স্বাস্থ্যকথা

মুখ ও জিহবা

(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »
মুখের কালো দাগ বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। সাধারণভাবে দাগ বলতে আমরা কেবল মেছতাকেই বুঝি। মেছতা ছাড়াও বিভিন্ন রকমের বা ধরনের কালো দাগ মুখে হতে দেখা যায় বিভিন্ন রোগের কারণে। প্রথমেই মেছতার কথায় আসা যাক। মেছতা সাধারণত কালো বা বাদামি রঙের দাগ, যা মুখমণ্ডলের যেকোনো স্থানেই হতে পারে। মেছতা সাধারণত মেয়েদেরই বেশি হয়ে থাকে। মেছতা হওয়ার প্রকৃত কারণ এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে হরমোনের তারতম্যজনিত কারণে কিছু রোগ, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন, ইস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ, গর্ভাবস্থা এবং সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি প্রভৃতি কারণে মেছতা হতে পারে এবং যাদের সামান্য মেছতা আছে তা বাড়িয়ে তুলতে পারে। মেছতার ক্ষেত্রে বংশগত প্রভাবও বৃদ্ধমান।
শরীরের যে কোন সমস্যায় আমরা চিকিৎসক-এর পরামর্শ নিই। কিন্তু মুখের কোন সমস্যায় আমরা অতটা উদগ্রীব হই না। অথচ এটিও সুস্থতার একটি অংশ। আসুন আমরা মুখের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে জেনে নেই-
অনেক ক্ষেত্রেই মেছতার সুস্পষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না, তবে হরমোনের ব্যাপার একটি অন্যতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি কিংবা ইষ্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণ, গর্ভাবস্হা, সুর্যের অতি বেগুনি রশ্মি মেছতার অন্যতম কারণ।
ডায়াবেটিস রোগটি প্রাচীন। খ্রিষ্টপুর্ব ৪০০ বছর আগে ভারতবর্ষের চিকিৎসকরা ‘মধুমেহ’, ‘ইক্ষুমুত্রের’ উল্লেখ করেছেন। ক্যাপাডেসিয়ার এরোটিউস এ রোগের নাম দেন ডায়াবেটিস (গ্রিক শব্দ অর্থ নির্গত হওয়া)। ১০০০ খ্রি. মুসলমান চিকিৎসা বিজ্ঞানী আবিসিনা বহুমুত্র রোগের চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন তার গ্রন্হে। বহুমুত্র রোগের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য মুত্রের মিষ্ট স্বাদ।
তোতলানো একটা কথা বলার সমস্যা, যেটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ভালো হয়ে যায়। সাধারণত ১৬ বছর বয়সের আগেই শতকরা ৮০ ভাগ ভালো হয়ে যায়।
মাউথ ওয়াশ হলো ওষুধসমৃদ্ধ একটি অ্যান্টিসেপটিক দ্রবণ, যা কুলি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। মুখ ও মুখগহ্বরের সংক্রমণ রোধে মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করা যেতে পারে। বিশেষ করে যখন দাঁত ব্রাশ করা সম্ভব হয় না বা সমস্যা হয়। যেমন, অপারেশনের পর যখন কোনো রোগী পূর্ণ বিশ্রামে থাকে, সে সময় মাউথ ওয়াশ দাঁত ব্রাশের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
ডায়াবেটিসে নির্দিষ্ট করে মুখের সমস্যা দেখা দেয় না। তবে ডায়াবেটিস ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখার পরও পেরিওডন্টাল রোগ দেখা যেতে পারে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখলে পেরিওডন্টাল লিগামেন্টগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং এক সময় দেখা যায় দাঁত নড়তে শুরু করে। রোগীর মুখে শুকনো ভাব থাকে। মাঝে মাঝে স্যালাইভারী গ্ল্যান্ড বা লালাগ্রন্হি ফুলে যেতে পারে যা সায়ালেসিস নামে পরিচিত। এটি সাধারণত স্বয়ংক্রিয় নিউরোপ্যাথির কারণে হতে পারে। জিহ্বার প্রদাহ দেখা যেতে পারে বা জিহ্বার ফিলিফরম প্যাপিলার পরিবর্তন আসতে পারে।

তকের যত্ন নিয়ে মহিলাদের দুঃশ্চিন্তার অন্ত নেই। সবাই চান লাবণ্যময় মসৃণ তক। বিশেষ করে মুখের ত্বকের ব্যাপারে। নো কম্প্রমাইজ। অনেকে মুখের ব্রণ নিয়েও থাকেন উদ্বিগ্ন। এখন বাংলাদেশেই ব্রণের আধুনিক চিকিৎসা হচ্ছে।

আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা মুখের দুর্গন্ধের জন্য প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েন। অফিস, বাসা, স্বামী, স্ত্রী, বন্ধু-বান্ধবের আড্ডা কোথাও মনখুলে কথা বলতে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় শুধু মুখের দুর্গন্ধের জন্য।
(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »

Categories