স্বাস্থ্যকথা

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
পানি খেতে হবে পরিমিত। প্রতিদিনের পস্রাবের পরিমানের ওপর নির্ভর করবে কতটুকু পানি রোগী খেতে পারবেন। ০ কিডনি রোগী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম প্রভৃতি প্রাণীজ আমিষ সীমিত পরিমাণে খাবেন। রোগীর রক্তের ক্রিয়েটিনিন, শরীরের ওজন, ডায়ালাইসিস করেন কিনা, করলে সপ্তাহে কয়টা করেন তার ওপর নির্ভর করবে প্রতিদিন কত গ্রাম প্রোটিন খাবেন তার পরিমাণ।
কিডনি সমস্যা
মশার কামড়ে যেসব রোগ মানুষের দেহে ছড়ায় সেগুলো হচ্ছে­ ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, ফাইলেরিয়া। মশাবাহিত রোগ নিয়ে সম্প্রতি অনেক লেখালেখি হচ্ছে। এমনকি মৃত্যুর খবরও পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ক. ম্যালেরিয়াঃ এই রোগ কয়েক ধরনের পরজীবী জীবাণু দ্বারা হয়। জীবাণু ভেদে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীদের কেঁপে কেঁপে খুব জ্বর হয় এবং জ্বর ছাড়ার সময় অতিরিক্ত ঘাম হয়। কারো কারো বেলায় যথাসময়ে রোগ নিরূপণ ও সঠিক চিকিৎসা না পেলে জটিলতার সৃষ্টি হয়, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। রোগ নির্ণয়ঃ এই রোগ আমাদের দেশে সনাতন পদ্ধতিতে মাইক্রোস্কোপের মাধ্যমে রক্ত পরীক্ষা করে নির্ণয় করা হয়। এতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ম্যালেরিয়া জীবাণু দেহে থাকা সত্ত্বেও অনেক কারণে জীবাণু পাওয়া যায় না।
ফার্স্ট ফুড নয়, প্রচুর তাজা ফল সবজি খান। দৈনন্দিন জীবনযাপনে এরকম ছোটখাট পরিবর্তন আয়ু যেমন বাড়াবে তেমনি ডায়াবেটিসের মত ক্রনিক রোগ ও এর জটিলতা থেকেও বাচাঁবে।
এইডস (AIDS) শব্দের অর্থ অ্যাকিউরড ইমিউন ডেফিসিয়েন্সি সিনড্রোম। এইডস হলে রোগীর দেহে প্রতিরোধ ব্যবস্থা এত দুর্বল হয়ে যায় যে সাধারণ সংক্রমণের সঙ্গেও তা লড়াই করতে পারে না। সেই ১৯৮০ সালের দিকে এইডস প্রথম শনাক্ত হয়েছিল। এর পর থেকে পৃথিবীজুড়ে অনেক অনেক মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
ভিটামিন-সি পানিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন। এটি একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট। মানব শরীরে এর প্রয়োজনীয়তা অনেক। শরীরের ক্ষত শুকাতে, খাদ্যনালী থেকে লৌহ শোষণ করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কত কাজে দরকার ভিটামিন-সি! অনেক রোগ প্রতিরোধেও ভিটামিন-সি কার্যকর। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে এসব।
বাংলাদেশের জীবনযাত্রার মান তেমন স্বাস্হ্যকর নয়। তাই এখানে টাইফয়েডের রোগজীবাণু সহজেই সংক্রমিত হয়। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার জনের মধ্যে ৪ জন টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়। আর ৫ বছর বয়সের নিচের শিশুদের মধ্যে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার জনের মধ্যে ১৯ জন টাইফয়েডে ভোগে। অর্থাৎ অন্যান্য অনেক রোগের মতো টাইফয়েডের হুমকিও শিশুদের জন্যই বেশি। উন্নত বিশ্বে যথাযথ স্বাস্হ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করার কারণে তারা প্রায় টাইফয়েডমুক্ত।
ভাইরাল হেপাটাইটিসগুলোর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক ও ধ্বংসাত্মক ভাইরাস হচ্ছে হেপাটাইটিস ‘সি’। সাধারণত রক্তের মাধ্যমে এ প্রাণঘাতী ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে। ১৯৮৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ ভাইরাস শনাক্ত করা হয়। হেপাটাইটিস সি লিভারের একটি মারাত্মক শত্রু। হেপাটাইটিস সি নামক ভাইরাসটি লিভার কোষ ধ্বংস করে ফেলে লিভার প্রদাহের সৃষ্টি হয় ও লিভারের কোষ ধ্বংস অব্যাহত থাকে। হেপাটাইটিস সি সংক্রমণের ৫-৮ বছরের মধ্যে এর কোনো লক্ষণই প্রকাশ পায় না, ফলে ১০/১২ বছরের মধ্যে রোগী লিভার সিরোসিস ও লিভার ক্যাসারে আক্রান্ত হয়। অধিকাংশ রোগী প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতেই পারে না যে তার মধ্যে ঘাতক ভাইরাস লুকিয়ে আছে। এ জন্যই সি ভাইরাসকে বলা হয় নীরব ঘাতক।
এপিলেপ্সি রোগের কথা কেউ শোনেননি বা এপিলেপ্সির রোগীকে কেউ দেখেননি এমন লোক খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আমাদের সমাজের আশপাশের অনেক পরিবারেই রয়েছেন এপিলেপ্সি রোগী। এসব রোগীকে নিয়ে পরিবারের দুশ্চিন্তা ও দুর্ভাবনার শেষ থাকে না। কারণ এসব রোগী নাজুক প্রকৃতির। তাদের যেকোনো সময় যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। ঘটে যেতে পারে হৃদয়বিদারক করুণ পরিণতি, যা আমাদের কারোরই কাম্য নয়। এপিলেপ্সি রোগীকে অনেকে জিনে বা পরীতে ধরেছে বলে মনে করেন। কেউ কেউ ভাবেন তার ‘হাওয়া’ (বাতাস) লেগেছে। আসলে এসবের বৈজ্ঞানিক কোনো কারণ নেই। এগুলো মূলত কুসংস্কার। আর আমাদের দেশে কী অশিক্ষিত, কী শিক্ষিত অনেকের মনেই নানা ধরনের অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার বিস্তার লাভ করে রয়েছে। এসব অন্ধবিশ্বাসের মূলোৎপাটন করা প্রয়োজন। আর এর জন্য আপনাকে, আমাকে ও সমাজের সব শ্রেণীর মানুষকে আগ্রহসহকারে এগিয়ে আসতে হবে।
টিউমার/ক্যান্সারের কারণঃ হ বংশগত/ জেনেটিকঃ বাবা, মা, খালা কারো ক্যান্সার/ টিউমার থাকলে তাদের সন্তানদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে বেশি; যেমন-ব্রেষ্ট ক্যান্সার, কোলন ক্যান্সার।
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories