স্বাস্থ্যকথা

উচ্চ রক্তচাপ

(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »
হাইপারটেনশন অর্থাৎ রক্তচাপ হচ্ছে নীরব ঘাতক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা গেছে, রোগীর তেমন কোনো উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না। আর ৩০ শতাংশ রোগীর উপসর্গ থাকলেও তারা তা উপলব্ধি করতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরে যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন কিন্তু কোনো ওষুধ সেবন করছেন না তাদের জানা উচিত, উচ্চ রক্তচাপ শরীরের ভেতরের সব অঙ্গগুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে ফেলে এবং একটা সময় জীবননাশকারী রোগের দিকে ঠেলে দেয়।
সারাদিনের খাঁটুনির পর রাতের ঘুম দেয় প্রশান্তি। দূর করে সব ক্লান্তি। দেয় পরদিন নতুন উদ্যোমে কাজ করার শক্তি। কিন্তু ঘুমটি হওয়া চাই নির্বিঘ্ন ও অবশ্যই পর্যাপ্ত। ঘুম যদি পর্যাপ্ত না হয় তাহলে তা শরীরের ওপর অত্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অপর্যাপ্ত ঘুম নীরবে শরীরের নানা ক্ষতি করে।
একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের স্বাভাবিক রক্তচাপ ১২০/৮০ মি·মি মার্কারী। বয়সভেদে এই রক্তচাপ বাড়তে পারে বা কমতে পারে। কারো রক্তচাপ সব সময়ের জন্য যদি বেশি মাত্রায় থাকে (যেমন-১৩০/৯০ বা ১৪০/৯০ বা তারও বেশি) যা তার দৈনন্দিন কাজ বা স্বাভাবিক কাজকর্মকে ব্যাহত করে, তখনই এই অবস্থাটিকে আমরা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলি।
(ডা. বরেন চক্রবর্তী) রক্তপরিবাহী নালীর ভেতর দিয়ে রক্ত যখন চলাচল করে, তখন পরিবহন নালীর গায়ে যে চাপ পড়ে, তাকেই রক্তচাপ বলা হয়। মৃত মানুষের রক্তে চাপ থাকে না, তাই বেঁচে থাকার জন্য রক্তচাপ থাকা অবশ্যই দরকার।
(Page 2 of 2)   « Prev  1  
2
  
Next »

Categories