স্বাস্থ্যকথা

হাড়

(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »
অস্থিক্ষয় বা অস্টিও পোরেসিস হচ্ছে এমন একটি অসুখ যার ফলে অস্থি বা হাড়ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। হাড়ের শক্তি কমে যায়, ফলে প্রবণতা তৈরি হয় হাড় ভাঙ্গার। অস্টিও পোরোসিসের দ্বারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয় যে হাড়গুলি তারা হচ্ছে মেরুদন্ডের ছোট ছোট হাড় (কশেরুকা), কবজি, বাহু এবং বস্থি প্রদেশের হাড়গুলি।
বাতজনিত কারণেই কোমরে ব্যথা বেশি হয়ে থাকে। বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন ধরনের বাত দেখা দেয়। তবে বয়স বাড়লে সাধারণত লাম্বার স্পনডাইলোসিস নামক বাত জাতীয় রোগের জন্য কোমরে ব্যথা হয়ে থাকে। এখানে বার্ধক্যজনিত কোমরে ব্যথা নিয়ে আলোচনা করব। মেরুদণ্ডের নিচের হাড়ের মধ্যবর্তী তরুণাস্থি বা ডিস্কের বার্ধক্যজনিত পরিবর্তনের ফলেই এ রোগের সূত্রপাত হয়। তরুণাস্থির এ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে সংবেদনশীল পরিবর্তন সাধিত হয়। সাধারণত এ পরিবর্তন ৩০ বৎসর বয়স থেকে শুরু হয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে।
আমাদের শরীরে ২০৬টি হাড় রয়েছে। এই হাড়গুলো বিভিন্ন বন্ধনী দিয়ে পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত। শরীরের যে স্থানে দুটো হাড় বা অস্থি একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে বলে অস্থিসন্ধি বা হাড়ের গাঁথুনি বা হাড়ের সংযুক্তি। আমাদের শরীরে এমন অসংখ্য হাড় আছে। এই হাড়গুলোর মধ্যে অস্থিবন্ধনী রয়েছে। অস্থি, মাংসপেশি ও লিগামেন্ট দিয়ে অস্থিবন্ধনী তৈরি হয়। লিগামেন্ট কিছুটা স্থিতিস্থাপকতাসমৃদ্ধ, ভীষণ শক্ত, সাদা বর্ণের বিশেষ ধরনের মাংসপেশি। এটি হাড়ের গাঁথুনিতে শক্ত রশির মতো কাজ করে।
হাটু, কোমর আর গোড়ালিকে যদি সচল ও প্রানবন্ত রাখা না যায়, সুখে স্বস্তিতে না রাখা যায় তাহলে জীবনেও তো স্বস্তি আসে না।
(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »

Categories