স্বাস্থ্যকথা

হেলথ টিপস

(Page 4 of 12)   « Prev  2  3  
4
  5  6  Next »
ইফতার বা সেহ্‌রিতে ঘরে তৈরি খাবার খাওয়া সবচেয়ে ভালো। দোকানের ভাজিজাতীয় খাবার বদহজম, পেট ফাঁপার কারণ হতে পারে। রোজা রাখার পর শরীরের চাহিদা অনুযায়ী সুষম খাবার খেতে হবে। শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাবারের পরিমিত সংমিশ্রণে সেহ্‌রি, ইফতার ও রাতের খাবার খেতে হবে। বিশুদ্ধ পানি পানের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রাপ্তবয়স্কদের ইফতার থেকে সেহ্‌রি পর্যন্ত দুই থেকে আড়াই লিটার পানি পান করা উচিত।
রমজান মাসে সংযমের মাধ্যমে হয়আত্মিক উন্নতি, আত্মশুদ্ধি এবংস্বাস্থ্যের উন্নতি। খাদ্যও পুষ্টি, সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এ দুটোর সমন্বয়েপত্রি এই মাসে সুন্দর স্বাস্থ্য বজায় রাখা যায়।এ নিয়েরয়েছে পরামর্শ। সাধারণভাবে যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করা হয়, রোজার সময়ও সে পরিমাণই গ্রহণ করা উচিত। কাজকর্মও একই পরিমাণকরা উচিত, কমবেশি নয়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকতে হয় বলে খেতে হবে ধীরে ধীরে হজম হয় এমন খাদ্য, যাতে রয়েছে বেশি আঁশ। দ্রুত হজম হয় এমন খাবার না খাওয়া ভালো। ধীরে হজম হয় এমন খাদ্য শরীরে টিকে থাকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত। অথচ দ্রুত হজম হয় এমন খাদ্য শরীরে থাকে মাত্র তিন-চার ঘণ্টা।
মধ্যাহ্ন ভোজন কিংবা ডিনারে সাধারণত প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার থাকে। উত্তম ক্ষেত্রেই খাবারের পর অনেক সময় চায়ের ব্যবস্থা থাকে। আবার কেউ কেউ অভ্যাসগত ভাবেই লাঞ্চ কিংবা ডিনারের পর চা পান করে থাকেন। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, উক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণের ঠিক পর পরই চান পান করা উচিত নয়। এতে করে হজমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। দেখা গেছে, চায়ের মধ্যকার ট্যানিন খাবারের প্রোটিনের সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এক ধরনের জটিল রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে। এই রাসায়নিক যৌগ হজমে সমস্যার সৃষ্টি করে এবং আয়রন শোষণে বাধা দেয়। কাজেই নিয়মিত উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার গ্রহণের ঠিক পর পরই চা পান করলে অদূর ভবিষ্যতেই তা হজমে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
রোজার সময় আমাদের খাদ্যাভ্যাস পাল্টে যায়। এ সময় খাবার খেতে হয় তিনবার। যেমন-ইফতার, সন্ধ্যা রাতের খাবার এবং ভোররাত বা সেহ্‌রির খাবার। অর্থাৎ অন্যান্য সময়ের চার বা পাঁচবারের বদলে তিনবার খাওয়া হয়। এই তিনবারের খাবারে ক্যালরির পরিমাণ হতে হবে সাধারণ সময়ের পাঁচবারের সমান। দেখা যায়, সারা দিন না খেয়ে থাকার ফলে অনেকে মনে করেন ইফতারে বেশি করে না খেলে শরীর টিকবে না। আসলে শরীর ঠিক থাকবে পরিমিত ও সুষম খাবারের মাধ্যমেই। বেশি খাওয়ার মাধ্যমে নয়।
ঐতিহ্যগতভাবেই আমরা ইফতারে ভাজাভুনা ও তেল জাতীয় খাবার বেশি খেয়ে থাকি। শুধু তাই নয়, ইফতারে পেট ভরে খাওয়ার নিয়মও যেন চালু হয়ে গেছে। কিন্তু এ সময় খাবার হতে হবে সুষম ও আদর্শ।
হাট-বাজারের ভিড়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আনাজ তরকারির দোকনের সামনে হয়ত। হঠাৎ করেই, আগাম নোটিশ ছাড়াই মাথা খুব হালকা মনে হলো। কি করবেন চট্‌জলদি? পা দুটো আড়াআড়ি চেপে ধরুন। পেশীগুলো চেপে ধরুন।
রমজানে প্রাপ্ত বয়স্ক প্রত্যেক নর-নারীর জন্য রোজা রাখা ফরজ। প্রায় ৮০% টাইপ-২, ডায়াবেটিস রোগী এবং ৪০% টাইপ-১ ডায়াবেটিস রোগী রমজান রোজা রাখে। রমজান-চন্দ্রমাস হওয়াতে ২৯ বা ৩০ দিনে হয়। ভৌগোলিক অবস্থান এবং ঋতু ভেদে কমেবেশি প্রায় ১৬ ঘন্টা রোজা রাখতে হয়।
সংযম আর আত্মত্যাগের মাস রমজান। এসময় পরিবর্তিত হয় খাবার গ্রহণের সংখ্যা ও সময়। যারা অসুস্থ বা যাদের নিয়মিত ওষুধ খেতে হয় তাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে- কখন, কীভাবে ওষুধ সেবন করবে অথবা ওষুধ ব্যবহারে তাদের রোজার কোনও সমস্যা হবে কিনা। এ নিয়ে অনেক গবেষণা হয়েছে।
লম্বা সময়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে রফেকক্সিব ব্যবহারে ওষুধ বন্ধ করার পরও ব্যবহারকারী এক বৎসর ধরে স্ট্রোক, হার্ট এটাক এবং মৃত্যুর ঝুঁকিতে থেকে যান। ‘মার্ক সার্প এন্ড ডোম’ কোম্পানী স্বেচ্ছায় গত চার বৎসর আগে বাজার থেকে তাদের পণ্য ভাইয়ক্স তুলে নেয়। অতি সম্প্রতি একটি বড় ট্রায়ালের ফলাফলে দেখা যায় রফেকক্সিব ব্যবহার বন্ধ করলেও ১৮ মাস ধরে হ্রম্বোটিক ইভেন্ট হবার আশংকা থেকে যায়।
বসন্তে নিষ্প্রাণ প্রকৃতি যেন জেগে ওঠে। চারদিকে রঙের ছড়াছড়ি দেখে মনও হয় উৎফুল্ল। কিন্তু এ সময় সাবধান না হলে ঘটতে পারে বিপত্তি। তাই এ বসন্তে সুস্থ থাকার জন্য কিছু নিয়ম মানা জরুরি। বসন্ত এল বলেই অনেকে শীতের পোশাক ছেড়ে দেয়। কিন্তু তাতে ঠান্ডা লেগে শরীর বিগড়ে যেতে পারে।
(Page 4 of 12)   « Prev  2  3  
4
  5  6  Next »

Categories