স্বাস্থ্যকথা

পাকস্থলী ও পরিপাকতন্ত্র

(Page 2 of 3)   « Prev  1  
2
  3  Next »
পাইলস রোগটি হাজার বছর ধরে পরিচিত। খুব কম লোকই আছেন যারা এ রোগের নাম জানেন না। পাইলস হচ্ছে মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা শিরাযুক্ত মাংসপিণ্ড বা ‘ভাসকুলার কুশন’। সব মানুষেরই এই ‘কুশন’ আছে, যা মল ত্যাগের সময় মলদ্বারের নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন এটি কোনো উপসর্গ সৃষ্টি করে তখনই আমরা বলি পাইলস বা হিমোরয়েড। পাইলস শব্দটির প্রচলন ১৩৭০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে। এর উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ ’Pila’ থেকে, যার অর্থ 'Balls' বা পিণ্ড। পাইলসের আরেকটি পুরনো নাম হচ্ছে হিমোরয়েড, যার উৎপত্তি গ্রিক শব্দ 'Haema' বা রক্ত এবং 'rhoos' বা প্রবাহিত। এই শব্দটির উৎপত্তি ৪৬০ খ্রিষ্ট পূর্বাব্দে। হিপোক্রেটস প্রথম এ নামটি ব্যবহার করেন। নাম দেখেই এ রোগের প্রধান উপসর্গগুলো অনুমান করা যায়।
পিত্তপাথর অতি বড় অসুখ। এই অসুখটি প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষের মাঝে দেখা যায়। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়াসহ সর্বত্র এর বিস্তার লক্ষণীয়। সর্বাধিক দেখা যায় সুইডেনে যেখানে শতকরা হার ৩৮ ভাগ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়াতে শতকরা ১৫ থেকে ২৫ ভাগ পাওয়া যায়। সর্বনিম্ন হার দেখা যায় আয়ারল্যান্ডে মাত্র শতকরা ৫ ভাগ। পুরুষের তুলনায় মহিলাদের এই রোগের হার দ্বিগুণ। যথাক্রমে শতকরা ৪৯ ভাগ থেকে ৭৩ ভাগ পর্যন্ত। আফ্রিকাতে এর হার খুবই কম যার শতকরা হার ১ ভাগেরও কম।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের আদি থেকেই এ রোগটি চিকিৎসকদের কাছে পরিচিত। এ রোগে রোগীর পায়ুপথ মলদ্বারের বাইরে বেরিয়ে আসে। বিশেষত পায়খানা করার সময় বাইরে ঝুলে পড়ে। এরপর রোগী হাত দিয়ে এটি ভেতরে ঢুকিয়ে দেন। দেশের বিভিন্ন এলাকার রোগী এটিকে ভিন্ন ভিন্ন নামে যেমন­ সিলেটে বলে আলিশ, হবিগঞ্জ এলাকায় বলে কম্বল বের হয়েছে এবং বরিশালের লোকেরা বলে আইলতা বের হয়েছে। কেন হয়?
পিত্তপাথর অতি বড় অসুখ। এই অসুখটি প্রায় প্রতিটি দেশের মানুষের মাঝে দেখা যায়। এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, অষ্ট্রেলিয়াসহ সর্বত্র এর বিস্তার লক্ষণীয়। সর্বাধিক দেখা যায় সুইডেনে যেখানে শতকরা হার ৩৮ ভাগ। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়াতে শতকরা ১৫ থেকে ২৫ ভাগ পাওয়া যায়। সর্বনিম্ন হার দেখা যায় আয়ারল্যান্ডে মাত্র শতকরা ৫ ভাগ।পুরুষের তুলনায় মহিলাদের এই রোগের হার দ্বিগুণ। যথাক্রমে শতকরা হার ৮৯ ভাগ থেকে ৭৩ ভাগ পর্যন্ত। আফ্রিকাতে এর হার খুবই কম যায় শতকরা হার ১ ভাগেরও কম।
ধূমপায়ীদের শতকরা ৫০ ভাগ ধূমপানজনিত জটিলতায় মারা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, অধূমপায়ীর তুলনায় ধূমপায়ীর মৃত্যুর ঝুঁকি শতকরা ৭০ ভাগ বেশি এবং ধূমপানজনিত কারণে কম বয়সীরা বয়স্কদের তুলনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। যদিও ধূমপায়ী নারীর মৃত্যুহার পুরুষের তুলনায় কম, কিন্তু এই হার দিন দিনই বাড়ছে। আমেরিকায় মৃত্যুঝুঁকির সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে ধূমপান। আর ধূমপানজনিত কারণে প্রতিবছর সেখানে মারা যায় প্রায় পাঁচ লাখ লোক। প্রতি পাঁচজনে একটি মৃত্যুর কারণ হচ্ছে ধূমপান।
ফ্যাটি লিভার মানে লিভারে চর্বি জমা। শব্দটি বর্তমানে বেশ প্রচলিত। ঐতিহাসিকভাবে এটি অ্যালকোহল বা অতিরিক্ত মদ্যপানের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু যারা অ্যালকোহল বা মদ্যপানের সাথে যুক্ত নন, ইদানীং তাদের মাঝেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।
পেপটিক আলসার বা গ্যাস্ট্রিক আলসার রোগের গ্যাস্টিক বা আলসার নামটির সাথে পরিচিত নন এমন লোক খুঁজে বের করা হয়তো খুব কঠিন হবে। সাধারণত লোকজন গ্যাস্টিক বা আলসার বলতে যা বুঝে থাকেন আমরা চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলি পেপটিক আলসার।
পাইলসঃ এনালফিশারঃ ফিস্টুলাঃ ক্যান্সারঃ
আমাদের অনেকেরই হয়তো জানা নেই, কলা পেট ফাঁপা বা স্টমাক আপসেট থেকে রক্ষা করতে পারে। যদিও কথাটি অনেকেই বিশ্বাস করতে চাইবেন না; কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় এমনটিই দেখা গেছে। গবেষকরা বলছেন, কলা পাকস্থলী থেকে মিউকাস এবং এক ধরনের কোষের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে। যা পাকস্থলীর ঝিল্লি এবং অ্যাসিডের মাঝে পর্দার মতো বাধার কাজ করে।
কৃমি হলে কিছু কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-বমি বমি ভাব, পেট ব্যথা, পেট মোটা বা ভারি হওয়া, খাবারে অরুচি, মুখে থুথু ওঠা এবং কোনো কোনো কৃমিতে পায়খানার রাস্তার পাশে চুলকানি হতে পারে। কৃমি হলে সাধারণত অপুষ্টি দেখা দেয়। রক্তশুন্যতা দেখা দেয়।
(Page 2 of 3)   « Prev  1  
2
  3  Next »

Categories