স্বাস্থ্যকথা

ডায়াবেটিস

(Page 3 of 4)   « Prev  1  2  
3
  4  Next »

শরীরের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি খাবার খেলে খাবারের বেশি অংশটুকু চর্বি আকারে শরীরে জমতে থাকে। সাধারণত এভাবেই অতিরিক্ত ওজন কেন হয় তা বলা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত ওজন হওয়ার পেছনে আরও অনেক জানা ও অজানা কারণ রয়েছে।

ডায়াবেটিস স্বল্পকালীন চিকিৎসায় পুরোপুরি সেরে যাওয়ার মত অসুখ নয়। এটিকে সারা জীবন ধরে নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের নানাবিধ কার্যকরী ব্যবস্থা রয়েছে। ওষুধ ছাড়া নিয়ন্ত্রিত খাদ্য গ্রহণ এবং শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়ামই কখনও কখনও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য যথেষ্ট।
প্রয়োজন যখন ডায়াবেটিক রোগীর ‘ডায়াবেটিস’ রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের চিনির ওঠানামার সঙ্গে দৃষ্টিশক্তি পরিবর্তিত হয়। তাই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর চশমা নেওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ের প্রতি নজর দেওয়া জরুরি-
ডায়াবেটিস মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো হার্ট অ্যাটাক। ডায়াবেটিস মানব দেহের প্রাচীনতম রোগগুলির মধ্যে অন্যতম। আরোটিয়াস ১৫০ খৃৃষ্টাব্দে এ রোগের নাম দেন ডায়াবেটিস, যার অর্থ সাইফন। তার মতে এ রোগে রোগীর ওজন কমে যায় ও পচনশীল ঘা হয়। ১৯০৯ সালে ডি মেয়ার অগ্ন্যাশয়ের হরমোনকে ইনসুলিন নামকরণ করেন। ডায়াবেটিস হলে ইনসুলিন তৈরি করার ক্ষমতা একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় অথবা পর্যাপ্ত পরিমাণ ইনসুলিন তৈরিতে ব্যর্থ হয় নতুবা পর্যাপ্ত ইনসুলিন তৈরি হলেও ইনসুলিন তার কাজ করতে পারে না। ১৯৮৬ সালে মার্কুনে ঈষ্ট থেকে জৈব সংশেস্নষণ করে হিউমেন ইনসুলিন তৈরী করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। চলতি শতাব্দীর গোড়ার দিক পর্যন্ত বহু লোক মৃত্যুবরণ করেছেন এই নীরব ঘাতক ব্যাধির আক্রমণে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের অগ্রগতির ফলে যথেষ্ট তথ্য ইতিমধ্যে আবিষ্কৃত হয়েছে, ফলে ডায়াবেটিসে মৃত্যুর হার অনেক কমে গিয়েছে।
ইনসুলিন নিয়ে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা যারা করছেন তাদের জন্য সুখবর। ইনজেকশনের ব্যথা আর সইতে হবে না। সাথে সিরিঞ্জ বা ইনসুলিন এ্যাম্পুলও নিতে হবে না। হাঁপানিতে ব্যবহৃত ইনহেলারের মতো ইনসুলিন ভর্তি একটি ইনহেলার সাথে নিলেই হলো। এক পাফ মুখের ভেতরে শ্বাসের সাথে ছেড়ে দেবেন। অতি দ্রুত এই ‘গ্যাস ইনসুলিন’ রক্তে ছড়িয়ে যাবে। পেয়ে যাবেন আকাঙ্ক্ষিত গ্লুকোজ মাত্রা। এই ইনহেলারের কথা বলছেন মার্কিন গবেষকরা। আশা করা হচ্ছে শিগগিরই এটা বাজারে চলে আসবে।
খুব ছোটবেলায় বাচ্চাদের ভিটামিন ডি সাপ্লিমেন্ট দিলে পরবর্তী জীবনে টাইপ ১ ডায়েবেটিসের ঝুঁকি কমানো যায়। এ নিয়ে অনেকগুলো গবেষণা বিশেস্নষণ করে ব্রিটিশ গবেষকরা তাৎপর্যপূর্ণ প্রমাণ পেলেন যে, এই ভিটামিনের সাপ্লিমেন্টের সঙ্গে ডায়েবেটিসের ঝুঁকি হ্রাসের রয়েছে যোগাযোগ।
ফ্যাটি লিভার মানে লিভারে চর্বি জমা। শব্দটি বর্তমানে বেশ প্রচলিত। ঐতিহাসিকভাবে এটি অ্যালকোহল বা অতিরিক্ত মদ্যপানের সাথে সম্পর্কিত। কিন্তু যারা অ্যালকোহল বা মদ্যপানের সাথে যুক্ত নন, ইদানীং তাদের মাঝেও এই রোগের প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে নন অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার ডিজিজ।
সাধারণ এই স্বাস্থ্য সমস্যা ডায়াবেটিস হলে রক্তে বেড়ে যায় শর্করার মান। কখন হয় ডায়েবেটিস? অগ্নাশয় নষ্ট হয়ে শরীর যখন ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন হতে পারে ডায়েবেটিস। একে বলে টাইপ ১ ডায়েবেটিস। আবার শরীরের কোষগুলো যদি ইনসুলিন ব্যবহার করতে অক্ষম হয় এবং অগ্নাশয় ও কম ইনসুলিন উৎপাদন করে, তখনো হতে পারে ডায়েবেটিস। একে বলা হয় টাইপ ২ ডায়েবেটিস।
শিশুদের ডায়েবেটিস সাধারণভাবে টাইপ ১ ডায়েবেটিস নামে পরিচিত। এই সমস্যা হলে দেহের প্যানক্রিয়াস যন্ত্রটি ইনসুলিন ক্ষরণ করতে ব্যর্থ হয়। দেহকোষে গস্নুকোজ প্রবেশ করার জন্য ইনসুলিন হরমোনটি অপরিহার্য।
বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি অন্যতম রোগ এবং এ কারণে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে নানা প্রকার জটিলতা দেখা হয়। ডায়াবেটিসজনিত রোগ এর মধ্যে অন্যতম।
(Page 3 of 4)   « Prev  1  2  
3
  4  Next »

Categories