনফেকশনের মত রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে দাঁতের মাড়িও আক্রান্ত হতে পারে। এই সমস্যাকে প্রতিরোধ করার জন্য বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টিস্ট এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং অবশ্যই ডাক্তারকে আপনার ডায়াবেটিস সর্ম্পকে অবহিত করা প্রয়োজন। ডায়াবেটিস রোগীদের দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার এটাই প্রধান উপায়।
দাঁত এবং মুখের যত্নের ব্যাপারে আমাদের সকলকেই সচেতন হতে হবে। আমরা যারা জানি তারা অন্যকে জানাতে হবে আর শুধু জানালেই হবে না, তা মানতেও হেব। দাঁতের ও মুখের রোগ থেকে আমরা কম বেশী ভালো থাকতে হলে যে বিষয়টি সবচেয়ে বেশী জরুরী, তা হলো দাঁতের ফাকে অথবা মুখের ভিতরে যাতে খাবার অনেকক্ষণ জমে না থাকে। জমে থাকা খাবারই পরবর্তীতে দাঁতের ও মুখের নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির কারণ।
সুস্থ সবল দেহের জন্য দাঁত ও মাড়ি তথা মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা একান্ত প্রয়োজন। দাঁত ও মুখের ভেতরের স্বাস্থ্যকে অবহেলা করে নিরোগ জীবন আশা করা যায় না।
দাঁতের সমস্যা  ও বাত ব্যথার সমস্যায় বিশেষজ্ঞের পরামর্শ
মানুষ মাত্রই সৌন্দর্যপিপাসু। দাঁত ও মুখের সৌন্দর্য আমাদের জীবনযাত্রা এমনকি কাজের পারফরমেন্সেও পজিটিভ ভূমিকা রাখে। মুখাবয়ব এবং দাঁতের এই সৌন্দর্য বৃদ্ধি কসমেটিক বা অ্যাসথেটিক ডেন্টিস্ট্রির অন্তর্ভুক্ত। সুন্দর দাঁত বলতে প্রধানত বোঝাতো দাঁতে ক্যারিজ বা ক্ষয় না হওয়া, সাধারণ ভাষায় যাকে দাঁতে পোকা ধরা বলে, মাঢ়িতে প্রদাহ বা জিনজিভাইটিসের চিকিৎসাও এক্ষেত্রে সমানতালে চলছে। দাঁত স্কেলিং করিয়েও দাঁতের স্বাস্থ্য অটুট রাখার চেষ্টা চলছে। সময় এগোচ্ছে, মানুষের চাহিদারও ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে। এখন মুখমণ্ডল, চুল, নখ ইত্যাদি পরিচর্যার জন্য মানুষ বিশেষ করে নারীরা বিউটিশিয়ান বা প্লাস্টিক সার্জনের পরামর্শ নিচ্ছেন। তেমনি বাচনভঙ্গি, শব্দ উচ্চারণ ইত্যাদির ক্ষেত্রে স্পিচ থেরাপিস্ট, বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট এবং বিভিন্ন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।
ডেন্টাল সার্জনরা দাঁত পড়ে যাওয়া বা ফেলে দেয়াকে মিসিং টুথ বলে থাকেন। এটি এক বা একাধিক দাঁতের ক্ষেত্রেও হতে পারে। একটি দাঁত না থাকলে সেটি যেমন প্রতিস্হাপন করা [নতুন করে কৃত্রিম দাঁতের সাহায্যে শুন্য জায়গা পুরণ] যায়, তেমনি একাধিক দাঁত না থাকলেও প্রতিস্হাপন করা যায়।
দাঁত বের করে যে হাসি, সেই হাসি মনকে প্রফুল্ল করে। দাঁতের স্বাস্থ্যের জন্য আমরা দাঁত ব্রাশ করি, ফ্লশ করি, ডেন্টিস্টের পরামর্শ নেই, কিন্তু মুখ ও দাঁতের স্বাস্থ্যকে মনে রেখে খাওয়ার দিকে নজর দিই কমই।
ডায়াবেটিস রোগের জন্য দাঁতের মাড়ি এবং হাড়ে (যা দাঁতকে যথাস্থানে রাখতে সাহায্য করে) ইনফেকশন হতে পারে। অন্যান্য ইনফেকশনের মত রক্তে গস্নুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে দাঁতের মাড়িও আক্রান্ত হতে পারে। এই সমস্যাকে প্রতিরোধ করার জন্য বছরে অন্তত দু’বার ডেন্টিস্ট-এর শরণাপন্ন হওয়া উচিত এবং অবশ্যই ডাক্তারকে আপনার ডায়াবেটিস সম্পর্কে অবহিত করা প্রয়োজন। দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ ও ডেন্টাল ফ্লস দ্বারা পরিষ্কার করা এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন। ডায়াবেটিস রোগীদের দাঁতের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবার এটাই প্রধান উপায়।
দাঁতের ব্লিচ কোথায়/ কাদের করতে হয়?
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories