স্বাস্থ্যকথা

(Page 3 of 5)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »
নানা রকম জিনিস যা আমরা খেয়ে থাকি, আমাদের শরীরে লাগে বা ভেতরে ঢোকে এবং তার বিরুদ্ধে অতি বা পরিবর্তিত এবং বর্ধিত প্রতিক্রিয়া শরীরে হলে তবে তাকে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া বলে। গরুর দুধ, গরুর মাংস, ডিম, কলা, বেগুন, চিংড়ি, ইলিশ আছে তো আমরা সবাই খাই। কেউ কেউ এসব খেয়ে পেট ব্যথা, হাঁপানি বা সর্দিতে ভোগেন। এগুলোই হলো খাদ্যের অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন। ৬ থেকে ৮ ভাগ শিশু এবং ১ থেকে ২ ভাগ বৃদ্ধ সচরাচর খাদ্যে অ্যালার্জিতে ভুগে থাকেন। তবে জন্ম হওয়ার প্রথম বছরের মধ্যেই বেশি দেখা যায়।
অ্যাজমা বা হাঁপানি হলো শ্বাসনালির দীর্ঘস্থায়ী ও প্রদাহজনিত একটি রোগ। এ রোগটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত। বিশ্বের প্রায় ২০ কোটি লোক এতে আক্রান্ত। প্রতিবছর প্রায় দুই লাখ লোক এ রোগে মৃত্যুবরণ করে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আমাদের দেশে ৭০ লাখ লোক এ রোগে ভুগছে। তাদের ৫০ শতাংশের বয়সই ১৫ বছরের নিচে।
ব্রণ টিনএজারদের সচরাচর সমস্যা। ব্রণ বা একনে শতকরা ৮০ ভাগ টিনএজারদের সমস্যা। ত্বকের সৌন্দর্যহানির জন্য ব্রণ দায়ী। ছেলেদের ব্রণ তীব্রতার দিক থেকে বেশি হলেও মেয়েদের ক্ষেত্রে সামাজিক কারণে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি এক প্রকার বিড়ম্বনা।
ভোরে আজানের সুরেই শামীমা হোসেনের ঘুম ভেঙে যায়। ৫০ বছর বয়সী শামীমা হোসেনের এ নিত্যদিনের অভ্যেস। ২০০৬ সালের অক্টোবরের হালকা শীতেও এ নিয়মে ব্যত্যয় হয়নি। কিন্তু সে দিন তিনি প্রচণ্ড পায়ের ব্যথায় উঠতে পারলেন না। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পর ডাক্তার হাড়ের ক্ষয় মনে করে চিকিৎসা চালালেন। কিন্তু শামীমা হোসেনের পায়ের ব্যথার কোনো সুরাহা হলো না। এরপর নিউরো সার্জনের সহায়তা গ্রহণ করার পর ধরা পড়ল শামীমা হোসেনের বোন টিবি হয়েছে।
এলার্জি বাংলাদেশের লাখ লাখ মানুষের কাছে এক অসহনীয় ব্যাধি। এলার্জি হাঁচি থেকে শুরু করে খাদ্য ও ওষুধের ভীষণ প্রতিক্রিয়া ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। কারো কারো ক্ষেত্রে এলার্জি সামান্যতম অসুবিধা করে, আবার কারো ক্ষেত্রে জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।
সাধারণ এই স্বাস্থ্য সমস্যা ডায়াবেটিস হলে রক্তে বেড়ে যায় শর্করার মান। কখন হয় ডায়েবেটিস? অগ্নাশয় নষ্ট হয়ে শরীর যখন ইনসুলিন উৎপাদন করতে পারে না তখন হতে পারে ডায়েবেটিস। একে বলে টাইপ ১ ডায়েবেটিস। আবার শরীরের কোষগুলো যদি ইনসুলিন ব্যবহার করতে অক্ষম হয় এবং অগ্নাশয় ও কম ইনসুলিন উৎপাদন করে, তখনো হতে পারে ডায়েবেটিস। একে বলা হয় টাইপ ২ ডায়েবেটিস।
আমাদের অনেকেরই ধারণা অ্যালার্জির কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। ওষুধ দিয়ে উপসর্গ কিছু দিন দমিয়ে রাখা যায় এবং ওষুধ বন্ধ করলেই আবার শুরু হয় উপসর্গগুলো। এ কথা কিন্তু অমূলক কিছু নয়। প্রায় ক্ষেত্রেই তাই দেখা দেয়। এ জন্যই জনগণ তখন অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা বাদ দিয়ে অন্য চিকিৎসা যথা হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করে থাকেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে তাবিজ-কবজ, ঝাঁড়ফুক নিয়ে থাকেন, কিন্তু তার পরও যখন কোনো সমাধান পান না তখনই হতাশ হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
পাইলস রোগটির সাথে আমরা হাজার বছর ধরে পরিচিত। কিন্তু এখনো পুরো বিষয়টি আমাদের কাছে অস্বচ্ছ, ভ্রান্ত ধারণায় পূর্ণ এবং সংস্কারের ঘেরাটোপে বন্দী।
আলঝেইমারস একটি মারাত্মক ও ক্রনিক (দীর্ঘস্থায়ী ও অনিরাময় যোগ্য) রোগ, যা মস্তিষ্ককে আক্রমণ করে এবং ধীরে ধীরে কর্মক্ষমহীন করে ফেলে। এটি একটি অধিকতর খারাপের দিকে অগ্রসর হওয়া রোগ, যার প্রক্রিয়া ৫ থেকে ২০ বছর ধরে চলতে থাকে এবং এমন একটি সময় আসে যখন এই রোগীরা তাদের প্রত্যাহিক সব কাজের (যেমন খাওয়া, গোসল করা ও বাথরম্নম ব্যবহার করা) জন্য অন্যের ওপর সার্বক্ষণিক নির্ভরশীল হয়ে পড়েন। সুতরাং রোগীর পরিবার বা দেখাশুনাকারীর ওপর এই রোগের মানসিক প্রভাব অনেক বেশি। প্রতি বছর ১ লাখ মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয় এবং বড়দের মৃত্যুর চতুর্থ প্রধান কারণ এই রোগ।
ঠোঁট হবে আকর্ষণীয় এটাই সবার কাম্য। কিছু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়া, চামড়া ওঠা, ফাটা ভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনো তেল গ্রন্থি থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা ঠোঁটের জন্য বেশ কঠিন। ঠাণ্ডা গরম, সূর্যরশ্মি, দূষণ সবই ঠোঁটের জন্য ক্ষতিকর। এ ছাড়া ঠোঁট কামড়ানো বা জিভ দিয়ে ঠোঁট বারবার ভিজানোও ক্ষতিকর।
(Page 3 of 5)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »

Categories