স্বাস্থ্যকথা

হেলথ টিপস

(Page 3 of 12)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »
রোগী দেখা শেষ। সমস্যা শুনে ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়েছেন চিকিত্সক। রোগী চলেও গেছে কক্ষের বাইরে। নতুন রোগী ঢুকে কেবল বসেছে চেয়ারে। এ সময় পুরোনো ওই রোগী আবার দরজার ফাঁক দিয়ে মাথা গলিয়ে লজ্জিত গলায় বলল, ‘সরি ডক্টর, একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলাম...।’
হাড়ের সুরক্ষায় চা নবজাতক শিশুর চোখ ওঠা
জ্বর একটি সাধারণ উপসর্গ। বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসেবে জ্বর হয়ে থাকে। জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেড়ে যায়। শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হচ্ছে ৯৮·৬ ফারেনহাইট (মুখগহ্বরে জিহ্বার নিচে)। এই তাপমাত্রা বেড়ে গেলেই আমরা তাকে জ্বর বলতে পারি। এই জ্বর হলে করণীয় কী? এ সম্পর্কে অনেকের মধ্যে ভুল ধারণা রয়েছে। জ্বর হলেই অনেকে রোগীর গায়ে কাঁথা চাপিয়ে দেন। তাদের ধারণা, এতে করে রোগীর ঘাম দিয়ে জ্বর ছাড়বে। জ্বর হলে ঠান্ডা হাওয়া আসার ভয়ে ঘরের দরজা-জানালাও অনেকে বন্ধ করে রাখেন। প্রকৃতপক্ষে এগুলোর কোনটাই জ্বর কমানোর পদ্ধতি নয় বা জ্বর কমাতে সাহায্য করে না। জ্বর হলে এমনিতেই শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়।
স্মৃতিশক্তি বাড়াবার ইচ্ছে কমবেশি আমাদের সবার মধ্যেই আছে। আমরা চাই সব কিছু যেন আমাদের মনে থাকে। বাস্তবে সেটা সম্ভব নয়। কিন্তু মনে রাখার পরিমাণ বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য আপনাকে কিছু নিয়ম-কানুন মানতে হবে। যেমনঃ ১. লক্ষ্য করুন এবং নোট নিন, ২. তথ্য সুশৃঙ্খলিত করুন, ৩. ডায়েরি ব্যবহার করুন, ৪. শরীর ফিট রাখুন, ৫. নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান, ৬. মগজ ব্যায়াম করুন, ৭. স্মৃতি সহায়ক, ৮. অন্যান্য সহায়ক, ৯. মনে রাখবেন কেউই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।
নিজেকে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য মানুষ কত কিছুই না করছে। হাজার হাজার বছর আগে মিসরীয় মহিলারা বিভিন্ন ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার করতেন। শুধু কসমেটিকস নয়, বিশেষ ধরনের পাথর ঘষে মুখের ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ানোরও প্রমাণ পাওয়া যায়। দেহের কোথাও বিশেষ করে মুখে যখন বয়সের ছাপ পড়তে থাকে তখন অনেকেই প্লাস্টিক ও কসমেটিক সার্জনদের শরণাপন্ন হন। বয়সের ছাপ কিভাবে দূর করে আগের মতো হওয়া যায় সেই ব্যাপারে পরামর্শ দেন কসমেটিক সার্জন।
ব্যায়াম বা শরীর চর্চা প্রতিটি পূর্ণ বয়স্ক মানুষের করা বাঞ্জনীয়। ব্যায়াম শুধু শরীরকে সচল ও ফিট রাখে তাই নয়, ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের খারাপ চর্বি বা ব্যাড কোলেষ্টেরলের মাত্রা কমে এবং ভালো চর্বি বা গুড কোলেষ্টেরল এইচডিএল-এর মাত্রা বাড়ে। পাশাপাশি ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন ত্বরাম্বিত হয় এবং দ্রুত রক্ত চলাচলের কারণে হার্টের রক্তনালীতে চর্বি জমতে পারেনা। ফলে হার্টে ব্লক তৈরীও হতে পারে না, পাশাপাশি যাদের হার্টের রক্তনালীতে ব্লক বা খানিকটা চর্বি জমেছে সেক্ষেত্রেও ব্যায়াম রক্তনালীতে অতিরিক্ত চর্বি জমতে দেয়না। এছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীর মুটিয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা পায়।
১· শিশুদের গলাব্যথা, খোস-পাঁচড়ার দ্রুত চিকিৎসা করানো উচিত। কারণ এগুলো থেকে কিডনি প্রদাহ বা নেফ্রাইটিস রোগ দেখা দিতে পারে
রমজানে রোজা রাখা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়, মঙ্গলজনকই বটে। তবে রমজানে চাই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার। এটি সুষম ও পরিমিতও হওয়া চাই। সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সুষম খাদ্য গ্রহণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তলপেটে হঠাৎ করে ব্যথা উঠলেই অনেকে মনে করে থাকেন অ্যাপেনডিসাইটিসের ব্যথা। জরুরিভিত্তিতে অপারেশন দরকার। আসলে কথাটা সঠিক নয়। পেটে ব্যথা অ্যাপেনডিসাইটিস ছাড়াও বহুবিধ কারণে হতে পারে। ওষুধপত্রের মাধ্যমেও পেটের ব্যথা থেকে নিরাময় হওয়া যায় অনেক ক্ষেত্রে।
শুরু হয়েছে সংযম আর আত্মত্যাগের মাস রমজান। প্রশ্ন ওঠে, অসুস্থ যারা বা নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় যাদের, তারা কী করবে? এ নিয়ে তাই অনেক গবেষণাও হয়েছে। রোজাদারদের খাওয়া হয় মূলত দুবার, ইফতারি ও সেহরিতে (অন্যান্য সময়ে তিন থেকে পাঁচবার খাওয়ার পরিবর্তে)। ভাজা-পোড়া বেশি খাওয়া হয়। ঘুমের সময়ে পরিবর্তন আসে। ভরপেট ইফতারি খেয়ে তারাবির নামাজে দীর্ঘ সময় দিতে হয়। ওষুধ খাওয়ার সময় পাওয়া যায় মাত্র দুবার। মধ্যবর্তী রোজার লম্বা সময়ে সব ওষুধ গ্রহণ বন্ধ থাকে।
(Page 3 of 12)   « Prev  1  2  
3
  4  5  Next »

Categories