স্বাস্থ্যকথা

(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
মেদবিহীন ছিপছিপে সুন্দর স্বাস্থ্য সবার প্রিয়। আর সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুগড়ন ও কার্যক্ষম শরীর। এই প্রত্যাশা পূরণ সহজ কাজ নয়। রসনার সংযম এবং নিয়মিত শরীর চর্চায় ব্রত শক্ত মনের মানুষই স্বাভাবিক ওজন ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকেন। এজন্য অহেতুক জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা বা জোগাড় যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ে না। কতিপয় বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। প্রথমত: মিষ্টি ও ভাজাভূনা খাবেন না। ভাত খাবেন নামমাত্র। দ্বিতীয়ত: প্রতিদিন জীবনযাপনে যাই ঘটুক নিজে নিজে একটু ব্যায়াম করে নেবেন। সেটা হাটা, সাঁতার বা ফ্রি হ্যান্ড যাই আপনার পছন্দ। এ দু’টি হলো জিমে না গিয়ে ওজন কমানোর প্রাথমিক ও অন্যতম শর্ত।
ঘুম সবার জন্য চাই চাই। ঘুমের সব কিছু বিষয়, কেমন করে ঘুম হয় সব তো জেনে উঠতে পারেননি এখনও বিজ্ঞানীরা, তবু জেনেছেন বটে বিজ্ঞানীরা। এই দৈনন্দিন কর্মের অনেকটাই জানতে পারা গেলো। প্রতিটি স্তন্যপায়ী প্রাণী, পাখি এবং বেশিরভাগ সর্প জাতীয় প্রাণী, উভচর ও মাছ সবার প্রয়োজন ঘুম।
ফিটনেসের সঙ্গে খাদ্যের কিসম্পর্ক? বাসায় টলমল করে হাঁটে যে শিশু বা টিনএজরা, যেই হোক, যেই পুষ্টিকর আহার গ্রহণ করে, তার দিন ভালো তো যাবেই। তা খেলাধূলার মধ্যে হোক বা ক্লাশরুমেই হোক। আমরা জানি শিশুর বাড় বাড়ন ও বিকাশের জন্য চাই ভালো পুষ্টি ও ব্যায়াম। কিন্তু ইতিমধ্যে যারা বড় হয়েছে তারা, পূর্ণবয়স্ক যারা এদের ব্যাপারে কি? স্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ এবং শরীরচ্র্চায় অব্যাহত আকর্ষণ ও চর্চা থাকলে সারা জীবন, জীবনের গুণগতমান উঁচুতে রেখে বেঁচে থাকা সম্ভব। এছাড়া অনেক রোগের ঝুঁকিও এড়ানো যায়। আর ফিট থাকলে যা হয় তা হলো:
সাইকেল অর্থাৎ বাইসাইকেল চালানো হাঁটা এবং সাতার কাটার মত একটি উৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালানো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা কমে। রক্তচাপও কমে। সপ্তাহে ৩৫ কিলোমিটারের মত পথ সাইকেল চালালে করোনারি হূদরোগের সম্ভাবনা কমে যায় ৫০ শতাংশেরও বেশি।
স্থূলতা ওজনাধিক্য শব্দটির সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। কারণ এটি এখন বহুল আলোচিত একটি বিষয়। নাগরিক জীবনে কারও কারও ক্ষেত্রে স্থূলতা বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। ওজনাধিক্যের জন্য বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমরা সকলেই ওজনাধিক্য নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। কিন্তু দেখা যায় বিভিন্ন কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। আসলে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ব্যক্তির নিজস্ব ইচ্ছা এবং চেষ্টা।
গবেষণায় বিশেষজ্ঞগণ দেখেছেন যারা কখনই ব্যায়াম করেননা অথবা যারা অনিয়মিত ভাবে অথবা কদাচিত এক্সারসাইজ করেন তাদের হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ৫ গুণ বেশী এবং শারীরিক সম্পর্ক (সেক্স) স্থাপনের সময় এদের হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি স্বাভাবিকের চেয়ে ২ দশমিক ৭ গুণ বেশী হয়।
পুরুষ এবং অনেক ক্ষেত্রে মহিলারা পর্যন্ত শরীরের শক্তি বাড়াতে অজ্ঞতাবশত: মারাত্মক ক্ষতিকর স্টেরয়েড ব্যবহার করেন। স্টেরয়েড ব্যবহার করলে সাময়িকভাবে শক্তি বাড়লেও শরীরের মারাত্মক পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পেশীর কোমনীয়তা হ্রাস পায় এবং পেশীর স্বাভাবিকতা নষ্ট হয়।
অতিরিক্ত চর্বি জমে আমাদের শরীরের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে শতকরা দশভাগ বেড়ে গেলে তাকে আমরা মুটিয়ে যাওয়া বা Obesity বলে থাকি। সাধারণত মাঝবয়সে পৌঁছানোর পরপরই শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা শুরু হয়। তবে কিছু কিছু কারণে যে কোনো বয়সেই একজন মানুষ মুটিয়ে যেতে পারে। প্রয়োজনের তুলনায় অধিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণ এবং কম শারীরিক পরিশ্রমই এর প্রধান কারণ। এছাড়া কিছু হরমোন জাতীয় রোগ, পারিবারিক প্রবণতা এবং কোনো কোনো ওষুধও এর জন্য দায়ী। মহিলাদের মধ্যে মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা পুরুষদের চেয়ে বেশি।
সাইকেল অর্থাৎ বাইসাইকেল চালানো হাঁটা এবং সাতার কাটার মত একটি উৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালানো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা কমে। রক্তচাপও কমে। সপ্তাহে ৩৫ কিলোমিটারের মত পথ সাইকেল চালালে করোনারি হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে যায় ৫০ শতাংশেরও বেশি।
বাড়তি ওজন শুধু আপনার দৈহিক সৌন্দর্যকেই নষ্ট করেনা, বরং বিভিন্ন রোগের সম্ভাবনাকেও বাড়িয়ে দেয়।
(Page 1 of 5)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories