স্বাস্থ্যকথা

(Page 4 of 5)   « Prev  1  2  3  
4
  5  Next »
ইনগুইনাল হার্নিয়া হলো তলপেটের ডান কিংবা বাম দিকে ইনগুইনাল অর্থাৎ কুঁচকির কাছের অংশে হার্নিয়া। হার্নিয়া কথাটির প্রকৃত অর্থ উদর গহ্বরের দেয়ালের কোন দুর্বল অংশ দিয়ে অভ্যন্তরস্থ যে কোন অঙ্গ যেমন অন্ত্র কিংবা অন্ত্রের অংশবিশেষ বাইরে বেরিয়ে আসা কিংবা বেরিয়ে আসার প্রবণতা। অবস্থান অনুযায়ী হার্নিয়াকে বিভিন্ন নামে নামকরণ করা হয়।
টাইফয়েড এক ধরনের আন্ত্রিক রোগ। রোগটি জটিল আকার ধারণ করলে নিউমোনিয়া থেকে শুরু করে হৃদরোগও দেখা দিতে পারে। এছাড়া পেট ফুটো হওয়ার মতো ভয়াবহ ঘটনা তো রয়েছেই। পানি বা পানিযুক্ত খাদ্যসামগ্রী থেকেই সাধারণত টাইফয়েড রোগটি দেখা দিয়ে থাকে।
সাধারণভাবে প্রচলিত কথা ‘চোখ ওঠা’ বলতে চোখ লাল হওয়া বুঝানো হয়ে থাকে। কিন্তু চোখ লাল হওয়া একটি উপসর্গ মাত্র। বিভিন্ন কারণে চোখ লাল হতে পারে। যেমন-জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, এডিনো ভাইরাসজনিত কারণে, হারপেস সিম প্লেক্স ভাইরাসজনিত কারণে, স্কেলেরার ইনফেকশনজনিত কারণে, ইউভিয়াল টিস্যু ইনফেকশনজনিত কারণ ইত্যাদি।
আধুনিক ফ্যাশন-সচেতন সুন্দরী নারীরা রুপচর্চা করেন। কারণ রূপই যেন যৌবনের রূপকার। আর যৌবনের সুরক্ষাই হলো প্রতিটি নারীর যেন তপস্যা। কিন্তু এ রূপচর্চায় যদি কোনো প্রতিবন্ধকতা আসে, তবে তো দুশ্চিন্তার অন্ত থাকে না। এ যেন এক দুঃসহ যাতনা। ব্রণ হলো সে রকম একটি প্রতিবন্ধক, যেটি আজকের কসমেটিক জগতে এক অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, এটি মুখশ্রীকে দীর্ঘস্হায়ী বিকৃত করে তোলে।
এই ঋতুতে ভাইরাস ধরনের অসুখ যেমন-হাম, জলবসন্ত, ভাইরাস ফিভার হতে দেখা যায়। জ্বরে বাড়ির এক ব্যক্তি আক্রান্ত হলে আস্তে আস্তে আরেকজনও আক্রান্ত হয়। এভাবে এক ঘর থেকে অন্য ঘর-এই চক্র চলতে থাকে। এ ঋতুতে শীতের আবহাওয়ায় ঘুমন্ত ভাইরাস গরম পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসের মাধ্যমে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
যাদের নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় আমরা বলি অ্যাজমার রোগী। যাকে বাংলায় বলে হাপানি। অ্যাজমা হলে মানুষের শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা হয়। সে সময় নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়, শ্বাসের সঙ্গে একটা টান চলে আসে। এ টানকেই বলে হাপানি। যখন মানুষের লাংগস বা ফুসফুস যথেষ্ট পরিমাণ বাতাস টানতে পারে না তখন শরীরে বাতাসের অভাব দেখা দেয়। আর এটাকেই আমরা অ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়া বুঝি। শিশুরা এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে বেশি। আর শীতকালে ঠান্ডাজনিত অ্যালার্জির কারণে অ্যাজমায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুকি থাকে বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা বিশ্বে অ্যাজমা বা হাপানি রোগটি বাড়ছেই।
ঘাতক ব্যাধি এইচআইভি/এইডসের কথা আজ আর কারো অজানা নয়। গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণার কারণে এ বিষয়ে অনেক সচেতনতার সৃষ্টি হয়েছে। গত নভেম্বর মাসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রাপ্ত সমীক্ষায় বর্তমানে পৃথিবীতে ৩৩·২ মিলিয়ন নারী-পুরুষ এইচআইভি/এইডসে আক্রান্ত বলে জানা যায়। এইচআইভিতে আক্রান্ত মহিলার সংখ্যা হচ্ছে ১৫·৪ মিলিয়ন আর নিষ্পাপ শিশুর সংখ্যা প্রায় ২·৫ মিলিয়ন। ২০০৭ সালের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ২·৫ মিলিয়ন নারী-পুরুষ নতুন করে এইচআইভিতে আক্রান্ত হয় আর এ বছর এইডসের কারণে মৃত্যুর সংখ্যা হচ্ছে ২·৪ মিলিয়ন।
বিজ্ঞানীরা বলেন, আমাদের বেশির ভাগ মনের আবেগ আসে মাথা থেকে। ফলে কাব্যজগতে বুকের অবস্থান দুর্বল হয়ে গেছে। আগে ভাবা হতো, বুকের মাঝে হ্নদয় ওরফে হার্ট, এ হার্ট ওরফে হৃদয় হতে আসে সব আবেগ। ফলে কারো প্রেম ভেঙে গেলে আমরা বলি বুক ভেঙে খান খান। তার সঙ্গে হ্নদয়খানও। তবে বুকের ব্যথা (প্রেমঘটিত নয়) মোটেও হেলাফেলার জিনিস নয়। সেখান থেকেই হয় হার্ট অ্যাটাক।
বার্ড ফ্লু নিয়ে তোলপাড় কেন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা বা বার্ড ফ্লু-পাখির জ্বর, মানুষের নয়। তাহলে এটা নিয়ে দুনিয়া জুড়ে এত তোলপাড়ের কারণ কী-এ প্রশ্নটা অনেকেরই। জীবনের কোনো না কোনো সময় ফ্লুতে আক্রান্ত হননি, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। সিজনাল ফ্লু বা ঋতুভিত্তিক ইনফ্লুয়েঞ্জার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে।
যেকোনো ধরনের ক্যান্সারই জীবননাশী ও খুব কষ্টদায়ক। তাই ক্যান্সার থেকে মুক্ত থাকার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করাই ক্যান্সারমুক্ত থাকার উপায় এবং এ জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলার বিকল্প নেই।
(Page 4 of 5)   « Prev  1  2  3  
4
  5  Next »

Categories