স্বাস্থ্যকথা

মস্তিস্ক ও স্নায়ুতন্ত্র

(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »

মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে মেডিটেশন

নিয়ম করে দিনের কিছু সময় মেডিটেশন করুন। যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত সকাল-সন্ধ্যা খোলা ময়দানে হাঁটুন। এ অভ্যাসগুলো মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। মস্তিষ্কের তথ্য ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়। স্মরণশক্তি মূলত নিভর্র করে আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতার ওপর। মেডিটেশন আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়ায়।

**************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ২৬ মার্চ ২০১১
মাইগ্রেন হলে মাথায় প্রচন্ড ব্যথার আক্রমণ হয় হঠাত্ হঠাত্। বিভিন্ন কারণেই এ ব্যথার আক্রমণাত্মক প্রবণতা বাড়ে। বিশেষ কোন এ্যালর্জিক খাবার-যেমনঃ পনির, কলিজা, কলা, চকোলেট, ঈষ্ট। রাতজাগা, ঘুমের অনিয়ম। মাসিকের সময়, জন্ম নিয়ন্তণ বড়ি। অতিরিক্ত টেনশন বা মানসিক দুশ্চিন্তা। অতিরিক্ত পরিশ্রম। বিশেষ কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করে চললে এবং মেনে চললে মাইগ্রেনের রোগীরা মাইগ্রেনের দুঃসহ যন্তণা থেকে অনেকটাই রক্ষা পাবেন। মাইগ্রেন জীবনবিনাশী রোগ নয়, তবে সুখবিনাশী। প্রতিরোধই হলো এর কার্যকর চিকিত্সা। পুরোপুরি প্রতিকার সম্ভব নয়। 

**************************

ডাঃ গুলজার হোসেন উজ্জ্বল দৈনিক ইত্তেফাক, ৩১ মার্চ ২০১২।
অতিরিক্ত কাজের চাপে স্বাস্থ্য কখনও খারাপ হয় না। তবে সাবধান থাকবেন, একনাগাড়ে একই ধরনের কাজ করতে করতে আপনি যদি বিরক্তি বোধ করেন তা আপনার স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করবে।
ডিপ্রেশন এক কঠিনতম মনোব্যাধি। যার ডিপ্রেশন হয় সেই বোঝে তার নির্মম কষ্ট। ডিপ্রেশন মানুষের জীবনীশক্তি নষ্ট করে দেয়। এ রোগ হলে মানুষ বাঁচার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলে। বংশগত কারণ, জৈবিক কারণ, সামাজিক কারণ প্রভৃতি কারণে ডিপ্রেশন রোগের সূচনা ঘটতে পারে। বড় বড় রোগব্যাধির কারণেও ডিপ্রেশন হতে পারে। নারীরা ডিপ্রেশনে বেশি স্পর্শকাতর। তাদের ডিপ্রেশন হওয়ার আশঙ্কা পুরুষদের চেয়ে ৩ গুণ বেশি।
দূর ছাই! কিচ্ছু মনে থাকে না। স্মৃতিশক্তিটা কি কমে গেল? নিজেদের প্রতি এ জাতীয় অভিযোগ আমরা হরহামেশাই করে থাকি। আর বয়স হলে আরও বেশি করি। আবার অনেকেই আছেন যারা সুস্থ তীক্ষষ্ট মস্তিষ্ক নিয়ে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকেন। শেষ দিনটি পর্যন্ত মেধা আর অটুট স্মৃতিশক্তি বলে কাজ করে যান মানুষের জন্য। কী করে সম্ভব হয়? তীক্ষষ্ট মেধা, অটুট স্মরণশক্তি মানুষের জন্মগত বৈশিষ্ট্য হলেও এগুলো অক্ষুণ্ন রাখাও মানুষেরই কাজ।
শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য খাদ্য ও ব্যায়ামের মতো ঘুমও আবশ্যক। বস্তুত ঘুম দরকার বেঁচে থাকার জন্য। স্মৃতিশক্তি সংহত বা দৃঢ় করার জন্যও ঘুম চাই। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে পড়া বা শেখা বিষয়গুলোকে মনে রাখার জন্য ঘুম দরকার। ব্যাপারটি ছাত্রদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলেন বোস্টনের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ঘুম গবেষক জেফরি এম ইলেনবোগেন।
শরীরের স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য খাদ্য ও ব্যায়ামের মতো ঘুমও আবশ্যক। বস্তুত ঘুম দরকার বেঁচে থাকার জন্য। স্মৃতিশক্তি সংহত বা দৃঢ় করার জন্যও ঘুম চাই। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে পড়া বা শেখা বিষয়গুলোকে মনে রাখার জন্য ঘুম দরকার। ব্যাপারটি ছাত্রদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলেন বোস্টনের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের ঘুম গবেষক জেফরি এম ইলেনবোগেন।

স্বাস্থ্য তথ্যঃ মস্তিষ্কের বন্ধু হলুদ

হলুদের একটি উপাদান ‘কারকিউমিন’ সম্পর্কে ইতোমধ্যে জানা গেছে যে, এটি সিস্টিক ফাইব্রোসিস প্রতিরোধ করে। জানা যায় যে, এই কারকিউমিন মস্তিষ্কের রোগ অ্যালঝেইমারস্‌ ডিজিজেরও প্রতিরোধক। এটি জেনেটিক পদ্ধতিতে তৈরি ইঁদুরের মস্তিষ্কের বিটা-অ্যামাইলয়েডের স্তূপকে ভেঙে দেয়। টেস্টটিউব পরীক্ষায় দেখা যায়, মানুষের বিটা-অ্যামাইলয়েড প্রোটিনের প্লাককে জমতে দেয় না। এ তথ্যগুলো জানিয়েছে জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল কেমিস্ট্রি। গবেষক (ইউসিএলএ) দল জানায়, এই কারকিউমিন অ্যালঝেইমারস্‌ ডিজিজে অন্যান্য ওষুধের চেয়ে ভালো কাজ করে। কেননা, কারকিউমিনের আণবিক ভর কম। ফলে এটি সহজেই ‘ব্লাড ব্রেইন ব্যারিয়ার’ অতিক্রম করতে পারে। এটি বিটা-অ্যামাইলয়েডের প্রভাবে জারিত হওয়া এবং প্রদাহ হওয়ার বিপরীতে কাজ করে।

**************************
ডাঃ নাদিয়া আফরিন
দৈনিক নয়া দিগন্ত, ২২ মার্চ ২০০৯।
নিদ্রাহীন রাত নিয়ে যতই কাব্য, গান আর রোমান্স থাকুক না কেন, বাস্তব ক্ষেত্রে পরপর কয়েকদিন ‘আঁখিপাতে’ ঘুম না থাকলে আতঙ্ক হয়, শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়তে হয়। নিজের ওপর আস্থাটাই হারিয়ে যায়। তখন যেকোনোভাবে একটু ঘুমই শুধু কাম্য হয়ে ওঠে।
১৯৬৫ সালে প্রথম আমেরিকাতে স্লিপ এপ্লিয়া রোগ নির্ণয় হয়। এ রোগীরা নিজেদের অত্যন্ত সুখী মানুষ মনে করেন। ভাবেন-যখন তখন, যেখানে সেখানে তারা ঘুমিয়ে পড়তে পারেন। বিশেষ করে গাড়িতে, মিটিংয়ে, অফিসে এবং একঘেঁয়েমি যে কোনো কাজের মাঝে এরা অবলীলায় ঘুমিয়ে পড়েন। এ ক্ষেত্রে ঘুমের সময় রোগীর শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে যায়। যা ১০ থেকে ২০ সেকেন্ডের বেশি স্হায়ী হতে পারে এবং ঘণ্টায় ২০-৩০ বার এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঘুমের সময় শ্বাসনালী বন্ধের ফলে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ফুসফুসে যেতে পারে না এবং রক্ত ও বিভিন্ন কোষ-কলায় অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায়। প্রায় সব স্লিপ এপ্নিয়া রোগী ঘুমন্ত অবস্হায় নাক ডাকে। আবার ঘুমের সময় নাক ডাকলেই সবাই স্লিপ এপ্নিয়া রোগী হয় না।
(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »

Categories