স্বাস্থ্যকথা

হৃদরোগ

(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »
হূৎস্বাস্থ্য নিয়ে সম্প্রতি কথা বলেছেন ব্যানার চার্চিল কমিউনিটি হাসপাতালের ফ্যামিলি মেডিসিন ফিজিশিয়ান চিকিৎসক এরিক হার্জোগ। জানতে হবে হূৎস্বাস্থ্যের ঝুঁকিগুলো এবং করতে হবে প্রতিরোধ।
মুখ ভার করে থাকার চেয়ে হাসিখুশি থাকুন। হৃদরোগের ভয় বেশ কমে যাবে। হৃদযন্ত্রের সঙ্গে আবেগের এমনই সম্পর্ক নিয়ে এটিই প্রথম পর্যবেক্ষণ বলে সম্প্রতি দাবি করে বিজ্ঞানীরা।
অতিরিক্ত চিনি শুধু মানুষের শরীরকে মুটিয়েই দেয় না, এর ফলে মানুষের হৃদরোগের ঝুঁকিটাও বেড়ে যায় বহুগুণে। অতিরিক্ত চিনি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আরও বেশ কিছু রোগের উপসর্গ দেখা দিতে পারে শরীরে। এর মধ্যে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিটাই থাকে সবচেয়ে বেশি। মিষ্টি কোমল পানীয়তেও চিনি থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। ডায়াবেটিস রোগের জন্যও কিন্তু অনেকাংশেই দায়ী এই অতিরিক্ত মিষ্টি। আমেরিকার একদল গবেষক মানব শরীরে চিনির প্রভাব নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করে সম্প্রতি এমনই তথ্য প্রকাশ করেছে। গবেষণায় বলা হয়, বিশেষ করে মহিলাদের দিনে চিনিযুক্ত খাবার ১০০ ক্যালোরি অথবা ছয় চা চমচের বেশি চিনি খাওয়া উচিত নয়। পুরুষের বেলায় এই পরিমাণটা ১৫০ ক্যালোরি বা নয় চা চামচ। এই অতিরিক্ত চিনি হৃদযন্ত্রের রোগ তৈরিসহ উচ্চ রক্তচাপ এমনকি স্ট্রোকও ঘটাতে পারে।
হৃদরোগের প্রধান কারণ রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বেশি থাকে। পরিকল্পিত খাদ্যগ্রহণ নীতি মেনে চললে এই কোলেস্টেরল আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। রক্তে কোলেস্টেরল এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে যে সব খাবার প্রতিদিনের আহারতালিকায় রাখতে হবে অথবা বাদ দিতে হবে এবার তা জেনে নিন।
শরীরের অন্যতম ভাইটাল অরগান হার্ট। এই হার্টকে সুস্থ রাখতে কেনা চায়। নিয়মিত ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন এবং মনের চাপ কমিয়ে হার্ট সুস্থ রাখা যায়। পাশাপাশি হার্টের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ফ্যাক্টর সমূহকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বিভিন্ন বয়সে হার্টের জন্য ঝুঁকিরও তারতম্য রয়েছে। এখানে বয়স ভিত্তিক হার্টের শত্রুদের চিহ্নিত করা হলোঃ
হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসক দর্শন ঘন ঘন হলে ভালো। হঠাৎ করে ডাক্তারের চোঁরে কেন? বারবার গেলে ক্ষতি কি? নিয়মিত ডাক্তার দেখালে ফল হয় ভালো। করোনারি হৃদরোগ একবারে নির্মুল হবেনা। তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিলে, নিয়মমাফিক চললে রোগকে বেশ মোকাবেলা করা যায়। হার্ট এটাকের ঝুকি বা অন্যান্য সমস্যা অনেকটা এড়ানো যায়।
হৃদরোগ কীঃ হৃদরোগ যা হার্ট ডিজিজ বা কার্ডিওভাসকুলার নামে পরিচিত। এটি হৃদযন্ত্র এবং রক্তনালীর কতিপয় রোগ যাকে সমষ্টিগতভাবে হৃদরোগ নামে অভিহিত করা হয়। বর্তমানে উন্নত বিশ্বে এক নম্বর মরণব্যাধি হলো হৃদরোগ। হৃদরোগের বিশাল ছাতার নিচে অর্-ভূক্ত হলোঃ হৃদযন্ত্রের রোগ (হৃদযন্ত্রে রক্ত সরবরাহকারী ধমণী, হৃদপেশী ও কপাটিকার বিভিন্ন ধরনের রোগ), রক্তনালীর রোগ (যে সকল ধমনী ও শিরা হৃদযন্ত্র হতে ও হৃদযন্ত্র্রে রক্ত বহন করে নিয়ে যায় তাদের রোগ) এবং জন্মগতভাবে হৃদযন্ত্রে ত্রুটি।
বিশ্বে প্রতি বছর দেড় কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগে মৃত্যুবরণ করে। আর পাশ্চাত্যে মোট মৃত্যুর শতকরা ৪৫ ভাগই ঘটে হৃদরোগে। গবেষণায় দেখা গেছে, আমেরিকায় প্রতি ৫ জনে ১ জনের মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ। পাশ্চাত্যের অন্ধ-অনুকরণ আর ভ্রান্ত জীবনাচরণের কারণে বাংলাদেশসহ প্রাচ্যের দেশগুলোতেও এ রোগের প্রকোপ দিন দিন বাড়ছে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে, হৃদরোগ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোয় হৃদরোগ মহামারি আকারে দেখা দেবে।
বাংলাদেশে প্রায় দেড় কোটি মানুষের বিভিন্ন ধরনের হূদরোগ রয়েছে। আর বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় রয়েছে অকালে হূদরোগ হওয়ার প্রবণতা। তাই হার্টের সমস্যা ছোট করে দেখার কোনো অবকাশ নেই। যদিও বাংলাদেশে হূদরোগের চিকিত্সার খরচ পার্শ্ববর্তী অন্যান্য দেশের তুলনায় কম, তবু এটা এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে। আর যেহেতু সরকারি চিকিত্সাসেবার অবকাঠামোর মাধ্যমে সব লোকের চিকিত্সা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়, তাই অন্যান্য রোগের মতো হূদরোগ প্রতিরোধের দিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা।
খবির সাহেব (ছদ্মনাম) সরকারি কর্মকর্তা। ভীষণ উগ্র মেজাজের মানুষ। সারাক্ষণ অস্থিরতায় ভোগেন। মাঝেমধ্যে কর্মচারীদের সঙ্গে কারণে-অকারণে রাগারাগি, বকাবকি করেন। যে-কারও কাজে ভুল ধরেন অযথা। তারপর ভর্ত্সনা। এভাবে হেয় করা তাঁর স্বভাব। কখনো জোরে জোরে কথা ছাড়া থাকতে পারেন না। সেদিন এক কর্মচারীকে উগ্র মেজাজ দেখাতে গিয়েই বুকটা চিনচিন করে ওঠে। দম ফেলতে কষ্ট হয়। অনতিবিলম্বে চিকিত্সকের কাছে সবাই ধরাধরি করে নিয়ে যায়।
(Page 1 of 2)   
« Prev
  
1
  2  Next »

Categories