স্বাস্থ্যকথা

প্রসূতির স্বাস্থ্য

(Page 1 of 3)   
« Prev
  
1
  2  3  Next »
গর্ভাবস্থায় রক্তক্ষরণ যে কোন গর্ভবতী মায়ের জন্য বেশ ভয়ের ব্যাপার। মাসিক বন্ধ হওয়ার পর একজন “মা” ভাবেন তিনি গর্ভবতী হয়েছেন এবং তার আর রক্ত যাবেনা-এটাই স্বাভাবিক। কি‘ নানা কারণে গর্ভাবস্থায় মাসিকের রাস্তায় রক্তক্ষরণ হতে পারে। গর্ভাবস্থায় বিভিন্ন সময়ে রক্তপাত হতে পারে। পুরো গর্ভাবস্থাকে তিন ভাগে ভাগ করলে প্রথম তিন মাস, মাঝের তিন মাস ও শেষের তিন মাসের যে কোন সময় রক্তক্ষরণ হতে পারে।

পরামর্শঃ গর্ভাবস্থায় বিড়াল থেকে দূরে থাকুন

বিড়াল আমাদের অনেকেরই খুব পছন্দের প্রাণী। আমরা অনেকেই খুব শখ করে বিড়াল পুষি। কিন্তু আপনি কি জানেন, আপনার পায়ে পায়ে হাঁটে যে বিড়ালটি, তা অনাগত নবজাতকের কতটা ক্ষতি করতে পারে? টক্সোপ্লাজমোসিস রোগটির নাম হয়তো অনেকেই শুনে থাকবেন। এটি প্রোটোজোয়া (এককোষী প্রাণী) বাহিত একটি রোগ। পোষা বিড়াল হচ্ছে এই জীবাণুর বাহক এবং মানুষ এই জীবাণুর মধ্যবর্তী বাহক। এ রোগে আক্রান্ত বিড়ালের মলের মাধ্যমে সরাসরি এ রোগটির জীবাণু মানুষের কাছাকাছি আসে এবং সুযোগ বুঝে শরীরে প্রবেশ করে। তাছাড়া একজন মহিলা যদি গর্ভকালীন এ রোগের জীবাণু দিয়ে আক্রান্ত হন তাহলে তার গর্ভস্থ শিশুও এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এখন দেখা যাক, এ কারণে কী কী সমস্যা হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে বাচ্চাটির কিছু কিছু অঙ্গ যেমন মস্তিষ্ক, চোখ, হৃিপণ্ড, যকৃত ও ফুসফুস খুব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এমনকি মৃত বাচ্চা বা গর্ভপাতের আশঙ্কাও একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। অনেক সময় শিশুটির মধ্যে জন্মের সময় এ রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় না। চোখ কিংবা মস্তিষ্কের ক্ষতিগুলো কয়েক মাস বা কয়েক বছর পর প্রকাশ পেতে পারে এবং শিশুটি মানসিক প্রতিবন্ধী হিসেবে বেড়ে উঠতে পারে। ভয়ের কিছু নেই। গর্ভকালীন বিড়াল থেকে দূরে থাকুন। এভাবে সহজেই এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।

*************************
দৈনিক আমার দেশ, ২০ এপ্রিল ২০১০।
নারী যখন গর্ভবতী হন, তখন থেকে একটা অনুভূতি আসে—তিনি মা হতে চলছেন। মা তখন থেকেই ভাবতে থাকেন, কীভাবে নিরাপদে শিশু ভূমিষ্ঠ হবে। কোনো বিপদ-আপদ হবে না তো! শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার ঝুঁকিও কম নয়। তাই আজ সারা পৃথিবী নিরাপদ মাতৃত্ব নিয়ে ভাবছে এবং উন্নত দেশে বর্তমান প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থা চলছে।
মাতৃত্বই নারীকে পুর্ণ করে। মাতৃত্বের সুচনা নারী মনে জন্ম দেয় এক অনির্বচনীয় অনুভুতির। নিজের মধ্যে আর একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সত্তার আবির্ভাবে স্বভাবতই হয় উচ্ছ্বসিত ও আনন্দিত। শুরু হয় নতুন এক ভুবনের সুচনা, দীর্ঘ ন’মাসের এই সফর শুধুই ভালোবাসা, যত্মের ও সাবধানতার। অজানা ভয়, অনেক সংশয় আর অনেক কৌতুহলেরও। মা হওয়া একজন নারীর জন্য জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম মুহুর্ত। এই সময় মা অনেক স্বপ্নের জাল বোনেন, গর্ভস্হ সন্তানটি দেখতে কেমন হবে, হাসিটা কার পাবে? গায়ের রং কেমন হবে? ইত্যাদি ইত্যাদি অনেক কিছু। সত্যি তো একটি সুন্দর, সুস্হ, সবল শিশু ও সুস্হ মা আমাদের সবারই কাম্য।
গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরিচর্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ অবস্থায় কিছু বিশেষ বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়। যেগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিশেষ অবস্থার কথা বিবেচনায় রেখে চিকিৎসা করা উচিত। অন্যথায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এরূপ একটি সমস্যা হচ্ছে গর্ভাবস্থায় মায়ের পাইলসে আক্রান্ত হওয়া।
সুঁইবিহীন ইনজেকশন গর্ভাবস্থায় দাঁতের এক্স-রে গর্ভস্থ শিশুর জন্য খারাপ হতে পারে যত গুণ গাজরের আয়রনের অভাবে বুদ্ধি কমে যায়
একটি নবজাতকের কান্না একজন মায়ের মুখে স্বর্গীয় হাসি ফোটাতে পারে তা নিজের চোখে না দেখলে আর প্রাণের গভীর অনুভব না করলে সঠিক মূল্যায়ন করা যায় না। ২০ অক্টোবর শীতের বিকেল ৫টায় চার দিক যখন আঁধারে ঢেকে যাচ্ছে, অস্তমিত সূর্যের সোনালি আভা যখন পশ্চিম আকাশে অনেকটা আবীর ছড়িয়ে দিচ্ছে, ঠিক তখনই অপারেশন থিয়েটার সিজারিয়ান অপারেশন করে অনুরাধার একটি ছেলে হলো।
- লিভারের রোগ-এই রোগে ভাইরাসের সৃষ্ট প্রদাহে লিভারের কোষগুলো স্ফীত হয়ে তাদের কর্মক্ষমতা হারায়। ফলে লিভারে বিলিরুবিনের শোধন হয় না, অপরিশোধিত বিলিরুবিন রক্তে জমে যায়। তাছাড়া বাইল বা পিত্ত নিঃসরণও বাধাপ্রাপ্ত হয়ে পরিশোধিত বিলিরুবিনও শরীর থেকে বেরিয়ে না গিয়ে রক্তে জমে যায়।
গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরিচর্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ অবস্থায় কিছু বিশেষ বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়। যেগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিশেষ অবস্থার কথা বিবেচনায় রেখে চিকিৎসা করা উচিত। অন্যথায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এরূপ একটি সমস্যা হচ্ছে গর্ভাবস্থায় মায়ের পাইলসে আক্রান্ত হওয়া।
গর্ভবতী মায়ের স্বাস্থ্য পরিচর্যা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ অবস্থায় কিছু বিশেষ বিশেষ সমস্যা দেখা দেয়। যেগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সাথে বিশেষ অবস্থার কথা বিবেচনায় রেখে চিকিৎসা করা উচিত। অন্যথায় মা ও শিশুর স্বাস্থ্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এরূপ একটি সমস্যা হচ্ছে গর্ভাবস্থায় মায়ের পাইলসে আক্রান্ত হওয়া।
(Page 1 of 3)   
« Prev
  
1
  2  3  Next »

Categories