স্বাস্থ্যকথা

স্বাস্থ্য সংবাদ

(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় হৃদরোগের প্রকোপ পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ৫০-৬০ গুণ বেশি। বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটি হৃদরোগী রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান রোগগুলো হচ্ছে করোনারী ধমনীর রোগ, হার্ট ভাল্বের রোগ, শিশুদের জন্মগত হার্টের সমস্যা ইত্যাদি। বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের হৃদরোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা তিন লাখের ওপর। আর প্রতিদিনই এ সংখ্যা বাড়ছে। বিপুলসংখ্যক বয়স্ক ও শিশু হৃদরোগী সমাজ তথা দেশের ওপর একটি বিরাট বোঝা। এ ধরনের রোগের চিকিৎসার জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রাও খরচ হয়ে যাচ্ছে। দেশে হৃদরোগের চিকিৎসা সাম্প্রতিক সময়ে উন্নত হওয়ায় যদিও দিন দিন বিদেশগমনকারী হৃদরোগীর সংখ্যা কমছে, তবু এখনো উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রোগী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যায়। বেসরকারি খাতে অনেকগুলো নতুন হাসপাতালে হৃদরোগের সেবার মান তুলনামূলকভাবে বাড়লেও এসব হাসপাতালে চিকিৎসাসেবার খরচ সাধারণ জনগণের সীমার বাইরে রয়ে গেছে। দেশে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য সরকার পরিচালিত হাসপাতাল শুধু একটি, বাকি সব কটি বেসরকারি। দরিদ্র জনগোষ্ঠীসহ সবাইকে সুলভে, সহজে এবং উন্নত হৃদরোগের সেবা দিতে হলে সারা দেশে সরকারিভাবে কার্ডিয়াক কেয়ার ইউনিটের বিস্তৃৃতি ঘটানো ছাড়া গত্যন্তর নেই।
স্বাস্থ্য সমস্যাটি শিল্পোন্নতদেশগুলোয় প্রবল থেকে প্রবলতর হচ্ছে এবং এরা একে মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু উদ্বেগের ব্যাপার হচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশগুলোয় এমনকি বাংলাদেশেও শিশু ও তরুণেরা স্থূল হচ্ছে সমাজের কোনো কোনো স্তরে। বাচ্চারা, তরুণেরা ফাস্টফুড খাচ্ছে, টিভির সামনে একটানা অনেক সময় বসে আছে, চিবুচ্ছে চিপস, পান করছে কোমল পানীয়, ভিডিও গেম খেলছে, খেলা জীবন থেকে নির্বাসিত এরা। স্কুল আছে, খেলার মাঠ নেই, হাঁটাপথও নেই, সেখানে রিকশার গ্যারেজ ও দোকান, যানজট, পরিবেশদূষণ, তেলেভাজা খাবার-ভুঁড়ি হবে না তো কী হবে? কেন এই উদ্বেগ? স্থূল হলে নানারকমের রোগ শরীরে বাসা বাঁধে আর ধীরে ধীরে জীবনশক্তিকে হরণ করে।
(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »

Categories