স্বাস্থ্যকথা

হেলথ টিপস

(Page 1 of 12)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »
মেদবিহীন ছিপছিপে সুন্দর স্বাস্থ্য সবার প্রিয়। আর সবাই চায় নিজের সুগঠিত, সুগড়ন ও কার্যক্ষম শরীর। এই প্রত্যাশা পূরণ সহজ কাজ নয়। রসনার সংযম এবং নিয়মিত শরীর চর্চায় ব্রত শক্ত মনের মানুষই স্বাভাবিক ওজন ও সুস্থ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকেন। এজন্য অহেতুক জিমে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। এজন্য খুব বেশি প্রচেষ্টা বা জোগাড় যন্ত্রের প্রয়োজন পড়ে না। কতিপয় বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। প্রথমত: মিষ্টি ও ভাজাভূনা খাবেন না। ভাত খাবেন নামমাত্র। দ্বিতীয়ত: প্রতিদিন জীবনযাপনে যাই ঘটুক নিজে নিজে একটু ব্যায়াম করে নেবেন। সেটা হাটা, সাঁতার বা ফ্রি হ্যান্ড যাই আপনার পছন্দ। এ দু’টি হলো জিমে না গিয়ে ওজন কমানোর প্রাথমিক ও অন্যতম শর্ত।
সাইকেল অর্থাৎ বাইসাইকেল চালানো হাঁটা এবং সাতার কাটার মত একটি উৎকৃষ্ট ব্যায়াম। নিয়মিত সাইকেল চালানো শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে রক্তের কলেস্টেরলের মাত্রা কমে। রক্তচাপও কমে। সপ্তাহে ৩৫ কিলোমিটারের মত পথ সাইকেল চালালে করোনারি হূদরোগের সম্ভাবনা কমে যায় ৫০ শতাংশেরও বেশি।
রুপকথার গল্প থেকে আমরা জেনেছি লবণ ছাড়া রান্না করা খাবারের কোনও স্বাদ নেই রাজার মুখে, তাই ছোট রাজকুমারীর 'লবণের মত ভালবাসাই প্রকৃত ভালাবাস'। শরীরবৃত্তিয় প্রয়োজনে পরিমিত মাত্রার খাবার লবণের যেমন দরকার তেমনি অতিরিক্ততা গুরুতর ক্ষতিরও কারণ। অধিক পরিমাণে খাবার লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকলেই সুস্বাস্থ্য অর্জন করা যায়-এই প্রসঙ্গেই আজকের আলোচনা।
অসুখ বিসুখে ডাক্তাররা দুশ্চিন্তামুক্ত থাকতে বলেন। টেনশন করলে সহজে রোগ সারে না। এজাতীয় কথা তাঁরা সব সময়ই বলে থাকেন। কেন বলেন জানেন ? টেনশন করলে শরীরের এ্যাড্রেনাল গ্রন্থি থেকে কার্টসেল নামের এক ধরনের হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোনের ফলে রক্ত থেকে ইন্টারলিউকিনস নামক এক ধরনের যৌগিক পদার্থের পরিমাণ কমে যায়। আর ইন্টারলিউকিনস হলো রক্তের সেই যৌগ বা রোগ প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে। সুতরাং অসুখ বিসুখে টেনশন করা আর নিজের পায়ে নিজের কুড়াল মারা সমান কথা। তাই টেনশন ফ্রী থাকুন দ্রুত সুস্থতা ফিরিয়ে আনুন।

**************************
দৈনিক ইত্তেফাক, ৩১ মার্চ ২০১২।

কুইক হেলথ টিপস : ব্লাডপ্রেসার কমান

ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। এরজন্য যা করবেন-তা হলো— অল্প একটু লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খান, এতে ব্লাডপ্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপ কমে যাবে।

**************************
দৈনিক আমার দেশ, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০।

প্রতি মিনিটে ১০০ কদম

আজকাল চিকিৎসকেরা প্রায়ই বলে থাকেন, হাঁটবেন। এটা সুসহনীয় ব্যায়াম। সবার জন্য উপযোগী, উপকারী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। এতে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে চিনি কম থাকে, রক্তচাপের রোগীর মনস্তাপ-রক্তচাপ দুটোই সহনীয় থাকে আর হৃদরোগীদের হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। কিন্তু কতক্ষণ হাঁটব, কী গতিতে হাঁটব? এর উত্তরে সান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা বলেছেন, প্রতি মিনিটে ১০০ কদম হাঁটার লক্ষ্য স্থির করতে হবে। ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিন হাঁটা একটি পরিমিত ব্যায়াম। মিনিটে ১০০ কদম এটা একদম ন্যূনতম—মন্তব্য স্কুল অব এক্সারসাইজ অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্সের অধ্যাপক সাইমন মার্শালের। এই গতি হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখার ও বেশ কিছু ক্যানসারের ঝুঁকি প্রতিরোধে সহায়ক বলে তিনি মনে করেন। কিন্তু শারীরিক সুস্থতা অব্যাহত রেখে বয়সকে চোখ রাঙিয়ে পেছনে ফেলে রাখতে প্রতি মিনিটে ১০৫ থেকে ১১০ কদম করে হাঁটুন। সঙ্গী নিয়ে হাঁটুন। খুব ভালো হয় ছন্দময় গানকে সঙ্গী করলে। হাঁটার কষ্ট উধাও।

**************************
মোহাম্মদ নাজমুল তথ্যসূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট দৈনিক প্রথম আলো, ১৭ র্মাচ ২০১০।
উঠে পড়ুন সকাল সকাল। আর্লি টু বেড অ্যান্ড আর্লি টু রাইজ, মেকস অ্যা ম্যান হেলদি, ওয়েলদি অ্যান্ড ওয়াইজ। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে স্বাস্থ্যবান হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সকালে ওঠার অভ্যাসের কিছু স্বাস্থ্যগত সুবিধা অবশ্যই রয়েছে। সকাল সকাল নাশতা করার সুবিধা। সকাল সকাল ব্যায়াম করার সুবিধা। দেহঘড়ির স্বাভাবিক নিয়মে শরীরের স্ট্রেস হরমোন বেশি হয়ে যাওয়ার আগেই জেগে ওঠার সুবিধা। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠলে ব্যায়ামের জন্য সময় পাওয়া যায়। নিয়মিত ব্যায়াম শরীরের জন্য উপকারী। সবচেয়ে সহজ, সস্তা, জনপ্রিয় ও নিরাপদ ব্যায়াম হচ্ছে হাঁটা। হাঁটুন। ব্যায়াম করুন। হাঁটার স্বাস্থ্যসুবিধা অনেক।
এখন চারদিকে প্রচণ্ড গরম ও উত্তাপ। এসবের প্রচণ্ডতায় তৃষ্ণার্ত বুক যেন চৌচির হয়ে ফেটে যাওয়া ফসলের মাঠ। রোদ যেন শরীরে চাবুকের আঘাত হয়ে বিঁধে। সর্বত্র বিরাজমান এক অবসাদ ভাব। গরমের এই বৈরী প্রভাব কিন্তু সহজেই একজন মানুষকে অসুস্থ করে তুলতে পারে।

কুইক : হেলথ টিপস : দিনভর সতেজ থাকা

গরমের মধ্যে একেবারে সতেজ থাকতে চান? কিংবা গরমে ত্বককে কুল বা ঠাণ্ডা রাখতে চান? এজন্য যা করবেন— — পানির মধ্যে চন্দন পাউডার মিশিয়ে ওই পানি গরম করে নিন। গোসলের পানির মধ্যে ওই পানি মিশিয়ে গোসল করুন। এতে আপনার মধ্যে দিনভর সতেজ ভাব বজায় থাকবে। — গরমে ক্লিনজিং মিল্ক ব্যবহার না করে এস্ট্রিজেন ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে যাবে। — সুতি কাপড়ের মধ্যে বরফের টুকরো নিয়ে সারা মুখে মালিশ করুন। এরপর ৫ মিনিট বাতাসে মুখটা শুকিয়ে নিন। ঘাড়ের পেছনেও বরফের টুকরো দিয়ে মালিশ করুন। — ত্বকে স্কিন টোনার লাগান। এতে ত্বকের রোম ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাবে। বেশি ঘাম হবে না

*************************
দৈনিক আমার দেশ, ২৭ এপ্রিল ২০১০।
এ গরমে মৌসুমী ফল আপনার শরীর ও মনে এনে দিতে পারে প্রশান্তি সারা দেশে এখন গ্রীষ্মের দাবদাহে জীবন ওষ্ঠাগত। প্রচণ্ড গরম, তার ওপর বিদ্যুত্-বিভ্রাট—যেন মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা। এই গরমে শিশু-কিশোর, যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই প্রতিনিয়তই কোনো না কোনো স্বাস্থ্য-সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। একটু সতর্ক হলেই অস্বাভাবিক এ স্বাস্থ্য-সমস্যাগুলোকে প্রতিহত করা যায়।
(Page 1 of 12)   
« Prev
  
1
  2  3  4  5  Next »

Categories