স্বাস্থ্যকথা

হেলথ টিপস

(Page 5 of 12)   « Prev  3  4  
5
  6  7  Next »
শারীরিক যন্ত্রণাদায়ক অস্বস্তিকর অনুভূতিই হচ্ছে ব্যথা। প্রত্যেক মানুষেরই কখনো না কখনো ব্যথায় ভুগে কষ্ট পাওয়ার ইতিহাস রয়েছে। আমদের প্রতিদিনকার জীবনপ্রণালী এবং অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় চলাফেরা ও খাদ্যে বিভিন্নরকম উপাদানের অভাব ইত্যাদির কারণে আমরা হরহামেশাই ব্যথায় ভুগছি। আমাদের দেশে কোন নীতিমালা না থাকায় হরদম বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ দোকান থেকে ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কিনে না খায় লোকজন। নিজে কিনে বা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্রসহ যে কারণে বা যেভাবেই ব্যথার ওষুধ খাই না কেন এর ব্যবহারে অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত। দীর্ঘমেয়াদী, অনিয়ন্ত্রিত, মাত্রাতিরিক্ত- ব্যথানাশক শরীরের বিশেষ ক্ষতি করতে পারে।
কতটুকু বা কতক্ষণ ঘুম চাই তা বিভিন্ন বয়সে এবং বিভিন্ন জনে তফাত হতে পারে। তবে বয়স্কদের দৈনিক গড়ে ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন। সারাদিন কাজকর্মের পর আমাদের শরীর একটু বিশ্রাম চায়। ঘুমের পর শরীর পূর্ণ উদ্যম ফিরে পেতে পারে। নিদ্রাটা চাই গভীর।
ওষুধ আমাদের জীবনধারণের একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। সঠিক নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ ব্যবহার যেমন রোগ মুক্তিতে সহায়তা করে তেমনই না জেনে ওষুধ সেবনে আমরা হতে পারি ভয়ানক ক্ষতির সম্মুখীন। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যুক্তরাজ্যে তিনভাগের এক ভাগ মানুষ বাজারে প্রচলিত ব্যথানাশক ওষুধসমূহের ব্যবহারবিধির পার্থক্য সম্পর্কে জ্ঞাত নয়।
আমাদের কিছু কিছু ছোটখাটো শারীরিক ও মানসিক সমস্যা সব সময়ই মোকাবিলা করতে হয়। সব সময় তার জন্য আমরা চিকিৎসকের কাছে যেতে চাই না। এসব সমস্যা কখনো অবজ্ঞা করতে চাই। আবার কখনো তাও পারি না। এসব সমস্যা দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করে জিইয়ে রাখলে বড় ধরনের স্বাস্হ্য হুমকির সম্মুখীন হতে পারি আমরা। এরুপ কিছু সমস্যার সহজসাধ্য ও বৈজ্ঞানিক/স্বাস্হ্যসম্মত সমাধান এখানে আলোচনা করছি। এখানে খাদ্য উপাদানই প্রধান হাতিয়ার।
দেহকে সঠিকভাবে চালনার জন্য খাদ্যশক্তির প্রয়োজন। খাদ্যশক্তিকে কিলোক্যালরিরুপে হিসাব করা হয়। সবার দেহে কিলোক্যালরির চাহিদা সমান নয়। হাল্কা কাজের লোকের চেয়ে ভারি কাজের লোকের খাদ্যের চাহিদা বেশি। এ ছাড়া বয়স, পেশা, আবহাওয়া, দিনরাত এবং লিঙ্গ ভেদে ক্যালরির চাহিদার তারতম্য ঘটে।
প্যারাসিটামল সাধারণত ব্যথানাশক ও তাপমাত্রা কমাতে ব্যবহৃত হয়। .....
দুঃসহ গরমে যেকোন মুহূর্তে যে কেউ পড়তে পারে অসুস্থতায়। আবহাওয়ার তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মানবদেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখার কৌশল আয়ত্ত করতে পারলেই সম্ভব অসুস্থতার হাত থেকে রেহাই পাওয়া। কিন্তু কিভাবে আয়ত্ত করবেন সেই কৌশল? কিভাবে দুঃসহ গরমে ঠাণ্ডা রাখবেন নিজেকে?
মাউথওয়াশ হলো ওষুধসমৃদ্ধ একটি এন্টিসেপটিক দ্রবণ, যা মুখে কুলকুচি বা কুলি করার জন্য ব্যবহার করা হয়। আমেরিকান ফুড এন্ড ড্রাগ এডমিনিষ্ট্রেশন বা এফডিএ কর্তৃক মাউথওয়াশকে প্রধানত তিন ভাগে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে। -- কসমেটিক মাউথওয়াশ। -- থেরাপিউটিক মাউথওয়াশ। -- উপরোক্ত দুটির সমন্বয়ে প্রস্তুত মাউথওয়াশ।
গ্রীষ্মের দাহ সবাইকে স্পর্শ করে, কিন্তু কেউ কেউ তাপাহত হন তীব্রভাবে। যেমন-মেদস্থূল লোক, ত্বকের নিচে যে বাড়তি মেদভাণ্ডার, তা ওভারকোটের মতো দেহকে পেঁচিয়ে থাকে যেন। এদের গরম লাগে বেশি। ছোট শিশু সহজেই বিশুষ্ক হয়ে যায়। কারণ, এদের দেহে পানির আসা-যাওয়ার হার খুব বেশি। বয়স্কদের দেহের তাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে, তাই তাঁরা তাপাহত হন সহজে। খুব গরমের সময় হার্ট অ্যাটাকও হয় বেশি।
আয়োডিন শরীরের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি খাদ্য উপাদান। এটি আমাদের শরীরে থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে সহায়তা করে। এর অভাবে নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, আমাদের দেশের ৪৭ শতাংশ ভাগ লোক আয়োডিনের অভাবজনিত সমস্যায় আক্রান্ত। আমাদের দেশে আয়োডিনের অভাবজনিত প্রতিবন্ধী লোকের সংখ্যা কয়েক কোটি। উত্তরাঞ্চল, বিশেষ করে রংপুর, দিনাজপুর, জামালপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলে এ সমস্যা বেশি দেখা যায়। প্রতিবছর প্রবল বৃষ্টি ও বন্যায় প্লাবিত হওয়ায় এসব অঞ্চলের মাটি থেকে আয়োডিন ধুয়ে যায়। এতে মাটিতে আয়োডিনের ঘাটতি দেখা দেয়। এ রকম মাটিতে জন্মানো ফসলে আয়োডিনের পরিমাণ খুবই কম থাকে অথবা একেবারেই থাকে না। ফলে এসব অঞ্চলের লোকজন ক্রমাগত আয়োডিনবিহীন খাবার খেয়ে আয়োডিনের অভাবজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়। সমুদ্রের পানিতে প্রচুর পরিমাণ আয়োডিন থাকে। সমুদ্রের পানির এ আয়োডিন রোদে বাষ্পীভূত হয়ে বৃষ্টির পানির মাধ্যমে মাটিতে মিশে মাটিকে আয়োডিনসমৃদ্ধ করে। পানি ও মাটিতে পর্যাপ্ত আয়োডিন থাকলে উদ্ভিদজাত ও প্রাণিজ খাবারে প্রয়োজনীয় আয়োডিন পাওয়া যায়।
(Page 5 of 12)   « Prev  3  4  
5
  6  7  Next »

Categories